সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

খুনোখুনি বাড়ছে কুমিল্লায় চার দিনে ৪ খুন, একমাসে ৯টি

জহির শান্ত : প্রকাশিত: বুধবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৩, ৯:৫৮ এএম
খুনোখুনি বাড়ছে কুমিল্লায় চার দিনে ৪ খুন, একমাসে ৯টি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে মাহফিলে গায়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ছোলা বুট পড়ে যাওয়ায় ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় মোঃ ইয়াসিন (১৯) নামে এক তরুণকে। তুচ্ছ কারণে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার রামচন্দ্রপুরে ঘটে যাওয়া শুধু এই একটি হত্যাকাণ্ডই নয়Ñ গত চারদিনে পরপর চারটি খুনের ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লায়। সব মিলিয়ে গত এক মাসে জেলায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে মোট ৯টি। যার সর্বশেষটি ঘটেছে ২ জানুয়ারি রাতে নগরীর মোগলটুলি এলাকায়। মাদকের টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সংঘর্ষে খুন হন মাহবুব হোসেন মান্না নামে আরেক যুবক। পরপর ঘটে যাওয়া এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আতঙ্ক জন্ম দিয়েছে জনমনে। আর পুলিশ বলছে, তুচ্ছ কিংবা আধিপত্য বিস্তার যে কারণেই খুনের ঘটনা ঘটুক না কেনো-অভিযুক্তদের ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্যে জানা গেছে, ৩০ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকায় মাহফিলকে কেন্দ্র বসা দোকানে ইয়াসিনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে এক যুবকের হাত থেকে ছোলা বুট পড়ে যায়। এই নিয়ে বাগবিতণ্ডা থেকে ছুরিকাঘাত করলে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান ইয়াসিন (১৯)। তিনি সদর দক্ষিণ উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে।
এর পরদিন ৩১ ডিসেম্বর নগরীর হাউজিং এস্টেট এলাকায় ১০ তলা নির্মাণাধীন ভবন থেকে ওই ভভনের প্রহরী আবদুস সালামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর দুইদিন আগে থেকেই নিখোঁজ ছিলেন সালাম। তার ছেলে জাহিদ জানিয়েছেন, কয়েকদিন পূর্বে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে তার (সালামের) কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সেই সূত্র ধরেই খুন হতে পারেন তিনি।
চলতি বছরের প্রথম দিন (১ জানুয়ারি) ভোরে নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে নিউ ইয়ারের পার্টি থেকে ডেকে নিয়ে ফয়সাল ইসলাম হৃদয় (১৯) নামে এক তরুণকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়। নিহত হৃদয় দক্ষিণ চর্থা বড়পুকুর পাড় এলাকার বাবু মিয়ার ছেলে। বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থন নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানান নিহতের স্বজনরা। হত্যাকাণ্ডের একদিন পর সোমবার (২জানুয়ারি) সকালে নিহত হৃদয়ের বড় ভাই পারভেজ হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ে করেন। মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আর সর্বশেষ ২ জানুয়ারি রাতে কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলিতে মাদকের টাকা ভাগাভাগি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মাহাবুব হোসেন মান্না (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতের এ ঘটনার পর মঙ্গলবার ভোরে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা নেওয়ার পথে মান্নার মৃত্যু হয়। নিহত মান্না নগরীর গাংচর চৌধুরীপাড়া সড়কের আব্দুল কাদিরের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরান হোসেন বলেন, নিহত মান্না এবং আহতরা প্রত্যেকেই মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে গত ২ ডিসেম্বর রাতে চৌদ্দগ্রামে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় পাবেল (১৯) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী খুন হন। ৪ ডিসেম্বর কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কিল-ঘুষিতে জসিম উদ্দিন (৪৫) নামে এক পত্রিকা বিক্রেতা হকার নিহত হন।
৬ ডিসেম্বর কুমিল্লার তিতাসে মাছের প্রজেক্টের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে পুলিশের সামনে থেকে নিয়ে ঘরে ঢুকিয়ে কুপিয়ে জহিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবলীগ নেতাকে হত্যা করা হয়। জহিরুল ইসলাম উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে। ১০ ডিসেম্বর কুমিল্লার লালমাই উপজেলার কনকশ্রী গ্রামে প্রবাস ফেরত ছেলের শাবলের আঘাতে নুরজাহান বেগম (৫৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।
১৪ ডিসেম্বর রাতে জেলার বরুড়া উপজেলার ভাউকসার এলাকায় ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে। এ ঘটনায় আটক অভিযুক্ত জসিম (২০) শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
পরপর ঘটে যাওয়া এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) খন্দকার আশফাকুজ্জামান বলেন, গত কয়েকদিনে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডগুলো প্রায় একই কারণে হয়েছে। নিজেদের মধ্যে কথা কাটাকাটি কিংবা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব হত্যাকাণ্ডের কারণও প্রায় সুস্পস্ট। যে কারণেই খুনের ঘটনা ঘটুক না কেনো- অভিযুক্তদের ছাড় দেওয়া হবে না।
সর্ব শেষ নগরীর মোগলটুলিতে মান্না হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, মান্না খুন হওয়ার পর বিষয়টি আমরা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে তার দ্বন্দ্ব ছিলো। এ খুনোখুনির ঘটনায় যারা হতাহত হয়েছেন এবং হামলা করেছেন তাদের সবার বিরুদ্ধেই নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। আমরা সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। খুব শিগ্রই এ বিষয়ে আমরা ভালো ফলাফল দিতে পারবো।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×