সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

“কুমিল্লার ক্রাইম ক্যাপিটল : অপরাধের আড়ালে নগরীর ৬, ১৬ ও ১৭ নং ওয়ার্ড নীরব সাক্ষী”

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪, ১১:২২ এএম
“কুমিল্লার ক্রাইম ক্যাপিটল : অপরাধের আড়ালে নগরীর ৬, ১৬ ও ১৭ নং ওয়ার্ড নীরব সাক্ষী”
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা নগরীর ৬, ১৬ ও ১৭ নং ওয়ার্ডে অপরাধ ও মাদকের সহজলভ্যতা এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। সম্প্রতি এই ওয়ার্ডগুলোতে ঘটে যাওয়া একাধিক হত্যাকান্ড ও অপরাধের ঘটনা স্থানীয় জনগণের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্কের সঞ্চার করেছে। কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয়তা, মাদক পাচার, জলাশয় ভরাট এবং গোমতী নদীর মাটি ও বালু উত্তোলনের মতো ঘটনা বেড়ে চলেছে। এসব অপরাধের পেছনে রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়া থাকার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এতো হত্যাকান্ডের পরও এদের লাগাম টানার কেউ না থাকায় লাশের মিছিলে একেরপর এক নিহতের নাম যোগ হচ্ছে। তারা এমপি আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, দ্রুত অপরাধীদের তালিকা করে এদের উপর নজরদারি বৃদ্ধি করলে অপরাধের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

এলাকার জনগণের নিরাপত্তা এবং শান্তি পুনরুদ্ধারে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অপরিহার্য। সংবাদ মাধ্যমকে এই অপরাধ প্রবণতার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি এবং সঠিক তথ্য প্রকাশ করে জনগণকে অবগত করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদের এই বিষয়ে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্র জানান, কুমিল্লার ৬, ১৬ ও ১৭ নং ওয়ার্ডের অপরাধ প্রবণতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ ও এলাকার জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। তিন ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধিরা প্রশাসনের সাথে সমন্নয় করে অপরাধীদের তালিকা করে নজরদারি বাড়াতে সহযোগিতার মত দিয়েছেন সুশীল সমাজের লোকজন।

বিগত সময়ে যারা খুন হয়েছেন: সংরাইশ চাঞ্চল্যকর মুহিন (১৩) হত্যার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এরক্ষত না শোকাতেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন নিহত মুহিনের আপন চাচা শহীদ (৪৫) যা এলাকায় আতংকের সৃষ্টি করে। জানু মিয়া (৩৮) হত্যাকাণ্ডের পর লাশের মিছিলে যোগ হয় অন্তু (৩০)। নগরীর ১৬ নং ওয়ার্ডের নবগ্রম এলাকার ফয়সাল (২৮) সুজানগর এলাকার হৃদয় (২৫) জনপ্রিয় কাউন্সিলার ও আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ সোহেল ও হরিপদ সাহা হত্যার পর এলাকাবাসী একজন মানবিক অবিভাবক হারিয়েছে যে শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। জনপ্রিয় মতিন সর্দার হত্যার পর ১৬ নং ওয়ার্ডবাসী হারালো একজন ন্যায় পরায়ন ব্যক্তি। এছাড়াও টিক্কারচর খুন হন শুভপুরের মোশাররফ। টিক্কারচর গোমতী সেতুর পূর্বে গোমতী কফি হাউজ থেকে অটো চালক জুনু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ। এ ঘটনায় নিরপরাধ ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী আক্তার হোসেনকে জুনু হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। সর্বশেষ নগরীর টিক্কারচর এলাকার মিশুক চালক মোঃ পরান মিয়ার (৪০) মরদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার মজুমদার।

জানা যায়, গত ১৭ মে সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ পরান মিয়ার খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় ভোলা মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৩৪)। পরে স্থানীয় পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে প্রশাসন নিখোঁজ মিশুক চালকের সন্ধানে মাঠে নামে। গত ১৭ মে রাতে ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার এসআই খোরশেদ আলম হারাতলী এলাকার পরিত্যক্ত একটি সিএনজি পাম্পের কাছ থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের সন্ধান না পেয়ে কুমিল্লা নগরীর টিক্কারচর এলাকার আঞ্জুমান কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহটি দাফন করে। এ ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ময়নামতি ক্রসিং হাইয়ে থানা পুলিশ পরিবারের সন্ধান পেতে মরদেহের আঙুলের ছাপ সিআইডির নিকট পাঠায়। সার্ভারে সমস্যা থাকায় ঠিকানা আসতে দেরি হয়। গতকাল শুক্রবার (২৪ মে) লাশটির ঠিকানা পেলে পরিবারের নিকট খবর পাঠানো হয়। সংবাদ পেয়ে ময়নামতি ক্রসিং হাইয়ে থানায় পরিবারের সদস্যরা গিয়ে ছবি দেখে মরদেহ সনাক্ত করেন।

পরানের স্ত্রী মরিয়ম বেগম বলেন, আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি নিখোঁজের পরদিন কোতয়ালি মডেল থানায় ভোলা মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলাম। তাদের গ্রেফতার করতে পারলে আমার স্বামীর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করা যাবে। তিনি আরও বলেন, আমার বাড়ির ভিতর ভোলা সহ একটি গ্রুপ মাদকের আখড়া জমায় এতে আমাদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় আমার স্বামী সহ পরিবারের সবাই বাঁধা দিলে এই নিয়ে তাদের সাথে আমাদের বিরোধ হয়। আমার স্বামীর সন্ধান পাওয়ার আগের দিনও আমার দেবর সহ আমাদের মারধর করেন ভোলা বাহিনির সদস্যরা।

কুমিল্লা ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, লাশ পাওয়ার পর লাশের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিলো আমরা পরে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করি। এখন পরিবারের সন্ধান পেয়েছি। বিষয়টি তাদের অবগত করেছি।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফিরোজ হোসেন বলেন, পরান মিয়ার স্ত্রীর অভিযোগ পেয়ে আমরা কাজ শুরু করি। যেহেতু তারা হত্যার কথা বলেছে আমরা হত্যা মামলা নিবো। তদন্তের মাধ্যমে খুনিদের আইনের আওতায় আনা হবে। বিগত সময়ে যে হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে সেই মামলায় সদ্য কারামুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক গোয়েন্দা টিম কাজ করছে।

এই সংবাদ প্রতিবেদনে সম্পাদকীয় মন্তব্য বা ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করা হয়নি। এটি শুধুমাত্র স্থানীয় জনগণের মতামত এবং ঘটনার বিবরণ প্রতিফলিত করে। সংবাদ প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য হলো জনসচেতনতা বাড়ানো এবং সঠিক তথ্য প্রকাশ করা।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার (জিআর ওয়ারেন্ট) ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজিজুল মোঃ সম্রাট (২০) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি জিআর ওয়ারেন্ট থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার মোঃ আনিসুজ্জামান তুহিন (২২) চান্দিনা উপজেলার লেবাস এলাকার মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোবাইল কোর্ট তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গমরাহদহ এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে দিলীপ দাস (১৯) এবং রুহিয়া থানার কানীকশানগাঁও এলাকার সুশীল বর্মনের ছেলে অরূন কুমার বর্মন (১৯)-কে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবাইল কোর্ট তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত অরূন কুমার বর্মনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

×