বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

আগুন লাগানোর আগে ক্ষতিপূরণ! শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভয়াবহ ষড়যন্ত্র

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৩ পিএম
আগুন লাগানোর আগে ক্ষতিপূরণ! শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভয়াবহ ষড়যন্ত্র

Oplus_131072

google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চট্টগ্রামের রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাঁচটি বসতঘরে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর ঘটনা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ভয়াবহ এক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের চিত্র। পুলিশের তদন্ত ও গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিতে জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে দেশে-বিদেশে অস্থিরতা তৈরির অংশ হিসেবেই এই অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়।

 

ঘটনার অন্যতম আসামি মনির হোসেন গত সোমবার চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হারুনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সেখানে তিনি জানান, তার মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে তিনি স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছে গেলে তাকে বলা হয়, বিচার পেতে হলে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

 

এরপর মনিরকে রাঙামাটির এক আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌর কাউন্সিলরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। তাদের মাধ্যমে মনিরের সঙ্গে কয়েকজন পেশাদার অপরাধীর যোগাযোগ হয়, যারা মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িত।

 

মনির জানান, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে সংখ্যালঘু হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও পাহাড়ি সম্প্রদায়ের ঘরে আগুন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিনিময়ে তাকে এক লাখ টাকা এবং রাঙামাটি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তিনি অশিক্ষিত জানালে তাকে বলা হয়, “হাসিনা ফিরে এলে শিক্ষিত হওয়া লাগবে না।”

 

অগ্নিসংযোগের আগে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গোপন বৈঠক হয়। সেখানে পাঁচটি বসতঘরে আগুন দেওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। আশ্চর্যজনকভাবে, ওই বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির কয়েকজন মালিকও উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের মধ্যে ১৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিতরণ করা হয়।

 

মনির আরও জানান, আগুন লাগানোর আগে বাড়ির লোকজনকে সতর্ক করা হতো যাতে কেউ হতাহত না হয় এবং পোষা প্রাণী সরিয়ে নেওয়া যায়। আগুন লাগানো হতো বাড়ির বাইরে পুরনো কাপড় ও লুঙ্গি ব্যবহার করে।

 

পুলিশ জানায়, গত ডিসেম্বর মাসে রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় পাঁচটি বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ১৮ ডিসেম্বর রাউজানের কেউটিয়া বড়ুয়াপাড়া গ্রামে সাধন বড়ুয়ার বসতঘর ও গোয়ালঘরে আগুন দেওয়া হয়। পরদিন ঢেউয়াপাড়া গ্রামে দুটি হিন্দু বসতঘরে এবং ২৩ ডিসেম্বর পশ্চিম সুলতানপুর গ্রামে সুখ শীল ও অনিলের ঘরে আগুন দেওয়া হয়।

 

ঘটনাগুলোর পর ঘটনাস্থল থেকে উসকানিমূলক ব্যানার উদ্ধার করা হয়, যাতে সাম্প্রদায়িক উসকানি, রাজনৈতিক নেতাদের নাম ও অর্ধশতাধিক মোবাইল নম্বর লেখা ছিল।

 

পুলিশ জানায়, প্রতিটি ঘটনায় ঘরবাড়ি ও মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেউ হতাহত হননি। প্রতিটি ঘটনার পরপরই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করেন।

 

এ ঘটনায় রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া থানায় তিনটি মামলা হয়। তবে ঢেউয়াপাড়ার বাসিন্দা বিমল তালুকদার নিজের ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “গভীর রাতে আগুন লাগার পর বেড়া কেটে পরিবার নিয়ে বের হতে হয়। কেন আগুন দেওয়া হয়েছে, জানি না।”

 

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আহসান হাবিব পলাশ বলেন, “রাতের আঁধারে এসব অগ্নিসংযোগ ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। এর মাধ্যমে দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়।”

 

গত ২ জানুয়ারি রাঙামাটির কলেজগেট এলাকা থেকে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—ওমর ফারুক, কবির হোসেন, কার্তিক দে, বিপ্লব বড়ুয়া, মোহাম্মদ লোকমান ও মো. পারভেজ।

 

তাদের কাছ থেকে চারটি উসকানিমূলক ব্যানার, দুটি কেরোসিন কনটেইনার, একটি কেরোসিন বোতল, কেরোসিনমাখা লুঙ্গি ও একটি পুরনো কালো শার্ট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ব্যানারে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর সংরক্ষিত একটি মোবাইল ফোন, একটি সিএনজি অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে, যা ঘটনাস্থলে যাতায়াতে ব্যবহৃত হয়েছিল।

 

পুলিশ জানায়, ১৫–১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ঘরে আগুন দেওয়ার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে জড়িত ছিল। জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে ব্যানারে রাজনৈতিক নেতাদের নাম ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কিছু মোবাইল নম্বরও যুক্ত করা হয়।

 

এই ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

মনোহরগঞ্জে নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানের সাথে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুমিল্লা মনোহরগন্জ, প্রতিনিধি ইমরান প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
মনোহরগঞ্জে নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানের সাথে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাত জাহানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ ইউএনও কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

সাক্ষাৎকালে বিএনপি নেতৃবৃন্দ নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মনোহরগঞ্জে স্বাগতম ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। একই সাথে তাঁরা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তি সুনিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে সার্বিক সহযোগিতা ও একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানও উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

×