সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কোথায় গেন্ডারিয়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী শিপন ও সহযোগী আলমগীর?

বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৪:৪৫ পিএম
কোথায় গেন্ডারিয়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী শিপন ও সহযোগী আলমগীর?
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

গেন্ডারিয়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী আশরাফ উদ্দিন শিপন ওরফে লম্বু ওরফে কিলার শিপন (মোবাইল: ০১৯৮৪৭২১১৯৫, ০১৯০২৩৫২৫০৫), পিতা-মৃত লাল মিয়া মেম্বার, সাং-৪৫/১ কে.বি. রোড, থানা-গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১২০৪। (শিপনের সম্ভাব্য অবস্থানের ঠিকানা: হাসনাবাদ, বসুন্ধরা রিভারভিউ যাওয়ার পথে মাদার ড্রিম কিন্ডাগার্টেন স্কুল গলি)। যার নামে রয়েছে হত্যা, চাঁদাবাজি, চোরাচালান, মাদক ব্যাবসা, ধর্মীয় উস্কানি, বিশেষ ক্ষমতা আইনে অস্ত্র, বিস্ফোরক মামলাসহ রাজধানীর বংশাল, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, শ্যামপুর, কদমতলী থানায় প্রায় অর্ধশত মামলা ও জিডি রয়েছে।
পুরাতন ঢাকার মানুষের কাছে এক মূর্তমান আতংকের নাম ভয়ংকর সন্ত্রাসী শিপন। শিপন বাহিনীর অন্যতম সহযোগী দূর্ধর্ষ আলমগীর হোসেন, পিতা-মন্তাজ উদ্দিন, সাং-৪৫/১, কে.বি. রোড থানা-গেন্ডারিয়া, মোবাইলঃ ০১৯২০২৭২২৬০, সন্ত্রাসী শিপনের ডানহাত নামে খ্যাত ফয়সাল। (ফয়সালের ঠিকানা: ঢালকানগর নেসারিয়া মাদ্রাসা ও ছাপড়া মসজিদ গলি। তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাজধানী জুড়ে ১০০ টির ও বেশি কিশোর গ্যাং। শিপনের অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী আলমগীর লোক দেখানো দোকানের কর্মচারীর তকমা লাগালেও, তার মূল কাজ শিপনের অবৈধ টাকা আদান প্রদান করা। তাইতো পলাতক শিপনের বাসায় প্রবেশাধিকার যে একমাত্র আলমগীরের।
গত ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে শিপনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ভীত সন্তস্ত্র সাধারণ জনগণ। নতুন বাড়ি নির্মাণ করলেই চাঁদা দিতে হয়ে শিপনকে। জেলে থাকা ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর অন্যতম সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল, বিএনপি ছাত্রদল নেতা ইসহাক সরকার এর নির্দেশে সকল অপকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে শিপন। যা জেলে বসে মুঠোফোনে নির্দেশ দেয়া হয়ে শিপনকে। রাজধানীর পাঁচটি থানায় যার নামে রয়েছে অসংখ্য মামলা ও অপরাধের রেকর্ড। টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ব্যবসা, মাদক ব্যবসায় বেপরোয়া শিপন ও আলমগীর বর্তমানে সরাসরি বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত। ছিলেন গেন্ডারিয়া থানা যুবদলের সহ-সভাপতি। বর্তমানে আলমগীর কেবি রোডে ইউনিটের সভাপতি, আর শিপন ৪৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি। গেন্ডারিয়া থানা বিএনপির প্রতিটি প্রোগ্রামে তাদের সতস্ফূর্ত দেখা যায়।
জানা যায় সরকারবিরোধী জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনে শিপন ও তার বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। এমনকি আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায়ও বিএনপি দলীয় ক্যাডার শিপনের হাত থেকে রেহাই পায়নি সরকার দলীয় ৪৬নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম দিলা ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুর রহমান শরীফ। শিপনের বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য হত্যার অভিযোগ ও মামলা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ৪৬নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক দিন ইসলাম দিলা হত্যা, রুনু হত্যা, রাজিব হত্যা, সিদ্দিক হত্যাসহ একাধিক চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদক, ১৩ বস্তা ফেন্সিডিল মামলা, চোরাচালান, ছিনতাই, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে অর্ধশত মামলা। সরকার যখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখিয়ে চলছে, সেখানে কার মদদে কুখ্যাত সন্ত্রাস কিলার শিপন তার অপকর্ম (মাদক ব্যবসা, অস্ত্র ব্যাবসা, চাঁদাবাজি, সরকারবিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এমন প্রশ্ন থেকেই যায়।

অভিযোগ উঠে শিপনের বর্তমান টার্গেট সিনিয়র সাংবাদিক ও “বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমি” ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আল বারু মুস্তাকিম নিবিড় কে হত্যা করা। সাংবাদিক মুস্তাকিম নিবিড় সস্পর্কে তার সৎ ভাতিজা, চাচার অপকর্মের প্রতিবাদ করা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধাড়ন করে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে সাংবাদিক মুস্তাকিম নিবিড়। তাই তো গত্রে দাহ্ শিপন ও তার সাঙ্গোপাঙ্গদের। জীবন রক্ষার্থে এ সন্ত্রাসী গংয়ের বিরুদ্ধে থানায় বিভিন্ন সময়ে দুটি জিডি করা আছে সাংবাদিক মুস্তাকিম নিবিড়ের।

এলাকায় বিএনপি রাজত্ব কায়েম করতে প্রায়ই নানা অপতৎপরতা চালায় শিপন। হিন্দুদের লীজ নেয়া জমিতে মসজিদ নির্মাণ করিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে আওয়ামী সরকার উৎখাতের প্রয়াসও চালিয়েছে সন্ত্রাসী শিপন। স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শরিফুর রহমান শরিফকে ৬ রাউন্ড গুলি করে হত্যার চেষ্টা ও বংশাল থানা এলাকায় সিদ্দিক হত্যা মামলার হুলিয়া নিয়ে ২০১৩ সনে একাধিক অস্ত্রসহ ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি’র কাছে আটক হয় শিপন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কিছুদিন পর ফের জামিনে বেরিয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে পড়ে শিপন। ২০১৮ সালে ছিনতাই করতে গিয়ে শ্যামপুর থানা পুলিশের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়েও জামিনে বেরিয়ে যায় শিপন গেন্ডারিয়াসহ আশপাশের এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। ক্রসফায়ারে নিহত এক সময়ের কুখ্যাত সন্ত্রাস ডাকাত শহিদ ও ফিরোজ আলম পিন্টুর অন্যতম সহযোগী আশরাফ উদ্দিন শিপন। বর্তমানে কেরানীগঞ্জ হাসনাবাদ এলাকায় বসবাস করেও সন্ত্রাস বাহিনীর মাধ্যমে পুরান ঢাকায় চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি নামধারী সন্ত্রাসী কিলার শিপন। করছে সরকারবিরোধী নানান নীলনকশা। দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় হরহামেশাই দেখা যায় কিলার শিপনের নানান অপরাধের ফিরিস্তি। প্রশাসনের সন্ত্রাসীদের তালিকায় রেড এলার্টে রয়েছে যার নাম। ইন্টারপোলের রেড নোটিশপ্রাপ্ত ও সরকারের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী কচির সহযোগী আশরাফ উদ্দিন ওরফে শিপনকে গত ২০ এপ্রিল ২০১৮ ইং তারিখ শুক্রবার রাতে শ্যামপুরের আইজি গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে শ্যামপুর থানা পুলিশ। এ সময় কচির দুই সহযোগী ইমন এবং ইরফান পালিয়ে যায়। শিপনের বিরুদ্ধে শ্যামপুর থানায় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ (সংশোধনী/০৯) আইনে মামলা করা হয়। এছাড়াও শিপনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালে গেন্ডারিয়া থানায় খুনের মামলা, ২০১২ সালে চাঁদাবাজির মামলা, ২০১৩ সালে কদমতলী থানায় অস্ত্র আইনে ও ২০১৮ সালে গেন্ডারিয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতার শিপনের নামে শ্যামপুর, গেন্ডারিয়া এবং কদমতলী থানায় হত্যা, অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির পাঁচটি মামলা রয়েছে। এমন আরও অনেক ঘটনাই পুলিশের নথিভুক্ত হয় না। দেশের বাইরে পলাতক বা কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অনুপস্থিতির সুযোগে তাদের সহযোগী হিসেবে কিংবা নিজেরাই দল গঠন করে রাজধানী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শিপনরা। এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাসী কার্যক্রম, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে দেদারছে। এছাড়াও বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত এই শিপন। সন্ত্রাসী শিপনের নির্দেশেই বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী সরকারকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় নাশকতার সৃষ্টি করা হয়। সম্প্রতি রাজধানীতে কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা সরাসরি নির্দেশদাতা এই শিপন। যা তার মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিংসহ অধিকতর তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। শতাধিক মামলা ও সাধারণ ডায়েরি থাকার পরেও এখনও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে কুখ্যাত সন্ত্রাসী শিপন। ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ এর একটাই আকাঙ্খা কবে শাস্তির মুখোমুখি হবে এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী কিলার শিপন ও তার সহযোগীরা।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×