সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে পূর্ব চাঁন্দিশকরায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় ২০০ পরিবারের ভোগান্তি চরমে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস ইউএন’র

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২:৫১ পিএম
চৌদ্দগ্রামে পূর্ব চাঁন্দিশকরায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় ২০০ পরিবারের ভোগান্তি চরমে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস ইউএন’র
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাটি দেশের “ক” শ্রেণির একটি পৌরসভা। ২৪ এর গণঅর্ভ্যূত্থান পরবর্তী পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এটি চলছে প্রশাসক এর অধিনে। নির্বাচিত মেয়র এর পাশাপাশি এখানে অনুপস্থিত ওয়ার্ড ভিত্তিক কাউন্সিলরগণও। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নির্বাচিত কাউন্সিলরদের প্রায় সকলেই এখন এলাকা ছাড়া। জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এবং পৌরসভার স্বাভাবিক কার্যক্রমে গতি ফিরিয়ে আনতে একটা সময় সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পৌর প্রশাসক নিয়োগ দেন। পদাধিকার বলে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। ৫ আগস্ট-২০২৪ পরবর্তী সময়ে কয়েকদফা চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক বদল হলেও ভাগ্য বদলায়নি পৌর এলাকার পূর্ব চাঁন্দিশকরা গ্রামের সাধারণ মানুষের। যার উদাহরণ; পৌর সদরের নাগের ডগায় অর্থাৎ পৌর এলাকার পূর্ব চাঁন্দিশকরার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই কোনো আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। হয়নি দৃশ্যমান কোনো টেকসই উন্নয়ন। যারফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পূর্ব চাঁন্দিশকরায় চৌদ্দগ্রাম-লাকসাম আন্তঃসংযোগ সড়কের লাকসাম রাস্তার মাথার ঠিক ২০০ গজ পশ্চিমে প্রতিনিয়তই সৃষ্টি হচ্ছে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা। একটু বৃষ্টি হলেই এখানে জমে যাচ্ছে হাঁটু সমান পানি। বৃষ্টির এ পানির সাথে মিশে যাচ্ছে ভিন্ন এলাকার নোংরা ও দূষিত পানি। এতে আশেপাশের অন্তত ২০০ পরিবারের সহস্রাধিক মানুষকে প্রায় প্রতিদিনই পড়তে হচ্ছে নানান বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যাওয়া বয়োঃবৃদ্ধ রোগি ও অফিসমুখী চাকুরিজীবিদের ভোগান্তি এখন চরমে। বৃষ্টি বিঘ্নিত দিনে উক্ত স্থান দিয়ে চলাচল করাটা বেশ দুর্ভোগপূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিনই ঘটছে নানান দুর্ঘটনা। চলমান বর্ষা মৌসুমের ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখন দ্বিগুণ হারে বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অত্র এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পৌর কর্তৃপক্ষের প্রতি ভুক্তভোগি সাধারণ মানুষের অসন্তুষ্টি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এ এলাকায় পানি নিষ্কাশনের সরকারি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বারবার চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়ক ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। কখনো কখনো ওই এলাকার মানুষের ঘরে ঢুকে যাচ্ছে ময়লাযুক্ত দূষিত পানি। এতে প্রায় ২০০টি পরিবারের সদস্যরা প্রতিদিনই নানান ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পানি দূষণের ফলে ছড়াচ্ছে নানান রোগ-ব্যাধি। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে শিশু সহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জমে থাকা পানি দীর্ঘ সময় ধরে সড়কে অবস্থান করে। ফলে রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির ঝুঁকি বাড়ছে ক্রমশঃ। দ্রুত সময়ে একটি টেকসই পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগিরা। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সরেজমিন ঘুরে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এমন দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণের আশায় বারবার পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষের প্রতি বেশ হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিযোগ করে তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি আন্তঃসড়কের পাশের বাড়ীঘরের মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। এ ব্যাপারে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বারবার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এর কোনো সুষ্ঠু সমাধান হয়নি। আমরা বিষয়টি নিয়ে বেশ হতাশ। আমরা চাই, শীঘ্রই পৌর কর্তৃপক্ষ এ স্থানে একটি আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ সহ এলাকাবাসীর কষ্ট লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করবে।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন জানান, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে আমি পৌর ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশনা প্রদান করেছি জায়গাটি পরিদর্শনের জন্য। জলাবদ্ধতা নিরসন ও স্থানীয়দের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×