সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

ইউএনও’র আন্তরিকতায় সর্ষেক্ষেতে ভূমিষ্ট “জয়িতা” পেলো মা বাবা আর নিঃসন্তান দম্পত্তি পেলো সন্তান!

মাহফুজ বাবু : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৩, ২:১৬ পিএম
ইউএনও’র আন্তরিকতায় সর্ষেক্ষেতে ভূমিষ্ট “জয়িতা” পেলো মা বাবা আর নিঃসন্তান দম্পত্তি পেলো সন্তান!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)’র আন্তরিকতায় সর্ষেক্ষেতে জন্ম নেয়া পরিচয়হীন এক নবজাতক পেল পিতা মাতা আর নিঃসন্তান দম্পত্তি পেলো তাদের সন্তান।

ঘটনার শুরু গত ১৬ জানুয়ারী সোমবার দুপুরে, ভবঘুরে মানসিক ভারসাম্যহীন বিবস্ত্র এক নারী প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছিলেন। ঘুরতে ঘুরতে সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিস সংলগ্ন জনৈক ব্যক্তির সর্ষে ক্ষেতের পাশে শুয়ে পড়েন। এর আগে কখনোই তাকে এলাকায় কেউ দেখেনি বলেই জানায় স্থানীয়রা। স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে, আশেপাশের কয়েকজন নারী কে ডেকে আনেন। পরে সরিষা’র সেই জমিতেই স্বাভাবিক প্রসবে অভিজ্ঞ স্থানীয় নারীর সহায়তায় পৃথিবীর আলো দেখে ফুটফুটে এক নবজাতক। সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরও মানুষিক ভারসম্যহীন মায়ের পেট ফুলে থাকায় পেটে টিউমার বা আরো সন্তান রয়েছে সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে গাফেলতির কারনে সেদিনই হাসপাতাল থেকে অজানা কোন গন্তব্যে হারিয়ে যায় মানুষিক ভারসাম্যহীন ঐ মা।

এদিকে সদ্য ভূমিষ্ট নবজাতকের দায়িত্ব নিতে গলিয়ারা এলাকায় শুরু হয় লড়াই। যার জমিতে শিশুটি ভূমিষ্ট হয় তিনি দাবী করেন নবজাতকের প্রকৃত হকদার তিনি, কেননা সন্তান ভূমিষ্ট হয়েছে তার জমিতে। অপর দিকে স্থানীয়দের একজন যিনি প্রসবের সময় সরঞ্জাম সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ও চিকিৎসা সহায়তা করেন, তিনিও দাবি করেন নবজাতকে। প্রসবে সহায়তাকারী নারীদের অনেকেই দাবি তোলেন নবজাতকে নিজের করে পেতে। শুরু হয় দ্বন্দ্বের। এক পর্যায়ে নবজাতকে নিতে শুরু হয় দরকষাকষির। ৫০ হাজার থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকা দিয়েও নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন অনেকে। এখবর ছড়িয়ে পরে এক কান দু’কান করে গোটা উপজেলায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ভুমি অফিস সূত্রে বিষয়টি জানতে পারেন সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুভাশিষ ঘোষ।

তাৎক্ষণিক ভাবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কে অবহিত করে নবজাতক ও তার মায়ের খোঁজ খবর নেয়ার জন্য বলেন। মিটিং শেষ করে মেডিকেল টিম, এম্বুলেন্স ও উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সদস্যদের নিয়ে হাজির হন ঘটনাস্থল ও নবজাতকের কাছে। বেওয়ারিশ নবজাতকের দায়িত্ব নিতে ততক্ষণে হাজির হয়েছে আরো অনেকে। সকলের মাঝে এক নিঃসন্তান ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পোশাক বেডিং সহ নবজাতকের জন্য যা যা প্রয়োজন এখানে আসার আগেই সব সাথে করে নিয়েও আসেন। ডাক্তারের পরামর্শে হাসপাতালে নেয়ার উদ্দেশ্যে এম্বুলেন্সে নবজাতকে তোলার সময় ইউএনও ও ওসির সামনেই কান্না জুড়ে দেন সেই দম্পত্তি। তারা যে কোন মূল্য শিশুটির বাবা মায়ের দায়িত্ব নিতে চান। সেই দম্পত্তি কে এবিষয়ে বিধি নিষেধ ও নিয়মের কথা জানান। তবে সেই দম্পতিও নাছোড়। অবশেষে নবজাতকের সঙ্গে তারাদেরকে নিয়ে আসেন হাসপাতালে। সেখানে ইউএনও পরিচয়হীন কন্যা নবজাতকটির নামও রাখেন ❝জয়ীতা❞।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুভাশিস ঘোষ জানান, হাসপাতালে গত দুদিন ধরে নবজাতকের দেখাশোনা ও খাবার দাবার সহ সকল বিষয়ে পরম যত্নের সাথেই নিজ সন্তানের মত দায়িত্ব পালন করেন সেই ব্যবসায়ী দম্পত্তি। এদিকে আশেপাশের এলাকা সহ হাসপাতালে খোঁজ নিয়েও নবজাতকের মায়ের কোন সন্ধান মিলছিলো না। অতঃপর মানবিক বিবেচনায় শিশুটির প্রতি হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা, তাদের অনুনয় বিনয়, অভিভাবক সুলভ দায়িত্ব পালন ও প্রচন্ড আগ্রহ দেখে নিঃসন্তান দম্পত্তি কেই ❝জয়িতা❞র দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে, সকল নিয়ম কানুন, প্রতি ৩মাস পর পর ১৮বছর পর্যন্ত উপজেলায় হাজির হওয়ার মত নানা শর্ত মেনে স্টাম্প পেপারে স্বাক্ষর করে ‘জয়িতা’র দায়িত্ব নেয় তারা। অজ্ঞাত ভারসম্যহীন মা’এর পরিচয় বা ঠিকানা জানা যায়নি। তার স্পষ্ট বা ভালো কোন ছবিও সংগ্রহ করা যায়নি। অস্পষ্ট যে ছবি পাওয়া গেছে তা থানায় দেয়া হয়েছে
জয়িতা’র ভবিষ্যৎ চিন্তা করে দম্পতির পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ করেন তিনি ।
এদিকে পরিচয়হীন নবজাতকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুভাশিস ঘোষের এমন মানবিক ও দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে, অনেকেই প্রশংসা করছেন তার।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×