শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

নিহত ছাড়িয়েছে ২৬১৯, ধ্বংসস্তূপে লাশের পর লাশ, কাঁদার লোকও নেই অনেক পরিবারে মৃত্যুপুরী তুরস্ক, সিরিয়া

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১১:৫৯ পিএম
নিহত ছাড়িয়েছে ২৬১৯, ধ্বংসস্তূপে লাশের পর লাশ, কাঁদার লোকও নেই অনেক পরিবারে মৃত্যুপুরী তুরস্ক, সিরিয়া
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

তুরস্ক ও সিরিয়া মৃত্যুপুরী। বেরিয়ে আসছে লাশের পর লাশ। অনেক পরিবারের সবাই নিহত হয়েছেন। ফলে এসব নিহতের জন্য কাঁদার মানুষ পর্যন্ত নেই। ভয়াবহ ভূমিকম্প দুই দেশে কেড়ে নিয়েছে কমপক্ষে ২৬১৯ জন মানুষকে। এর মধ্যে তুরস্কে কমপক্ষে ১৬৫১ জন মারা গেছেন। সিরিয়ায় এ সংখ্যা ৯৬৮ । ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন অসংখ্য মানুষ। তাদের কী অবস্থা তা অনিশ্চিত। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসছিল মৃতদেহ।

ফলে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে মৃতের সংখ্যা। এ সংখ্যা কোথায় গিয়ে থামে তা অজানা। তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্তৃপক্ষ আফাদ বলেছে, কমপক্ষে ২৮৩৪টি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের পরে ১২০টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার ভোরবেলা। তখন ঘড়িতে সময় প্রায় ৪টা। বেশির ভাগ মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ঠিক সে সময় মুহূর্তের মধ্যে কেঁপে ওঠে তুরস্ক ও সিরিয়ার বেশির ভাগ এলাকা। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৭.৮। বহুতল ভবন ধসে পড়ে ঘুমন্ত মানুষের উপর। মোমের মতো ধসে পড়েছে একাধিক ভবন। সঙ্গে সঙ্গে লাশ। লাশ আর লাশ। চারদিকে শুধু লাশ। এত লাশের ভার নিয়ে দেশ দু’টির আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। যারা বেঁচে আছেন, হতাশায় তাদের চোখ-মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। বুঝে উঠতে পারছেন না যে, এখনো বেঁচে আছেন। এর রেশ কাটতে না কাটতেই স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৪ মিনিটের দিকে ৭.৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে তুরস্কে। এএফএপি ইমার্জেন্সি কর্তৃপক্ষ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজি সার্ভিস এই ভূমিকম্পের বিষয়ে রিপোর্ট করেছে।
অগভীর এই ভূমিকম্প দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বের শহর একিনোজুতে আঘাত হানে। এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। দক্ষিণ তুরস্কের গাজিয়ানতেপ প্রদেশের পূর্বদিকে নূরদাগি শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার পূর্বে ভূগর্ভের প্রায় ১৮ কিলোমিটার গভীরে প্রথম ভূ-কম্পনের উৎস। এর ১১ থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে সিরিয়া, সাইপ্রাস ও লেবাননের কিছু অংশ। ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে ইরাকেও। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তুরস্কের গাজিয়ানতেপে। ওদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৯। ভূম্পিকম্পটি রাজধানী আঙ্কারা এবং তুরস্কের অন্যান্য শহরেও অনুভূত হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট পুরো অঞ্চলজুড়েই কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকমেপর কারণে সীমান্তের দুই পাশেই শত শত ভবন ভেঙে পড়েছে। নিহতের সংখ্যা দ্রুত আরও বাড়তে পারে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার বিস্তৃত এলাকা মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। কম্পন অনুভূত হয়েছে মিশর, নেবানন, সাইপ্রাস থেকেও। ওদিকে সুনামি সতর্কতা জারি করেছে ইতালি। ভূমিকমেপর পর তুরস্ক আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছে। এরপর ত্রাণ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, ইমানুয়েল ম্যাক্রনসহ বিশ্ব নেতারা। সহমর্মিতা জানিয়ে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে বার্তা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানকেও তিনি একই ধরনের ভিন্ন আরেকটি বার্তা পাঠিয়েছেন।

পাশাপাশি পুতিন আশ্বাস দেন, এই বিপর্যয়কর মুহূর্তে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার জন্য রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়া সঙ্গে সঙ্গেই দুটি আইএল-৭৬ বিমানকে সিরিয়ায় পাঠিয়েছে মস্কো। এগুলো উদ্ধারকার্যে সিরিয়ার বাহিনীকে সাহায্য করবে। সিরিয়ায় শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত রুশ সেনারা এরইমধ্যে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকমেপ সিরিয়ায় থাকা তাদের সামরিক ঘাঁটির কোনো ক্ষতি হয়নি। সিরিয়ায় ১৯৯৫ সালে জাতীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র তৈরি হওয়ার পর এটিই সে দেশে আঘাত করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প বলে জানিয়েছেন ঐ কেন্দ্রের প্রধান রায়েদ আহমেদ। ভূমিকমপ আঘাত হানা অঞ্চলে জরুরি উদ্ধারকার্য পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। সোমবার সকালেই তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। সিরিয়ার সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হচ্ছে আলেপ্পো, হামা এবং লাটাকিয়া প্রদেশ। উদ্ধার অভিযান ও মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সিভিল ডিফেন্স, দমকল, স্বাস্থ্য, পাবলিক কনস্ট্রাকশন কোমপানি এবং তাদের শাখাগুলোকে নিয়োজিত করেছে সিরিয়া সরকার। দেশের সকল প্রদেশ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যথাসম্ভব পরিবহন সরবরাহ করতে। সারা দেশ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা গৃহহীন হয়েছেন তাদেরকে দ্রুততার সঙ্গে আশ্রয় এবং খাদ্য নিশ্চিত করা হচ্ছে। তুরস্কে সব থেকে বেশি প্রাণহানি হয়েছে মালাতিয়া প্রদেশে।

এ ছাড়া দিয়ারবাকির এবং ওসমানিয়ে প্রদেশেও বহু হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় ভবন ধসে পড়েছে। লেবানন ও সাইপ্রাসেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন তুরস্ক ও সিরিয়ার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সহায়তা করতে ইতিমধ্যে ইইউ’র দল রওনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিবৃতিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কমিশনার জোসেপ বোরেল এবং জ্যানেজ লেনারসিস বলেছেন, তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ে সহায়তার জন্য রোমানিয়া, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, গ্রিস, ফ্রান্স, চেচনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং বুলগেরিয়ার ১০টি আরবান সার্স অ্যান্ড রেসক্যু টিম পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার টিম পাঠাতে চেয়েছে ইতালি, হাঙ্গেরি, ইসরাইল, কাতার ও ইউক্রেন। ভেঙে পড়া বাড়িগুলোর নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে আছে। তুরস্কে একটি শপিংমল ধসে পড়েছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেই দীর্ঘ সময় ধরে কম্প
ওদ ৭ন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটি আঘাত হানার কয়েক মিনিট পরেই দ্বিতীয় আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়। উল্লেখ্য, তুরস্ক পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলোর একটিতে অবস্থিত। এর আগে ১৯৯৯ সালে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।

মনোহরগঞ্জে দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও যামানা টিভির আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মনোহরগঞ্জে দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও যামানা টিভির আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে উদ্বোধন করা হয়েছে যামানা টিভি (আইপি টিভি) ও দৈনিক কুমিল্লার ডাক পত্রিকার আঞ্চলিক অফিস। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সদরের গাউসিয়া মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এই অফিস উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক জিএম আহসান উল্লাহ, জামায়াত নেতা মাওলানা আবদুল হাই, হেফাজত ইসলামের যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নিজাম উদ্দিন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউপি’র সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের পক্ষে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময়

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউপি’র সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের পক্ষে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময়

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আসন্ন ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, মানবিক প্রবাসী খ্যাত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের কৃতিসন্তান, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রাথী মো. জসিম উদ্দিন এর পক্ষে ইউনিয়নবাসীর সাথে বিশেষ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ‘হোটেল খাদিজা ইন’ এর হলরুমে এ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো. কামাল হোসেন মিয়াজীর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. জয়নাল আবেদীন, সাবেক ইউপি সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. বাবুল মিয়া, মো. নাছির আহমেদ, ইকবাল হোসেন হাজারী, মো. মোস্তফা, মো. জাকির হোসেন।

বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. শামসুল হক, মোসলেম মিয়া, মো. সালাহ উদ্দিন, এছাক মিয়াম আব্দুল বারী, মো. জুয়েল, মো. মহিন উদ্দিন, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. হৃদয় হাজারী, মো. সোহরাব হোসেন স্বচ্ছ, সফিউল রানা, মো. সবুজ, ইয়াছিন সবুজ, আরমান হোসেন, মো. বেলাল হোসেন, শরীফ উদ্দিন, মো. রায়হান, মো. শামীম সহ ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের নেতৃস্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, কালিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন দুবাই এর একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত প্রবাসী জসিম উদ্দিন ইউনিয়নের অসহায়-দুস্থ মানুষদের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজ করে আসছেন। তার প্রতিটি কার্যক্রমই সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। ইতিমধ্যে তিনি নিজ উদ্যোগে ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের রাস্তাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি সবসময় অসহায় মানুষদের সাহায্য-সহযোগিতা করা, মাহে রমজান, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে অসহায়দেরদের মাঝে উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ, গরীব শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ-শিক্ষা সংক্রান্ত খরচাধি প্রদান, কন্যা দায়গ্রস্ত পিতাকে কন্যা পাত্রস্থ করতে সাহায্য সহযোগিতা করা, গরীব ও অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন শুনে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামেই আনন্দের জোয়ার বইছে। তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করবেন বলেই সকলে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। এ সময় তারা সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের সুস্থতার সাথে দীর্ঘায়ু কামনা করে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে তার জন্য ইউনিয়নবাসীর নিকট দোয়া ও সহযোগিতা প্রার্থনা করেন।

থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ, জুমার পরই জাকিরের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ, জুমার পরই জাকিরের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার সাহেবনগর গ্রামে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তির ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগী জাকির হোসেনের দায়ের করা লিখিত অভিযোগে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, মারধর, ভয়ভীতি ও হুমকির অভিযোগ এনে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দায়েন করেন।

 

অভিযোগে আব্দুল্লাহ, আজাদ, সোহাগ, লিটন, আব্দুল খালেক, আব্দুল কালাম, ফরহাদ আহমেদ ও নাজমুল হাসান বক্কিসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের খবর পেয়ে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এর জের ধরে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে অভিযোগে নাম থাকা ব্যক্তিদের কয়েকজনসহ আরও কয়েকজন জাকির হোসেনের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

 

জাকির হোসেনের পরিবারের অভিযোগ, চাঁদা দাবি ও হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে হামলা চালিয়েছে।

 

পরিবারটি হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জাকির হোসেন ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

×