শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

নিহত ছাড়িয়েছে ২৬১৯, ধ্বংসস্তূপে লাশের পর লাশ, কাঁদার লোকও নেই অনেক পরিবারে মৃত্যুপুরী তুরস্ক, সিরিয়া

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১১:৫৯ পিএম
নিহত ছাড়িয়েছে ২৬১৯, ধ্বংসস্তূপে লাশের পর লাশ, কাঁদার লোকও নেই অনেক পরিবারে মৃত্যুপুরী তুরস্ক, সিরিয়া
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

তুরস্ক ও সিরিয়া মৃত্যুপুরী। বেরিয়ে আসছে লাশের পর লাশ। অনেক পরিবারের সবাই নিহত হয়েছেন। ফলে এসব নিহতের জন্য কাঁদার মানুষ পর্যন্ত নেই। ভয়াবহ ভূমিকম্প দুই দেশে কেড়ে নিয়েছে কমপক্ষে ২৬১৯ জন মানুষকে। এর মধ্যে তুরস্কে কমপক্ষে ১৬৫১ জন মারা গেছেন। সিরিয়ায় এ সংখ্যা ৯৬৮ । ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন অসংখ্য মানুষ। তাদের কী অবস্থা তা অনিশ্চিত। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসছিল মৃতদেহ।

ফলে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে মৃতের সংখ্যা। এ সংখ্যা কোথায় গিয়ে থামে তা অজানা। তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্তৃপক্ষ আফাদ বলেছে, কমপক্ষে ২৮৩৪টি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের পরে ১২০টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার ভোরবেলা। তখন ঘড়িতে সময় প্রায় ৪টা। বেশির ভাগ মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ঠিক সে সময় মুহূর্তের মধ্যে কেঁপে ওঠে তুরস্ক ও সিরিয়ার বেশির ভাগ এলাকা। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৭.৮। বহুতল ভবন ধসে পড়ে ঘুমন্ত মানুষের উপর। মোমের মতো ধসে পড়েছে একাধিক ভবন। সঙ্গে সঙ্গে লাশ। লাশ আর লাশ। চারদিকে শুধু লাশ। এত লাশের ভার নিয়ে দেশ দু’টির আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। যারা বেঁচে আছেন, হতাশায় তাদের চোখ-মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। বুঝে উঠতে পারছেন না যে, এখনো বেঁচে আছেন। এর রেশ কাটতে না কাটতেই স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৪ মিনিটের দিকে ৭.৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে তুরস্কে। এএফএপি ইমার্জেন্সি কর্তৃপক্ষ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজি সার্ভিস এই ভূমিকম্পের বিষয়ে রিপোর্ট করেছে।
অগভীর এই ভূমিকম্প দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বের শহর একিনোজুতে আঘাত হানে। এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। দক্ষিণ তুরস্কের গাজিয়ানতেপ প্রদেশের পূর্বদিকে নূরদাগি শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার পূর্বে ভূগর্ভের প্রায় ১৮ কিলোমিটার গভীরে প্রথম ভূ-কম্পনের উৎস। এর ১১ থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে সিরিয়া, সাইপ্রাস ও লেবাননের কিছু অংশ। ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে ইরাকেও। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তুরস্কের গাজিয়ানতেপে। ওদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে বলা হয়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৯। ভূম্পিকম্পটি রাজধানী আঙ্কারা এবং তুরস্কের অন্যান্য শহরেও অনুভূত হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট পুরো অঞ্চলজুড়েই কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকমেপর কারণে সীমান্তের দুই পাশেই শত শত ভবন ভেঙে পড়েছে। নিহতের সংখ্যা দ্রুত আরও বাড়তে পারে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার বিস্তৃত এলাকা মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। কম্পন অনুভূত হয়েছে মিশর, নেবানন, সাইপ্রাস থেকেও। ওদিকে সুনামি সতর্কতা জারি করেছে ইতালি। ভূমিকমেপর পর তুরস্ক আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছে। এরপর ত্রাণ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, ইমানুয়েল ম্যাক্রনসহ বিশ্ব নেতারা। সহমর্মিতা জানিয়ে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে বার্তা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানকেও তিনি একই ধরনের ভিন্ন আরেকটি বার্তা পাঠিয়েছেন।

পাশাপাশি পুতিন আশ্বাস দেন, এই বিপর্যয়কর মুহূর্তে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার জন্য রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়া সঙ্গে সঙ্গেই দুটি আইএল-৭৬ বিমানকে সিরিয়ায় পাঠিয়েছে মস্কো। এগুলো উদ্ধারকার্যে সিরিয়ার বাহিনীকে সাহায্য করবে। সিরিয়ায় শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত রুশ সেনারা এরইমধ্যে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকমেপ সিরিয়ায় থাকা তাদের সামরিক ঘাঁটির কোনো ক্ষতি হয়নি। সিরিয়ায় ১৯৯৫ সালে জাতীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র তৈরি হওয়ার পর এটিই সে দেশে আঘাত করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প বলে জানিয়েছেন ঐ কেন্দ্রের প্রধান রায়েদ আহমেদ। ভূমিকমপ আঘাত হানা অঞ্চলে জরুরি উদ্ধারকার্য পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। সোমবার সকালেই তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। সিরিয়ার সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হচ্ছে আলেপ্পো, হামা এবং লাটাকিয়া প্রদেশ। উদ্ধার অভিযান ও মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সিভিল ডিফেন্স, দমকল, স্বাস্থ্য, পাবলিক কনস্ট্রাকশন কোমপানি এবং তাদের শাখাগুলোকে নিয়োজিত করেছে সিরিয়া সরকার। দেশের সকল প্রদেশ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যথাসম্ভব পরিবহন সরবরাহ করতে। সারা দেশ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা গৃহহীন হয়েছেন তাদেরকে দ্রুততার সঙ্গে আশ্রয় এবং খাদ্য নিশ্চিত করা হচ্ছে। তুরস্কে সব থেকে বেশি প্রাণহানি হয়েছে মালাতিয়া প্রদেশে।

এ ছাড়া দিয়ারবাকির এবং ওসমানিয়ে প্রদেশেও বহু হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় ভবন ধসে পড়েছে। লেবানন ও সাইপ্রাসেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন তুরস্ক ও সিরিয়ার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সহায়তা করতে ইতিমধ্যে ইইউ’র দল রওনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিবৃতিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কমিশনার জোসেপ বোরেল এবং জ্যানেজ লেনারসিস বলেছেন, তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ে সহায়তার জন্য রোমানিয়া, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, গ্রিস, ফ্রান্স, চেচনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং বুলগেরিয়ার ১০টি আরবান সার্স অ্যান্ড রেসক্যু টিম পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার টিম পাঠাতে চেয়েছে ইতালি, হাঙ্গেরি, ইসরাইল, কাতার ও ইউক্রেন। ভেঙে পড়া বাড়িগুলোর নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে আছে। তুরস্কে একটি শপিংমল ধসে পড়েছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেই দীর্ঘ সময় ধরে কম্প
ওদ ৭ন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটি আঘাত হানার কয়েক মিনিট পরেই দ্বিতীয় আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়। উল্লেখ্য, তুরস্ক পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলোর একটিতে অবস্থিত। এর আগে ১৯৯৯ সালে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।

নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

Oplus_131072

বরিশালের বাকেরগঞ্জে বিয়ের মাত্র ১৬-১৭ দিনের মাথায় ১৭ বছর বয়সী এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর সৎভাই ও এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চাইতে থানায় গিয়ে মামলা না নেওয়া এবং উল্টো ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর রাতে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন মো. ইমরান প্যাদা (৩৮) ও রাকিব প্যাদা (২৬)। ইমরান ভুক্তভোগীর স্বামীর সৎভাই এবং রাকিব তার চাচাশ্বশুর।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে ইমরান তাকে বাজারে নিয়ে যান। রাতে বাড়ি ফেরার পথে ইমরান ও রাকিব তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী। পরে লিগ্যাল এইড অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় যান তিনি।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, থানায় ওসি আদিল হোসেনের কাছে গেলে তিনি মামলা না নিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখান। ধর্ষণের কোনো প্রমাণ নেই এবং গোসল করায় আলামত নষ্ট হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন ওসি। এমনকি অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে ভুক্তভোগীকেই সাত বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে বলেও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এ সময় অভিযুক্ত ইমরানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে উপহাস করা হয় বলেও দাবি তার।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি আদিল হোসেন। তার ভাষ্য, দু-এক দিন আগে ওই নারী স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তাদের কাছে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে কিছুক্ষণ পর জানাবেন বলে তারা থানা থেকে চলে যান।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমরান ও রাকিব পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বক্তব্য জানতে বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীর স্বামী জীবন প্যাদা, শ্বশুর সুলতান প্যাদা ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগম অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাসুদ হাসান বলেন, বিচার চাইতে থানায় যাওয়া একজন নারী যদি সুরক্ষার বদলে ভয়ভীতির শিকার হন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা না নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওসি মামলা না নিয়ে থাকলে কিংবা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে কুমিল্লার হোমনা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া তাহেরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় আজান ও কুরআন তিলাওয়াত বিভাগে অংশ নিয়ে তিন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১টায় কুমিল্লা জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় আজান ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে মো. জাহিদ হাসান। কুরআন তিলাওয়াত ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ‘ক’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মো. আতাউল্লাহ বুখারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ এবং নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপপরিচালক আশেকুর রহমান।

মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন আত তাহেরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করে। তাদের এ অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি হাজী মুহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের ইসলামী শিক্ষা, কুরআন তিলাওয়াত ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি দমন এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এসব বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, দাউদকান্দি মডেল থানার প্রতিনিধি, দাউদকান্দি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বায়জিদ আহমেদ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ কে শামসুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

×