বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

কৃষকের টাকা আত্মসাৎ করেও শ্রেষ্ঠ অফিসারের মর্যাদা!

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩, ৮:৩১ এএম
কৃষকের টাকা আত্মসাৎ করেও শ্রেষ্ঠ অফিসারের মর্যাদা!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কৃষকদের কাছে সাশ্রীয় মূল্যে কৃষিপণ্য পৌঁছে দিতে বড় অংকের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। কৃষকদের চাষাবাদে আগ্রহ সৃষ্টির জন্য প্লট প্রদর্শনীতে বীজ, সার, ওষুধ ও নগদ অর্থও বরাদ্দ রয়েছে।

কিন্তু সরকারের এই মহতি উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করছেন না মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। মো. রেজাউল করিম নামের এই কর্মকর্তা বিভিন্ন প্রকল্পের প্রদর্শনীতে বরাদ্দকৃত টাকা, সার, বীজ ও অন্যান্য উপকরণ কৃষকদের মধ্যে বণ্টন না করে নিজেই আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষণ ও মাঠ প্রদর্শনীতে অনিয়ম করেছেন তিনি। অধিকাংশ সময় সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন ব্যক্তিগত কাজে। প্রায় দিনই সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে উনার স্ত্রীকে মৌলভীবাজার শহরে কেনাকাটা করতে দেখা যায়। কৃষি কর্মকর্তার এমন অনিয়মে হতাশ উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা।

এতসব অনিয়ম ও দুর্নীতির পরও এবার জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ কৃষি অফিসার হয়েছেন ওই কর্মকর্তা। একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, জেলা অফিসে নানা সুবিধা দিয়ে তিনি এবার শ্রেষ্ঠ কৃষি অফিসার হয়েছেন।

এদিকে রাজনগর উপজেলা কৃষি অফিসের চলমান প্রকল্পসমূহ, বরাদ্দ এবং সুবিধাভোগী কৃষকদের তথ্য জানতে তথ্য অধিকার আইনে ১৯ জুন আবেদন করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করেননি ওই কর্মকর্তা।

যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা যায়, চলমান প্রকল্পসমূহের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প ও কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পে পুকুর চুরি করেছেন ওই কর্মকর্তা। প্রকল্পে কী পরিমাণ বরাদ্দ সেটা তিনি ছাড়া অফিসের কাউকে অবগত করেননি। প্রদর্শনীর বরাদ্দ নিজে একাই দেখভাল করেন।

২০২২-২৩ অর্থবছরে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের ক্রিপার প্রদর্শনীপ্রাপ্ত উত্তরভাগ ইউনিয়নের আব্দুল কালাম বলেন, ৫ জন কৃষককে একত্রে ১ বস্তা লাল সার, ৫ কেজি করে কালো সার, সাদা সার ২০ কেজি দেওয়া হয়েছে। বীজ কেনার জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা পেয়েছি। কিন্তু জমি প্রস্তুত, আন্তঃপরিচর্যা কিংবা মাচা তৈরির জন্য কোনো টাকা পাইনি।

টেংরা ইউনিয়নের লতি কচু প্রদর্শনীর কৃষক আছকান মিয়া বলেন, নগদ টাকা, সার ও ওষুধ কম দেওয়ায় কৃষি অফিসারের সঙ্গে ঝগড়া করেছি। তার পরও বরাদ্দ অনুযায়ী পাইনি।

কম দেওয়ার কারণ এডির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বড় অফিসার না দিলে আমার কিছু করার নেই।

পাঁচগাঁও ইউনিয়নের মরিচ প্রদর্শনীর কৃষক জয়নাল মিয়া বলেন, ২০ গ্রাম বীজ এবং সব ধরনের সার মিলিয়ে ১৫-২০ কেজির মতো পেয়েছি। নগদ টাকা পাইনি।

কামারচাক ইউনিয়নের হলুদ প্রদর্শনীর কৃষক ওয়ারিশ মিয়া বলেন, ৫ মনের মতো বীজ এবং বিভিন্ন ধরনের কিছু সার পেয়েছি। কিন্তু নগদ টাকা পাইনি। রাজস্ব খাতে আমার স্ত্রীর নামে একটি প্রদর্শনী ছিল সেটা থেকে ১৫’শ টাকা পেয়েছি।

টেংরা ইউনিয়নের চীনা বাদাম প্রদর্শনীর কৃষক কুতুব উদ্দিন বলেন, ১৫ কেজি বীজ, ৩ ধরনের ৪০ কেজি সার পেয়েছি। কিন্তু নগদ কোনো টাকা পাইনি।

উত্তরভাগ ইউনিয়নের আদা প্রদর্শনীর সুয়েব আহমদ বলেন, কিছু সার দেওয়া হয়েছিল। তবে এই মুহূর্তে পরিমাণ বলতে পারছি না। নগদ টাকা পাইনি।

কন্দাল ফসল প্রকল্পে মুখী কচু প্রদর্শনীর মনসুরনগর ইউনিয়নের তাহেরা বেগম বলেন, ১০ কেজি করে সার ও ১৫’শ টাকা পেয়েছি। বীজ পাইনি।

উত্তরভাগ ইউনিয়নের গাছ আলু প্রদর্শনীর কৃষক মাহমুদুল হক বলেন, ১ বস্তা বীজ, লাল, সাদা ও বড়ী সার ৩০ কেজি এবং ২ হাজার টাকা পেয়েছি। একই অভিযোগ উপজেলার অন্যান্য প্রদর্শনী প্রাপ্ত কৃষকদের।

নাম গোপন রাখার শর্তে একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ১টি মাঠ প্রদর্শনী করে ওই জায়গায় আরও ৩-৪টি ব্যানার লাগিয়ে ছবি তোলেন। সম্প্রতি একটি প্রশিক্ষণে কৃষি কর্মকর্তা তার বাসার কাজের বুয়ার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জমি প্রস্তুত, আন্তঃপরিচর্যার টাকা কৃষকদের না দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, কিছু দিনের মধ্যে দেওয়া হবে।

অর্থবছর তো শেষ হয়েছে তাহলে কেন কৃষকদের টাকা দেওয়া হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টাকা উত্তোলন করে অফিসের অ্যাকাউন্টে রেখেছি। কিছু দিনের মধ্যে দিয়ে দিব।

মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি নির্দেশনা অমান্য, দুর্নীতি এবং অনিয়ম করার পরও কীভাবে শ্রেষ্ঠ কৃষি অফিসার হয়েছেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

আপনাকে সুবিধা দিয়ে রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবার শ্রেষ্ঠ কৃষি অফিসার হয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা তো আমাকে ভালো করে চিনেন। টাকা খেয়ে কাউকে পুরস্কৃত করার জন্য কৃষি অফিসার হইনি।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×