বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

ডা. ফেরদৌসের ঈদ উপহারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫ শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩, ৭:০০ পিএম
ডা. ফেরদৌসের ঈদ উপহারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫ শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোর ৫ শতাধিক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ‘মানবিক চিকিৎসক খ্যাত’ ডা.ফেরদৌস খন্দকার। এই পরিবারগুলোর মধ্যে এরই মধ্যে পৌঁছে দেওয়া শুরু হয়েছে শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ শাখার সভাপতি ডা.ফেরদৌস খন্দকারের ঈদ উপহার। এরই মধ্যে দুই শতাধিক পরিবার পেয়েছেন ঈদ উপহার সামগ্রী। ডাক্তার ফেরদৌসের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ বিরাজ করছে আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোর বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে।

ডা.ফেরদৌস খন্দকার বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ বছর ইফতার পার্টি না করে বিভিন্ন শ্রেণির অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছেন তিনি। আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোর পরিবারের সদস্যদের ঈদ উপহার দেওয়া তারই একটি অংশ।

শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের রাধানাগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে (গুচ্ছগ্রামে) এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সেখানে দুই শতাধিক পরিবার পেয়েছে ঈদ উপহার। রবিবার বাকি পরিবারগুলোর মধ্যে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার মফিজ উদ্দিন আহমেদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা রাশেদা আক্তার, শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের দেবিদ্বার উপজেলার সদস্য সচিব আবদুর রহমান ভূঁইয়া, দেবিদ্বার উপজেলার মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহিনুর লিপি, দেবিদ্বার উপজেলার কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, সংগঠক সাইফুল ইসলাম, নারী সংগঠক শামীমা আক্তার রিমা, সমাজসেবক জাহাঙ্গীর আলম, রাজিব হোসেন, সালাউদ্দিন, পারভীন আক্তান, হাসিনা আক্তারসহ শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।

ডা. ফেরদৌসের ঈদ উপহার পেয়ে আনন্দে আত্মহারা আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের সকলেই অসহায় ও দারিদ্র পরিবারের মানুষ। ডাক্তার ফেরদৌস সব সময় আমাদের পাশে আছেন। এবার ঈদের আগে আমাদের ঈদ আনন্দ দিলেন। তিনি আসলেই মানবিক মানুষ। আমরা তার সাফল্য কামনা করি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ শাখার সভাপতি ডা.ফেরদৌস খন্দকার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের আবেগের জায়গা। সেই জায়গা থেকেই তিনি লক্ষকোটি টাকা ব্যয়ে লাখ লাখ গৃহহীনকে নিজ ঘরের স্বপ্ন দেখিয়েছেন এবং স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন।এদের মধ্যে কেউ দিনমজুর, কেউ ছিলেন কর্মহীন। স্বপ্ন থেমে থাকেনি আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের সাথী হলাম এই ঈদ উপহার বিতরণের মাধ্যমে। শেখ রাসেল ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা এই কাজে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।

তিনি বলেন, দেশের অসহায় ও দারিদ্র মানুষের কথা ভেবে এ বছর বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইফতার পার্টি করা থেকে নিজেই বিরত থেকেছেন। ইফতার পার্টির অর্থে অসহায় ও দারিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। নেত্রীর নির্দেশনা মেনে এ বছর ইফতার পার্টি না করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি রমজানের শুরু থেকেই।

প্রসঙ্গত, শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ শাখার সভাপতি ডা.ফেরদৌস খন্দকার এরই মধ্যে নিজ উপজেলা কুমিল্লার দেবিদ্বারের প্রতিটি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও মানব কল্যাণমুখী কাজ করে যাচ্ছেন। এসব কাজের মাধ্যমে তিনি এরই মধ্যে প্রশংসায় ভাসতে শুরু করেছেন।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×