সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কামরাঙ্গীরচরে রাফিউ প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলের যতো অনিয়ম!

জুয়েল খন্দকার : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২, ৩:৪৪ এএম
কামরাঙ্গীরচরে রাফিউ প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলের যতো অনিয়ম!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানার বড় গ্রামে রাফিউ প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলের চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজতে গিয়ে বেড়িয়ে এলো থলের বিড়াল। আমাদের অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে একই পরিবারের তিন সন্তান রাফিউ স্কুলে পড়তেন কিন্তু জানা যায় করোনা চলাকালীন লকডাউনেও সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেও স্কুল খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের পড়ানোসহ স্কুলে পরীক্ষাও চালিয়েছিলেন এই রাফিউ প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুল। একই পরিবারের তিন সন্তানের জননী জানান, করোনা কালিন আমার বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাইনি কিন্তু স্কুল থেকে ২/৪ দিন পর পর আমার বাসায় লোক পাঠাতেন উক্ত স্কুলের কর্তৃপক্ষ, যাতে করে আমার বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠানো হয়। ঠিক পরীক্ষার সময়তেও লোক পাঠানো হয় কিন্তু যেখানে দেশ ভয়াবহ অবস্থায় ও বিশ্ব করোনা মোকাবেলায় হিমসিম খাচ্ছে, সেখানে আমার বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠাতে সাহস পাইনি কিন্তু সরকার অটোপাশ দিলেও এই স্কুলে ফি নিয়ে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।

পরে আমার দুই বাচ্চা অষ্টম শ্রেণি ও এক বাচ্চা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করানোর পর থেকে বাচ্চাদের সাথে শিক্ষক রফিক স্যার ও রিতু ম্যাডামসহ স্কুলের মালিক বাহার ও বাহার স্যারের স্ত্রী নাসরিন ম্যাডাম আমার মেয়েদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতেন, মাঝে মাঝে গায়েও হাতও তুলতেন। শুধু তাই নয় বাহার স্যার একদিন বলেন “করোনা চলাকালীন বেতন পরিশোধ না করলে দৈহিক ভাবে আদায় করে নেবেন বলে নোংরা ভাষায় গালিগালাজও করেন।

তিন মাস পর বাচ্চাদের পড়িয়ে সাড়া বছরের বেতন ও এক মাস কোচিং করিয়ে তিন মাসের বেতনের দাবী করছেন, স্কুলটির বেতনের কিছু টাকা মওকুফ করতে বললে নাসরিন ম্যাডাম নারাজ হোন ও বিভিন্ন ভাবে হুমকি-দমকি দিতে থাকেন। কমিশনার আমার আত্নীয়, পুরো টাকা পরিশোধ না করলে রেজাল্ট কার্ড ও টিসি কিছুই দেওয়া হবেনা এই কথা বলে আমাকে অনেক গালিগালাজও করেন তিনি।

রাফিউ প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলের মালিক বাহার ও স্ত্রী নাসরিন এর বিষয়ে আমাদের কাছে আসলে আমরা মুঠোফোনে নাসরিন ম্যাডামকে ফোন করে বাচ্চারা দেশের বাড়িতে গিয়ে ভর্তি হবে, বাচ্চারাতো করোনা কালিন অনেক বেতন দিয়েছেন এক মাস কোচিং করেছেন তিন মাসের কোচিং এর বেতন চাচ্ছেন, এই কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন একটি টাকাও মওকুফ করা হবেনা। পুরো টাকা দিয়ে রেজাল্ট কার্ড ও টিসি নিতে হবে এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদেরকে বোকা বানাতে বলেন তাদেরকে প্রবেশ পত্র দেওয়া হয়েছে সেই প্রবেশ পত্রে রোল নাম্বার ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দেওয়া আছে তারা চাইলে ভর্তি হতে পারবে ও যে কোন কাজ করতে পারবে বললে আমরা বাচ্চাদের প্রবেশ পত্র চেক করে দেখি সরকারী কোন প্রবেশ পত্র তো থাক দূরের কথা একই স্কুলের ছাত্রীর দুইটি প্রবেশ পত্রে ছাত্রীর নাম দুই রকম একটিতে রোল নাম্বার আছে আরেকটিতে রোল নাম্বার নেই!

শুধু তাই নয় এই স্কুলে শাকিব নামের এক ছাত্রের অভিভাবকদের অভিযোগ, শাকিব এই স্কুলেরই ছাত্র ছিলেন। সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েও শাকিব বানান করেও পড়তে পারেনা। এই বিষয়ে স্কুলের হেড মাস্টার নাসরিন ম্যামকে জিজ্ঞেস করলে তারা মা-বাবাকে স্কুল থেকে গালাগাল ও নানান হুমকদমকি দিয়ে স্কুল থেকে বাহির করে দেয়। শাকিব এখন কোন স্কুলে ভর্তি হতে পারেনি বলে শাকিব এর পরিবারের অভিযোগ। এই বিষয়ে ইতি মধ্যে গণমাধ্যমে একটি কলরেকর্ড ফাস হয়েছে।

করোনা চলাকালীন সারা বাংলাদেশে স্কুল বন্ধ থাকলেও বন্ধ রাখেনি বাহার ও তার স্ত্রী নাসরিনের অবৈধবাবে গড়ে তোলা রাফিউ প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাই স্কুল ও অল সেইন্টস স্কুল। এরা কখনো সরকারি নিয়ম কিংবা বিধিবিধান মানেনি সব সময় ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে বেতন আদায়ের উপরে পরে থাকেন কোন ছাত্র-ছাত্রীর বেতন বকেয়া পরলেই শুরু হয় অমানবিক ভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

করোনা চলাকালিন বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি যখন বন্ধ রেখে হিমসিম খাচ্ছিলেন ও অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধও হয়ে যায় কিন্তু ঠিক সেই সময়টা কাজে লাগিয়েছেন বাহার ও তার স্ত্রী নাসরিন। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে বেতন ও কোচিং এর টাকা আদায় করলেও শিক্ষকদের বেতন না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে একাধিক শিক্ষকের বাহার ও তার স্ত্রী নাসরিনের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় ভবন মালিককে করোনার দোহাই দিয়ে, করোনার পরেও স্কুল ভালো চলছেনা বলে ভবনের ভাড়া না দিয়ে অন্য ভবনে এই রাফিউ স্কুল নিয়ে যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খোলার প্রায় এক বছর পর পর্যন্তও বিভিন্ন সময়ে ভবনের মালিককে হুমকিদমকি দিতেন কথিত কমিশনার তার আত্নীয় এসপি ডিসি ইত্যাদি পরিচয়ে।

করোনা কালিন অনেক স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে ছাত্র-ছাত্রী ক্রয় বিক্রয় এর আয়ের উৎসের মাধ্যমে কয়েক কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন ইতিমধ্যে এডিসন ও বিএফএল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও স্কুলের নামসহ কিনে নিয়েছেন। করোনা কালিন ছাত্র-ছাত্রী ক্রয় বিক্রয়ের টাকা দিয়ে কামরাঙ্গীরচরে একটি বাড়িও করেছেন বাহার ও স্ত্রী নাসরিন। গোপন সূত্রে জানা গেছে, এই বাহারের বিরুদ্ধে ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ রয়েছে কিন্তু ছাত্রের পরিবার অসহায় বলে হুমকিদমকি দিয়ে বিষয়টি ধামা চাপা দিয়েছেন।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×