সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চান্দিনায় হত্যার পর প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে মৃতদেহ : তিন আসামী গ্রেফতার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম প্রকাশিত: শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫, ২:১৪ পিএম
চান্দিনায় হত্যার পর প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে মৃতদেহ : তিন আসামী গ্রেফতার
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মৃত আবদুল মজিদের ছেলে শবদর আলী (৪৫) ফজর নামায পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। সকাল ৮:৩০টা পর্যন্ত তার স্ত্রী ও সন্তানরা যখন শবদর আলীকে খুঁজে পাচ্ছেনা ঠিক তখনই পাশের বাড়ির ইউনুছ মিয়া এসে বলে শবদর আলী আমাদের বাড়ির পুকুর পাড়ের আম গাছের সাথে ফাঁসি দিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ১৫ এপ্রিল ২০২৫ইং (শনিবার) কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলার বরকইট গ্রামের জনাফরা বাড়ির মৃত আহাম আলীর বসত বাড়ির উত্তরের পুকুর পাড়ে। আম গাছের সঙ্গে প্লাস্টিকের দড়ি গলায় পেঁচিয়ে ঝুঁলে আছে শবদর আলী এবং পা দুটি হাঁটু ভাঙ্গা অবস্থায় মাটিতে লেগে ছিল। খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ মৃত শবদর আলীকে উদ্ধার করে পোস্ট মর্টেমের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে এবং এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল।

প্রায় তিন মাস পর শবদর আলীর পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট ঐ মামলার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ ইমাম হোসেনের নিকট আসার পর তিনি রিপোর্ট পড়ে বুঝতে পারেন শবদর আলীকে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে আম গাছে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়েছিল। তাৎক্ষণিক বিষয়টি চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলামকে বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেন। অত:পর মৃত শবদর আলীর স্ত্রী রিনা বেগম চান্দিনা থানায় এসে ১০ জুলাই ২০২৫ইং (বৃহস্পতিবার) রাতে ৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

হত্যা মামলা দায়ের করার পর মামলার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ ইমাম হোসেন কুমিল্লা পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন ও চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলামের দিক নির্দেশনায় ১1 জুলাই ২০২৫ইং (শুক্রবার) রাত ২টায় অভিযান পরিচালনা করে ৩জন আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় হলেন, চান্দিনা উপজেলার বরকইট জনাফরা বাড়ির মৃত আহাম আলীর ছেলে ইউনুছ মিয়া (৫২), আবুল হাশেম (৪২) ও কুদ্দুছ (৫৫)।

মৃত শবদর আলীর স্ত্রী রিনা বেগম জানায়, বিবাদীগণ আমার স্বামীর নিকট হইতে মৌখিক এক বছর চুক্তির মেয়াদে জমি বন্ধক বাবদ ৩ (তিন) লক্ষ টাকা নেয়। চুক্তির এক বছর মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পরপরই বিবাদীগণ তাদের জমি নিয়ে চাষাবাদ করতে থাকে কিন্তু আমার স্বামীর পাওনা ৩ (তিন) লক্ষ টাকা পরিশোধ না করিয়া দেম-দিচ্ছি ঘুরাইতে থাকে। আমার স্বামীর হত্যার ১ সপ্তাহ পূর্বে বিবাদীদের নিকট পাওনা টাকা চাইলে আমার স্বামীকে মারধর করতে থাকে এবং তার শৌরচিৎকারে শুনে আমার ছেলে মাজহারুল, ভাসুর ফকির মিয়া ও তার ছেলে এমরানকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। যাওয়ার সাথে সাথে বিবাদীগণ আমাদেরকেও মারধর করতে থাকে এবং মারধর করার কারণে আমার ছেলে মাজহারুলের হাত ভেঙ্গে যায় এবং ভাসুর ফকির মিয়া ও তার ছেলে এমরান নীলাফুলা জখম হয়। তাৎক্ষণিক এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানাইলে, তারা বলে শালিশ দরবার করে দিবে। কিন্তু বিবাদীগণ শালিশ দরবারে বসতে রাজি না হয়ে উল্টো আমার স্বামী ও আমার ছেলেদেরকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে প্রতিনিয়ত হুমকি দিতে থাকে। ঠিক এক সপ্তাহ পরই ১৫ এপ্রিল ২০২৫ইং (শনিবার) সকাল ৮:৩০টায় জানতে পারি আমার স্বামী শবদর আলীকে মেরে মৃত দেহ আম গাছে ঝুঁলিয়ে রাখে এই বলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

সবশেষে মৃত শবদর আলীর স্ত্রী রিনা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে যারা হত্যা করেছে তাদেরকে আইনের মাধ্যমে ফা্ঁসিতে ঝুঁলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার জন্য কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ও চান্দিনা থানা অফিসার ইনচার্জকে অনুরোধ করছি।

শবদর আলীর মৃত্যুর ব্যাপারে বরকইট ইউনিয়ন তাঁতীদলের সভাপতি মো: নাছির বলেন, পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে শবদর আলীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় ও মৃত্যু নিশ্চিত করে তাকে আম গাছে ঝুঁলিয়ে দেওয়া হয় বলে জানতে পারি। আমরা বরকইট বাসী শবদর আলী হত্যার প্রকৃত আসামীদের গ্রেফতার করে ফা্ঁসিতে ঝুঁলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, শবদর আলী পেশায় একজন ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ছিল। তার হত্যার ঘটনায় পাঁচ জনের মধ্যে তিন জন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং একজন আসামী শবদর আলীর মৃত্যুর ঘটনার ৮-১০দিন পর প্রবাসে চলে যায় ও একজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। অতিদ্রুত তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×