বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে ব্যবসায়ীকে কোটি টাকার ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে ১৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারক লাপাত্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪, ১২:২৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ব্যবসায়ীকে কোটি টাকার ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে ১৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারক লাপাত্তা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মনসুর হায়দার ভূঁইয়া স্বপন নামে এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীকে কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১৩ লাখ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মহিম উদ্দিন নামে এক প্রতারকের বিরুদ্ধে। মহিম উদ্দিন উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামের মফিজুর রহমান সরকারের ছেলে। এদিকে ভুক্তভোগি ব্যবসায়ী তার টাকা ফেরত চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা দিয়ে তাকে হয়রানী করছে প্রতারক মহিম। এমন ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (০৪ জুন) দুপুরে স্থানীয় একটি হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী মনসুর হায়দার ভূঁইয়া স্বপন। তিনি উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গিশ^র গ্রামের মৃত ইউসুফ ভূঁইয়ার ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মনসুর হায়দার ভূঁইয়া স্বপন উল্লেখ করেন, পেশায় তিনি একজন পোল্ট্রি খামার ব্যবসায়ী। ব্যবসা মন্দা যাওয়ায় বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ও ব্যাংকের নিকট ঋণ পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে পরিচয় হয় আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামের মফিজুর রহমান সরকারের ছেলে মহিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সাথে। তিনি নিজেকে সোনালী ব্যাংক চৌদ্দগ্রাম শাখার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ী স্বপনকে এক কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রæতি দেন। ব্যাংক ঋণের বিপরীতে খরচ বাবদ ১৫ লাখ টাকা দিতে হবে বলে জানান। তবেই এক মাসের মধ্যে ঋণ পাস হয়ে যাবে। এতে প্রলোভনে পড়ে রাজী হন মনসুর হায়দার ভূঁইয়া স্বপন। কাগজপত্র তৈরির কথা বলে মহিম উদ্দিন ধাপে ধাপে বিভিন্ন মাধ্যমে ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৩০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। ঋণের গ্যারান্টি হিসেবে ব্যবসায়ীর নিজ নামীয় অ্যাকাউন্ট এর ২টি অলিখিত চেক ও অলিখিত দুইটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় ওই প্রতারক। এর কিছুদিন পরে মহিম উদ্দিন ব্যবসায়ী মনসুর হায়দার ভূঁইয়া স্বপনের ইমোতে সোনালী ব্যাংকের একটি কাঠাছেড়া চেকে এক কোটি টাকা মঞ্জুর হয়েছে মর্মে লিখিত একটি চেক পাঠায় এবং বাকী আরও দুই লাখ টাকা চেয়ে বসে। চেকের বিষয়টি স্বপনের সন্দেহ হলে মুঠোফোনে মহিম উদ্দিনকে প্রশ্ন করলে তিনি তা এড়িয়ে ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন করে দেন। এরপর মহিম উদ্দিনের মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তিনি প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বিষয়টি বুঝতে পেরে সোনালী ব্যাংক চৌদ্দগ্রাম শাখায় যোগাযোগ করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, মহিম উদ্দিন নামে কোন ব্যক্তি এ শাখায় নেই এবং কোটি টাকার কোন ঋণও অনুমোদন হয়নি। এরপর থেকে মহিম উদ্দিনের কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। উল্টো তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার ও খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া বদৌলতে টাকা পাওয়ার দাবি করে আদালতে মামলা করে হয়রানী করে আসছে।

ব্যবসায়ী আরও বলেন, প্রতারক মহিম উদ্দিনকে ধরতে আইন প্রয়োগকারী একাধিক সংস্থার কাছে যান এবং তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী মনসুর হায়দার ভূঁইয়া স্বপনের চাচা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, স্ত্রী তাসলিমা বেগম, বোন নাজনীন আক্তার, প্রতিবেশি আজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, মো: ফরিদ উদ্দিন ও আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক চৌদ্দগ্রাম শাখার ব্যবস্থাপক মো: জহুর আহমেদ বলেন, ‘মহিম উদ্দিন নামে আমাদের শাখায় কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী নেই। বিগত পাঁচ বছরে এ শাখা থেকে একসাথে এক কোটি টাকার কোন ঋণ অনুমোদন হয়নি’।

এ বিষয়ে জানতে প্রতারক মহিম উদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×