সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে ভুয়া মৃত্যুসনদ তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা, ইউপি চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৫২ এএম
চৌদ্দগ্রামে ভুয়া মৃত্যুসনদ তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা, ইউপি চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অন্তত ৫০ বছর পূর্বে দেশ ত্যাগ করা দিব্যেন্দু মজুমদার নামে এক ভারতীয় নাগরিকের নামে ভুয়া মৃত্যুসনদ তৈরি করে হাবিুবল হক মজুমদার গং এর বিরুদ্ধে অন্যের মালিকানা ও ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামে। এ ঘটনায় আদালতে উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গত বুধবার (২১ আগস্ট) বিষয়টির তদন্তে আসেন ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত টিম। তদন্তে দিব্যেন্দু মজুমদারের নামে ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত মৃত্যু সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। মৃত্যু সনদে যে তারিখে দিব্যেন্দু মজুমদারের মৃত্যু দেখানো হয়েছে ওই তারিখে তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন না বলে এলাকাবাসী তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নিকট স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। বরং দিব্যেন্দু মজুমদার স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে স্বপরিবারে বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে সেখানে বসবাস করছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। দিব্যেন্দু মজুমদারের ভারতীয় নাগরিকত্বের বিভিন্ন প্রকার সনদ ও পর্যাপ্ত ডকুমেন্ট তদন্তকারীদের নিকট হস্তান্তর করেন এলাকাবাসী।

জনশ্রুতি রয়েছে, ২০২০ সালে তৎকালীন কাশিনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো: মোশারেফ হোসেন, স্থানীয় আওয়ামীলীগ দলীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের পরামর্শে মোটা অংকের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে দিব্যেন্দু মজুমদারের নামে ভুয়া মৃত্যু সনদ ইস্যু করেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো: মোশারেফ হোসেন ২০২৪ সালের ছাত্রজনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর থেকে পলাতক রয়েছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) এর সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মো: মুজিবুল হক এর অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন বলেও জানা গেছে। সাবেক রেলমন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে তিনি স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তার ক্ষমতার দাপটে কেউই তখন ভয়ে মুখ খুলতোনা। হেন কোনো অন্যায় নেই তিনি তখন করেননি। ক্ষমতার প্রভাবে তিনি সমগ্র ইউনিয়নবাসীকে জিম্মি করে রেখেছিলেন। গড়েছেন কোটি কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ। বিদেশেও বাড়ী কিনেছেন বলে শোনা যাচ্ছে এখন। পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার ব্যাপারে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ করতে শুরু করেছে ইউনিয়নবাসী। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, কাশিনগর ইউনিয়নের যাত্রাপুর মৌজাধিন বিভিন্ন দাগে বাংলাদেশে থাকাকালীন (বর্তমানে ভারতীয় নাগরিক) দিব্যেন্দু মজুমদারের পিতা শশি কুমার মজুমদারের অন্তত কয়েক একর জমি ছিলো। শশি কুমার মজুমদার স্বপরিবারে বাংলাদেশ ত্যাগ করার সময় উক্ত জমিগুলো স্থানীয় কয়েকজন মুসলিমকে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করে চলে যান। পরে জমি গ্রহিতারা নিজেদের নামে বিএস খতিয়ান সম্পন্ন করেন এবং অদ্যবদি নিজ নিজ ভোগদখলে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এরপর ২০০৯ সালে দিব্যেন্দু মজুমদার থেকে একটি দলিল সম্পাদনের নামে উক্ত জমিগুলো নিজেদের বলে দাবি করেন স্থানীয় মৃত আকুব আলী মজুমদারেরর ছেলে হাবিবুল হক মজুমদার গং। এ ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়। ২০১৮ সালে আদালতের একটি রায়ে দিব্যেন্দু মজুমদার বাংলাদেশের নাগরিক নন বলে জানা গেছে। একই সাথে আদালত তার ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণের বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। তিনি এখনো জীবিত আছেন এবং ভারতের কলকাতার শ্যামপুকুর এলাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন। আদালতে ৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার মাধ্যমে দিব্যেন্দু মজুমদারের মা পারুল বালা মজুমদার বিষয়টি পূনরায় নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, ভারতীয় নাগরিক দিব্যেন্দু মজুমদার প্রতারণার মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করায় তিনি এখন গ্রেফতারের ভয়ে আর বাংলাদেশে আসছেন না। এ ঘটনার জেরে যাত্রাপুর গ্রামের একটি কুচক্রিমহল দিব্যেন্দু মজুমদারের জমিগুলো নিজ দখলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন পায়তারা শুরু করে। পরে ২০২০ সালে দিব্যেন্দু মজুমদার বাংলাদেশে বসবাসরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মর্মে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত একটি মৃত্যু সনদ প্রমাণ স্বরূপ আদালতে দাখিল করেন। আদালত বিষয়টির অধিকতর তদন্তের জন্য কাশিনগর ইউপি’র বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে বুধবার কাশিনগর ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান মো: আলমগীর হোসেন ইউপি সচিব, স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিষয়টির তদন্ত করেন। তদন্তে দিব্যেন্দু মজুমদারের নিজ বংশীয় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দিব্যেন্দু মজুমদার স্বপরিবারে ভারতে চলে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এছাড়ার এলাকার শতবর্তী কয়েকজন মুসলিম নাগরিকও বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দিব্যেন্দু মজুমদারের বাংলাদেশে মৃত্যুবরণের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি দীর্ঘ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগেই স্বপরিবারে এদেশ ত্যাগ করে ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন এবং সেখানে বসবাস শুরু করেন। শুনেছি তিনি সেখানে এখনো জীবিত আছেন। বাংলাদেশে তার কোনো প্রকৃত ওয়ারিশ নাই। তিনি এ দেশের নাগরিকও নন। বসবাসযোগ্য কোনো ঘর-বাড়িও নেই তার। তার মৃত্যু সনদটি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে কাশিনগর ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান মো: আলমগীর হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে দিব্যেন্দু মজুমদারের বাংলাদেশে মৃত্যুবরণের বিষয়টির ব্যাপারে তদন্তে আসি। এখানকার বয়োজ্যৈষ্ঠ মুরব্বি ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে কথা বলেছি। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে শীঘ্রই আদালতে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×