সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নাঙ্গলকোট থানার গেইটে নামধারী ধান্দাবাজ সাংবাদিকের আস্তানা

মোঃ জামাল উদ্দিন স্বপনঃ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২, ৯:৩৯ এএম
নাঙ্গলকোট থানার গেইটে নামধারী ধান্দাবাজ সাংবাদিকের আস্তানা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

নাঙ্গলকোট থানা যেন ধান্দাবাজ নামধারী সাংবাদিকদের আতুড়ঘর, তাদের আক্রমণে সর্বশান্ত উপজেলার জনগণ। নাঙ্গলকোটের মূল প্রেসক্লাবকে বিচ্ছিন্ন করে নিজেদের অপরাধের আস্তানা খুলে বসে কিছু অসাধু চক্র ধান্দাবাজ সাংবাদিক তাও পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় থানার গেইটের সামনে। প্রেসক্লাবের নিয়ম শৃঙ্খলা অনুযায়ী কোন প্রকার অপরাধের সাথে জড়াতে না পেরে বেলাল হোসেন রিয়াজ, রেজাউল করিম রাজুসহ ৫/৭ জনের একটা অপরাধীচক্র আলাদা আস্তানা বাঁধে। সেই আস্তানাতে বসেই জনসাধারণকে হাতায়। যেহেতু সাধারণ জনগণ কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে সবাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় থানায় আসে, সেই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ঐ দালাল চক্রটি বিপদগামী ব্যক্তিদের কাছে যায়। গিয়ে বিভিন্ন ভরসা মূলক আশ্বাস দিয়ে বলে- ওসি ও থানার সকল এসআই আমাদের লোক, আপনার জন্য কি করতে হবে? তাদের ফাঁদে পা দিলেও সমস্যা, নচেৎ- না দিলেও সমস্যা। তাদের সাথে সম্মতি পোষণ করলে থানায় তার পক্ষে সাপাই গাইবে, না দিলে- প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা গোলাটে করে দেয়। কোন আসামি আটক বা অভিযুক্ত হলে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রপাদপা করিয়ে দেয়, যাহা অতীতেও বিভিন্ন নিউজে প্রকাশ পেয়েছে। কিছুদিন আগে বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করার লাইসেন্সও ঐচক্র দেয়, চাঁদাবাজির মাইক আটক করলে রাজু মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে থানা থেকে মাইক চাড়িয়ে দেয়।
চক্রের সদস্যদের কাজ হচ্ছে ওসিকে সবার মাঝে হাইলাইটস করা।
নাঙ্গলকোট থানায় ওসি সৎ, দক্ষ। তার কথাগুলো মানুষের মাঝে বলে বেড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত দুই ধান্দাবাজ নামধারী সাংবাদিক। যারা সব সময় মানুষকে বিভিন্ন দোকা দিয়ে টাকা ইনকাম করেন। এরা হলেন রেজাউল করিম রাজু। গ্রামের বাড়ি উপজেলা মৌকরা ইউপির আলীয়ারা। যার কোন প্রষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। কোন মতে জোড়া তালি দিয়ে দু’বার মেট্রিক পরীক্ষা ও দু’বার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেন হেসাখান সুহৃদ বিজ্ঞান কারিগরি কজেল থেকে। অন্যজন বেলাল হোসেন রিয়াজ। গ্রামের বাড়ি হেসাখাল ইউপির পাটোয়ার। তিনি নিজেকে পরিচয় দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা মাস্টার্স ডিগ্রী পাস করেছেন। যার কোন সাটিফিকেট নেই। এই ধান্দাবাজ সাংবাদিকরা প্রতিদিন ৩-৪ ঘন্টা ওসি রুমে বসে গল্প গুজব করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেন। আর বাহির থেকে কোন মানুষ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসলে বা ওসির সঙ্গে দেখা করতে চাইলে সুকৌশলে তাদেরকে বলে বেড়ায়, আমাদের নাঙ্গলকোট থানায় এই প্রথম একজন মাত্র ওসি ফারুক হোসেন অনেক সৎ। ওনাকে পাওয়া আমাদের ভাগ্যের ব্যাপার। এই বলে মানুষের কাছে আক্ষায়িত করেন। এমনকি পুলিশের ভয় দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেন এ চক্রটি। থানার প্রায় দরবার ওসিকে দিয়ে তারা ভাঙ্গেন মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে। এতেও ক্ষান্ত হননি তারা প্রতি রাতে ওসি ফারুক হোসেনের সরকারি গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় টহল দিয়ে আসামিও ধরেন মাঝে মধ্যে। পাশাপাশি রাতে বাহির হওয়ার আগে রাজু ও রিয়াজ টার্গেটে রাখে ওসি ফারুক হোসেনকে নিয়ে কার বাড়িতে রাতের ভুরিভোজ করা যায়। সে অনুযায়ী ওই মানুষ ফোন করে বলে ওসিকে নিয়ে আপনার বাড়িতে আসতেছি। উনি সৎ মানুষ, সামান্য সাদা বাত আর গরুর মাংসের আয়োজন করলেই চলবে। এটাই আমাদের ওসি পছন্দ করেন, এর বেশি কিছু না। এই ধান্দাবাজ সাংবাদিকরা ওসিকে হাতে রেখে বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। এসব ঘটনা যদি মিথ্যা হয় তাহলে থানায় সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ চেক করলে দেখা যাবে কে কে থানায় আসে আর কতক্ষণ ওসির রুমে বসে থাকার পর রাতে আসামি ধরতে বাহির হয়।
থানার সিসি ক্যামেরা পর্যোবেক্ষণ করলে তার সত্যতা মিলবে। যা দেখবেন আগামী সংখ্যার পত্রিকায় ও টিভি চ্যানেলে। চক্রের সদস্যরা লোক বুঝে মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন উপহার সমগ্রী নিয়ে দেন ওসিকে।
এভাবেই মানুষ তাদের কাছে হয়রানির শিকার হয় প্রতিনিয়ত। নাঙ্গলকোট বাসী এথেকে পরিত্রাণ পেতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×