সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে বিয়ে বাড়ীতে হামলা-ভাংচুর, আহত ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫, ১০:১০ এএম
চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে বিয়ে বাড়ীতে হামলা-ভাংচুর, আহত ২
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে বিয়ে বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় প্রতিপক্ষের আয়েশা বেগম নামে এক নারী সহ কমপক্ষে দুইজন আহত হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা আয়েশা বেগমের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় এবং আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগৈগ্রাম পুর্বপাড়ায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি পরিবারের পক্ষ থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিলে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে সামাজিকভাবে সমাধানের আশ্বাসে উভয়পক্ষ শান্ত হয়।

ভুক্তভোগির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগৈগ্রামের মৃত আব্দুল মালেক ও আবুল কাশেমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। এ সংক্রান্তে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। এক বছর পূর্বে আদালতের নির্দেশনা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ উপেক্ষা করে মামলার বিবাদী আবুল কাশেম পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব খাটিয়ে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আব্দুল মালেকের নিজস্ব জায়গায় একটি পাকা বসতঘর নির্মাণ করে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার শালিস-দরবার হলেও তখন কোনো সমাধান না হওয়ায় এখনো ওই ঘটনার জের চলমান রয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) দুপুরে আব্দুল মালেকের ছেলে মো: ফারুকের বিয়ের দিন-তারিখ ছিলো। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী বিয়ের আনুষ্ঠানিক সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে সোমবার সকালে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযুক্ত আবুল কাশেম, আবুল বাশার, একই গ্রামের শামসুল আলম হুজুর ও তার ছেলে নোমান এর নেতৃত্বে কয়েকজন উৎশৃঙ্খল যুবক বাড়ীর মূল রাস্তার মাথায় সাজানো বিয়ের গেইটটি ভাংচুর করে। এ সময় ফয়সাল আহমেদ নামে স্থানীয় যুবক বিয়ে গেইট ভাংচুরের ভিডিও তার মুঠোফোনে ধারণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগিরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিলে চৌদ্দগ্রাম থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিমাই চন্দ্র নাথের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় যুবক ফয়সাল তার মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ভাংচুরের ভিডিওটি পুলিশের কাছে স্বাক্ষ হিসেবে প্রদর্শন করায় আবুল কাশেম, শামসুল আলম হুজুর সহ প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়। উত্তেজিত অবস্থায় তারা ফয়সালের বাড়ীঘরে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তার মা আয়েশা বেগম গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা ফয়সালের মায়ের শ্লীলতাহানির ও প্রাণনাশের চেষ্টা করে। এ সময় তাদের শোর-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে বিয়ের কার্যক্রম সমাপ্ত হলে আগামী শনিবার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মীমাংশার আশ^াস পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগি মো: ফারুক এর পরিবার, অপর ভুক্তভোগি ফয়সাল জানায়, সামান ঘটনায় শামসু হুজুর, নোমান, আবুল কাশেম সহ তাদের সহযোগিরা আমাদের বাড়ীঘরে হামলা-ভাংচুর চালায় এবং বিয়ের জন্য সাজানো গেইটটি ভেঙে ফেলে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিত্ব আবাদ মিয়া, আমির হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন জানান, পারিবারিক পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলয় বিয়ের গেইট ও বাড়ীঘর ভাংচুরের মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শামসুল আলম, আবুল কাশেমের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

চৌদ্দগ্রাম থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিমাই চন্দ্র নাথ জানান, ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। ভাংচুরের ঘটনা সঠিক। আমরা গিয়ে হামলাকারীদের কাউকে পাইনি। ভুক্তভোগিদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×