সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নামই তার ‘ডাক্তার’ সনদ ছাড়াই বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক পরিচয়ে দুই যুগ পার!

রণবীর ঘোষ কিংকর : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০২৩, ১২:৩০ পিএম
নামই তার ‘ডাক্তার’ সনদ ছাড়াই বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক পরিচয়ে দুই যুগ পার!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সনদ ছাড়াই বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক পরিচয়ে দুই যুগ পার!‘ডাক্তার’ জোহরা আক্তার। রোগীদের গাইনি বিভাগের চিকিৎসা দিয়ে বেশ খ্যাতি ছড়িয়েছেন কুমিল্লার চান্দিনা ও দেবীদ্বার উপজেলাসহ আশ-পাশের কয়েকটি উপজেলায়। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি অন্তত শতাধিক রোগী দেখেন তিনি। অন্যান্য ডাক্তাদের তুলনায় ভিজিট কম হওয়ায় রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে বেশ।

প্রসূতি মায়ের চিকিৎসার পাশাপাশি নারীদের সকল সমস্যায় রোগী ভিজিট, আল্টাসনোগ্রাফী, সন্তান প্রসব করিয়ে রীতিমতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দাবী করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন জোহরা আক্তার। এছাড়া অনাকাঙ্খিত অনাগত সন্তান পরোচিত গর্ভপাত করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে ইতিমধ্যে কোটিপতি বনে গেছেন সনদহীন ওই চিকিৎসক।

সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা-বাগুর বাস স্টেশন সংলগ্ন ‘মা-মনি মেডিকেল সেন্টার’-এ গিয়ে দেখা যায় অনেক নারী রোগীর ভীড়। তারা কার কাছে এসেছেন জানতে চাইলে তারা জানান, ‘আমরা জোহরা ডাক্তারের কাছে এসেছি’। দেখা যায়, ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিচ তলার একটি কক্ষে রোগী দেখছেন জোহরা আক্তার। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর স্বাক্ষাৎ হয় তার সাথে। তিনি কোন মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করেছেন এমন প্রশ্নে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

‘ডাক্তার’ হিসেবে তার নেই এমবিবিএস পাশের সনদ। ঘুরিয়ে প্যাঁচিয়ে জানতে চাইলে তিনি দেখান কুমিল্লা মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ড ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের একটি সনদপত্র। ওই সনদেও নেই রেজিস্ট্রেশন নম্বর! তারপরও তিনি ‘ডাক্তার’ লিখেন কিভাবে? এমন প্রশ্নে তিনি সোজা-সাফটা উত্তর দেন, ‘আমার নামই ডাক্তার’! ডাক্তার আবার নাম হয় কিভাবে? এমন প্রশ্নে তিনি বের করে আনেন নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র স্মার্ট কার্ড। সেখানে লিখা আছে ‘ডা. জোহরা আক্তার’! সনদ ছাড়াই বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক পরিচয়ে দুই যুগ পার!

জানা যায়, প্রাইভেট হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে ১৯৯৯ সাল থেকে কর্মজীবন শুরু করেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাসিন্দা জোহরা আক্তার। ২০০২ সাল থেকে নিজেকে এমবিবিএস (গাইনি) চিকিৎসক দাবী করে শুরু করেন চিকিৎসা সেবা। কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সদরের ‘জননী হাসপাতাল প্রা. লি.’ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২০০৩ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪ বছর গাইনি রোগীদের সেবা দেওয়ার পর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ভিজিটে ধরা পরেন তিনি। ২০০৮ সালে ছবিসহ জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতকালে তিনি এনআইডি কার্ডে কৌশলে নিজের নাম দিয়েছেন ‘ডা. জোহরা আক্তার’। এনআইডি কার্ডে নিজের স্বাক্ষরও দিয়েছেন ‘ডা. জোহরা আক্তার’ লিখে। প্রশাসন বা সচেতন মহলের প্রশ্নের জবাব দিতে ডাক্তার পরিচয় প্রদানে ওই অভিনব কৌশল তার।

পরবর্তীতে চান্দিনা ও দেবীদ্বার উপজেলার সীমান্তবর্তী চান্দিনা-বাগুর বাস স্টেশন এলাকার একটি ওষুধ দোকানে রোগী দেখা শুরু করেন জোহরা আক্তার। সেখানে সকাল-বিকাল রোগী দেখার পাশাপাশি সুবিধাজনক স্থানে জায়গা কিনে অনুমতি ছাড়াই গড়ে তুলেছেন ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে সেখানে গড়ে তুলেছেন ৭তলা ভবন। আর ওই ভবনের নামও দিয়েছেন ‘ডা. জোহরা আক্তার কমপ্লেক্স’। নামের পাশে ডাক্তার লিখে রোগী দেখার অপরাধে প্রশাসন কয়েকবার তাকে আটক করে তার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়ায় এখন কৌশল পরিবর্তন করেন তিনি। ডায়গনস্টিক সেন্টারের নামের নিচে বড় অক্ষরে নিজের নাম ‘ডা. জোহরা আক্তার কমপ্লেক্স’ প্রেসক্রিপশন প্যাড তৈরি করে সেই প্যাডে রোগীর চিকিৎসাপত্র লিখেন তিনি। যে কোন রোগী গেলেই চিকিৎসাপত্রের বাম পাশে লিখে দেন ৪-৫টি পরীক্ষা। যার সবগুলোই নিজের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করা বাধ্যতা মূলক। এছাড়া আল্ট্রাসনোগ্রাফি যেন বাধ্যতা মূলক একটি পরীক্ষা! রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা থেকে শুরু করে রিপোর্টও করেন তিনি। আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টের রেফারেন্স ডাক্তারের নামের স্থানেও লিখে ‘SELF ’ (নিজ)।

সম্প্রতি হালিমা আক্তার নামে চান্দিনার এক কলেজ ছাত্রী সামান্য সমস্যা নিয়ে যান তার কার্যালয়ে। ৩শ টাকা ভিজিট দিয়ে দেখানোর পর যথারীতি গদবাঁধা সেই পরীক্ষা। আর চিকিৎসাপত্রে রোগীর সমস্যা কথা থেকে শুরু করে ওষুদের বানানে বহু ভুল থাকার বিষয়টি জানান একাধিক চিকিৎসক।

তার এ অনিয়ম এর অনুসন্ধান করতে গেলে স্বঘোষিত ‘ডাক্তার’ জোহরা আক্তার অনেকটা ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আমারটা দেখেন আর কারও টা দেখেন না? চান্দিনা-দেবীদ্বারসহ সারা দেশেই তো কতমানুষ ডাক্তার লিখে চিকিৎসা দিচ্ছে সেগুলো বন্ধ করেন আগে’।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. নাছিমা আক্তার জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। যেহেতু এখন জেনেছি খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×