সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে কোন বৈষম্য, অন্যায় ও জুলুম থাকবে না : ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ২:৪৬ পিএম
চৌদ্দগ্রামে কোন বৈষম্য, অন্যায় ও জুলুম থাকবে না : ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, আ’লীগের নেতৃত্বাধীন স্বৈরাচার সরকার গত ১৬ বছরে চৌদ্দগ্রামে খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিলো। তারা কথায় কথায় খুন, গুম, হামলা, মামলা করে আসছিলো। ঐসময় তারা জামায়াত-শিবিরের ১৪ জন নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে খুন করে শহীদ করেছে। আমরা খুনের বদলে খুন চাই না। তবে যারা খুনের সাথে জড়িত ছিলো, হামলার সাথে জড়িত ছিলো, দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তাদের বিচার করা হবে ইনশাআল্লাহ। তাদের বিষয়ে কোন প্রকার ছাড় নেই। তারা চৌদ্দগ্রামটাকে একটা জাহান্নামে পরিণত করেছিলো।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সকলের সমতায় একটি চৌদ্দগ্রাম। যে চৌদ্দগ্রামে থাকবে না কোন বৈষম্য, অন্যায়, জুলুম ও অত্যাচার। শুধু থাকবে শান্তি, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা ও প্রতিহিংসাবিহীন শান্তির চৌদ্দগ্রাম।

তিনি বলেন, চৌদ্দগ্রামে বিগত ১২ বছরে আমার বাবা-মায়ের কবর জেয়ারত করতেও দেয়নি এই স্বৈরাচার সরকার। একের পর পর মিথ্যা মামলা দিয়ে আমিসহ শত শত নেতাকর্মীকে মাসের পর মাস জেলহাজতে রেখেছে। আমরা চেয়েছিলাম শেখ হাসিনার পদত্যাগ, চেয়েছিলাম একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কিন্তু তারা হতে দেয়নি। তারা সাজানো ও পাতানো নির্বাচন করে ক্ষমতাকে বারবার কুক্ষিগত করেছে। তারা দেশের প্রতিটা সেক্টরে দুর্নীতিবাজ ও পেটুয়া বাহিনী সেটাপ করে এক নায়কতন্ত্র তৈরি করেছিল। এ দেশের ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার শুধু ক্ষমতাই ছাড়েনি, বরং দেশ থেকেই পালিয়েছে। কেননা তারা মানুষের উপর এমন জুলুম করেছিলো, এদেশের জনগণ তাদের কখনোই ক্ষমা করবে না। তাই তারা দেশ থেকে পালিয়েছে।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার চাঁন্দিশকরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে শিবিরের ২১৮তম শহীদ সাহাব উদ্দিন পাটোয়ারীর পরিবারের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদ সাহাব উদ্দিন পাটোয়ারীর পিতা মাওলানা জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন ওপেলের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাবেক আমীর মু. আবদুস সাত্তার, বর্তমান আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক আমীর ভিপি মো: সাহাব উদ্দিন, বর্তমান আমীর মাহজুর রহমান, পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা ইব্রাহিম, ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা জেলা পূর্বের সভাপতি নাজমুল হাসান।

পরে মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ফেলনা উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ জামশেদুর রহমান মিয়াজী জুয়েলের পরিবারের সাথে মতবিনিময় করেন সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাবেক আমীর মু. আবদুস সাত্তার, বর্তমান আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, বর্তমান সেক্রেটারী মু. বেলাল হোসাইন, মসলিসে সুরা সদস্য নুরে আলম মিয়াজী, পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা ইব্রাহিম।

সাবেক শিবির নেতা শাখাওয়াত হোসেন শামীম ও হাফেজ মর্তুজা মজুমদারের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেলনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মন্নান, জামায়াতের মুন্সীরহাট ইউনিয়ন আমীর মাওলানা জাফর আহমেদ, সেক্রেটারী হাফেজ বদিউল আলম, শহীদ জামশেদের চাচা আইয়ুব মিয়াজী, এডভোকেট সাইফ উদ্দিন, মাস্টার মাসুম বিল্লাহ, শিবির নেতা মোজাম্মেল হক প্রমুখ। পরে কেন্দ্রীয় জামায়াতের উদ্যোগে শহীদ জামশেদুর রহমান মিয়াজী জুয়েলের পরিবারের মাঝে দুই লাখ টাকা হস্তান্তর করা হয়। উভয় অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×