সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লায় ব্যবসায়ী অপহরণ মামলার আসামি গ্রেফতার, জনমনে স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:২৯ এএম
কুমিল্লায় ব্যবসায়ী অপহরণ মামলার আসামি গ্রেফতার, জনমনে স্বস্তি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানা এলাকা থেকে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কৌশলে লাকসাম নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ আদায়সহ মোবাইল ও মোটরসাইকেল রেখে দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী মোঃ সওদাগর হোসেন বাদী হয়ে ২ মার্চ ২০২৪ সালে সদর দক্ষিণ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ লাকসাম থেকে ঘটনায় জড়িত শংকর দাসকে গ্রেফতার করেছে। এসআই জিয়াউল হকের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় এ অভিযানে জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী মোঃ সওদাগর হোসেনকে কৌশলে লাকসাম নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তার মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল রেখে দেওয়া হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পুরাতন দোকানঘর/দালান কোটা ক্রয়ের ব্যবসায়ী সওদাগর হোসেন অভিযোগ করেন, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢুলিপাড়া এলাকায় অবস্থিত। ঘটনার ১৪/১৫ দিন আগে অজ্ঞাতনামা একজন পুরুষ ও একজন মহিলা একটি এয়ারটেল নম্বর থেকে ফোন দিয়ে পুরাতন টিনের ঘর বিক্রির কথা জানায়। এরপর, সওদাগর ঘরটি ক্রয় করার জন্য ৫৩,০০০ টাকা ও ওয়াল্টন ১০০ সিসি মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের সাথে দেখা করতে রওনা হন। বিজয়পুর বাজার রেললাইন সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর পৌঁছানোর পর, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তাকে ফয়েজগঞ্জ এলাকায় একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ১৫ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর পর তাকে মোবাইল ও মোটরসাইকেল রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এবিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “কুমিল্লা জেলার এসপি মহোদয়ের নির্দেশে জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সওদাগর হোসেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমি খুবই কৃতজ্ঞ। দীর্ঘদিন পর হলেও অভিযুক্ত একজনের আটক করেছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতার সহ ন্যায় বিচার পেতে পুলিশের আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার (জিআর ওয়ারেন্ট) ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজিজুল মোঃ সম্রাট (২০) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি জিআর ওয়ারেন্ট থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার মোঃ আনিসুজ্জামান তুহিন (২২) চান্দিনা উপজেলার লেবাস এলাকার মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোবাইল কোর্ট তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গমরাহদহ এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে দিলীপ দাস (১৯) এবং রুহিয়া থানার কানীকশানগাঁও এলাকার সুশীল বর্মনের ছেলে অরূন কুমার বর্মন (১৯)-কে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবাইল কোর্ট তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত অরূন কুমার বর্মনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

×