সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছুড়ে স্বর্ণ দোকানে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ ১, আটক-১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১৩ এএম
চৌদ্দগ্রামে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছুড়ে স্বর্ণ দোকানে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ ১, আটক-১
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারস্থ মসজিদ মার্কেটে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছুড়ে ‘প্রীতি জুয়েলার্স’ নামে একটি স্বর্ণ দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে কাউছার আহমেদ নামে ডাকাত দলের এক সদস্যকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দীন আহমেদ।

চৌদ্দগ্রাম থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারস্থ মসজিদ মার্কেটে ‘প্রীতি জুয়েলার্স’ নামে একটি স্বর্ণ দোকানে ক্রেতা সেজে ৮/১০ জনের একটি ডাকাত দল মাথায় মাংকি টুপি ও মুখে মাস্ক পরে অবস্থান নেয়। এ সময় ডাকাতরা কৌশলে দোকান কর্মচারী পলাশ চন্দ্র দত্ত (৩০) কে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই দোকানের স্বর্ণালঙ্কার লুট শুরু করে। কর্মচারী পলাশ ডাকাত বলে চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে মারধর শুরু করে। ডাকাতির বিষয়টি টের পেয়ে একই মার্কেটের পাশের দোকানদার মো: মোশাররফ হোসেন (৪৫) ডাকাত, ডাকাত বলে চিৎকার করে মার্কেটের মূল গেইটটি বন্ধ করার চেষ্টা করলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে গুলির শব্দ শুনে আশেপাশের লোকজন জড়ো হতে লাগলে ডাকাতরা বিপুল পরিমাণ ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় এবং এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় জনতা ডাকাত দলের এক সদস্য ঢাকা উত্তরখানের চান পাড়া গ্রামের মো: আবুল বাশারের ছেলে কাউছার আহমেদ (৩৫) কে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনতার হাতে ধৃত ডাকাত দলের সদস্য কাউছার আহমেদকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

প্রীতি জুয়েলার্সের কর্মচারী পলাশ চন্দ্র দত্ত বলেন, সন্ধ্যার কিছু পরে ৮/১০ জনের মুখোশ পড়া একটি দল ক্রেতা সেজে দোকানে প্রবেশ করে। তারা স্বর্ণ ক্রয় করার অজুহাত দেখিয়ে আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দোকানের শো-কেসে এবং লকারে রাখা বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার নিজেদের কাছে থাকা ব্যাগ ভর্তি করতে শুরু করে। আমি ডাকাত বলে চিৎকার করতে চাইলে তারা আমাকে মারধর করে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। আমার চিৎকার শুনে পাশের এক দোকানদার এগিয়ে আসলে তারা তাকে গুলি করে। পরে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছুড়তে ছুড়তে তারা পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতা একজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পুলিশ এসে তাকে তাদের হেফাজতে নেয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, ডাকাতির সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটককৃত ডাকাত দলের সদস্য কাউছারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তার দেহ তল্লাশী করে চার রাউন্ড গুলি সহ পিস্তলের একটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মহাসড়কের মিরশ^ানী নামক এলাকা থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রো বাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৩-২৯০২) জব্দ করা হয়। মাইক্রোটি তল্লাশী করে দু’টি ধারালো চাপাতি ও বেশকিছু স্বর্ণের খালি বক্স উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত মাইক্রোবাস থেকে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধার করা হয়। ওই লাইসেন্স এর ছবির সাথে আটককৃত ডাকাত কাউছার আহমেদ এর ছবির হুবহু মিল রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত কাউছার নিজেকে ডাকাত দলের সদস্য বলে স্বীকারোক্তি দিয়ে পুলিশকে জানায়, তার দলের অপর সদস্যদের সকলে কুমিল্লা জেলার বাহিরের লোক। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। সিসিটিভি এর ফুটেজ দেখে ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। এ ব্যাপারে প্রীতি জুয়েলার্সের মালিক রবীন্দ্র দত্ত বাদী হয়ে থানায় একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনি তার দোকান থেকে ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকে অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×