বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিজবুল বাহার রানার সনদ জালিয়াতির গোপন তথ্য ফাঁস

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২, ৯:৫০ এএম
কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিজবুল বাহার রানার সনদ জালিয়াতির গোপন তথ্য ফাঁস
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিজবুল বাহার রানার সনদ জালিয়াতির গোপন তথ্য ফাঁসকোথাও রানা, কোথাও হিজুল বাহার রানা আবার কোথাও হিজবুল বাহার রানা। বাবা ছিলেন মসজিদের ইমাম। নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে রাজনীতি শুরু করেন লক্ষীপুর জেলা তরুণলীগ নাম দিয়ে।

শুরুটা কষ্টের হলেও লক্ষীপুর পৌর শহরে স্বনামধন্য এক আওয়ামী পরিবারে বিবাহ করে রাজনৈতিক পরিবর্তনের চেষ্টা করেন এই রানা; হয়ে যান জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক। সেসময় নানা জালিয়াতির কারণে পৌর শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকায় ঝাড়ু মিছিল হয় তার নামে। এদিকে অনৈতিক সম্পর্কে ধরা পড়ায় প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় জেল খাটেন এক মাসেরও বেশি সময় ধরে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জন্য নানা লবিং করে বনে যান কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিজবুল বাহার রানার গ্রামের বাড়ী ল²ীপুর সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের মানিকের বাড়ী। ওই বাড়ীর মূল ফটকে রয়েছে বায়তুল আক্বসা জামে মসজিদ। মসজিদটি পরিচালনা কমিটির সভাপতিও তিনি। মসজিদটির সংস্কারের জন্য ল²ীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের কাছ থেকে আনেন অনুদান। তবে সে অনুদানের টাকার বিষয়ে কিছুই জানেন না মসজিদ কমিটির অন্য সদস্যরা। এমনকি মসজিদে উন্নয়নমূলক কোন কাজও করেননি তিনি।

মসজিদ উন্নয়নের সমুদয় টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এই নেতার বিরুদ্ধে, শুধু তাই নয়; ঢাকা টিএন্ডটি ইউনিভার্সিটি কলেজের নাম দিয়ে জাল সনদ বানিয়ে সাবেক সাংসদ শহিদ ইসলাম পাপুল থেকে নেন বশিকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মনোনয়নপত্র। জাল সনদের বদৌলতে হয়ে যান বশিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, স্বপ্ন দেখেন পার্শ্ববর্তী বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হওয়ার।

অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজের আয়ত্তে সবকিছু নিতে রানা বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজের এড্হক কমিটি, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানীমূলক বিরূপ মন্তব্য শুরু করেন। সরকারি বিধি মোতাবেক এড্হক কমিটি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের আয়োজন করে। তবে নির্বাচন বানচাল ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতে নীল নকশা আঁকে হিজবুল বাহার রানা। প্রতিষ্ঠানটিতে শতভাগ পাসের সুনাম থাকলেও হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে মরিয়া কৃষকলীগের এই নেতা আওয়ামীলীগ নেতাদের বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে কৃষকলীগের পদবীকে কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেন। পরে রানা বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি হওয়ার জন্য অধ্যক্ষ নুরুল হুদা বকুলকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে কুমিল্লা বোর্ডে নিয়ে যায় এড্হক কমিটি ভেঙ্গে ফেলার আবেদনের জন্য।

সম্প্রতি বশিকপুর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে সংবর্ধনা দেয়ার অনুষ্ঠানে শত শত লোকের সামনে এবিষয়ে বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল হুদা বকুল মাইকে বলেন, কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিজবুল বাহার রানা নিজে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হওয়ার জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কুমিল্লা বোর্ডে নিয়ে যান। সেখানে তাকে বিভিন্নভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয় বলে আক্ষেপ করেন এই অধ্যক্ষ।

প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সভাপতি হাজী এএসএম জাকির হোসাইন মিজান বলেন, জরাজীর্ণ ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা সমস্যা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দীর্ঘ এক যুগ ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে শতভাগ পাশের সুনামসহ প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। নিজের অর্থ ব্যয় করে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজ করেছেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি এ প্রতিষ্ঠানটিকে আগলে রেখেছেন। বর্তমান এড্হক কমিটি সরকারি বিধি মোতাবেক নির্বাচনের আয়োজন করবে বলে তিনি আশাবাদী। এসময় তিনি আরো বলেন, সাংসদ এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন অত্যন্ত বিচক্ষণ ব্যক্তি। তাঁর নির্বাচনী এলাকার প্রতিষ্ঠান এটি। এ প্রতিষ্ঠানে কোন ধরণের জালিয়াত চক্র যাতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে এজন্য এমপির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এদিকে হিজবুল বাহার রানার জাল সনদের বিষয়ে টিএন্ডটি বিশ্বদ্যিালয় কলেজের অধ্যক্ষ কাজী কামরুজ্জামান জানান, হিজবুল বাহার রানা নামে তাদের কোন ছাত্র ছিল না।এমনকি ডিগ্রি পাসের সনদে ব্যবহৃত রোল নাম্বার ও রেজিষ্ট্রেশন নাম্বারের কোন অস্তিত্ব নেই।

তবে হিজবুল বাহার রানা সনদ জালিয়াতির বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। তিনি দাবি করেছেন, তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

জাল সনদ জমা দিয়ে প্রাথমিকের সভাপতি হওয়ায় কি ধরনের ব্যবস্থা নিবেন জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনছুর আলী চৌধুরী বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষা কমিটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।

জোর করে সদস্য সচিব ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ নুরুল হুদা বকুলকে বোর্ডে নিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর বিষয়ে কি ধরনের ব্যবস্থা নিবেন জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল মতিন বলেন, অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে।

এদিকে রানার অপকর্মের বিষয়ে লক্ষীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষা অফিসারের কাছে অভিযোগ জানালে তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন।

এবিষয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী বলেন, রানার বিষয়ে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সাথে কথা বলবেন, সত্যতা পেলে সংগঠন ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×