বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

দান রোগ-ব্যাধি নিরাময় করে দানের মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধি পায়

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার: প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩, ১০:২৬ এএম
দান রোগ-ব্যাধি নিরাময় করে দানের মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধি পায়
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

জীবনে চলার পথে টাকাপয়সা লাগেই। অর্থসম্পদ টাকাপয়সা মানুষের জীবনের এক অপরিহার্য অনুষঙ্গ। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এ অর্থ মানুষ উপার্জন করে, ব্যয় করে এবং সঞ্চয়ও করে। এ উপার্জন-ব্যয়-সঞ্চয়- সবই পার্থিব এ জীবনকে সাজিয়ে তোলার জন্যে, এ জীবনের সুখ ভোগ করার জন্যে। নিজের উপার্জিত সম্পদ দিয়ে মানুষ নিজের প্রয়োজন মেটায়, মেটায় অধীনস্থ পরিবার-পরিজনের প্রয়োজনও। কিন্তু সামর্থ্য সকলের সমান থাকে না। কারও কাছে সঞ্চিত হতে থাকে প্রয়োজন-অতিরিক্ত টাকার ভাণ্ডার, কারও হাতে থাকে না দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন পূরণের যৎসামান্য উপকরণ। এ পরিস্থিতিতে মানুষ এগিয়ে আসে মানুষের কল্যাণে। মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। নিজের কষ্টার্জিত অর্থ বিলিয়ে দেয় অন্যদের প্রয়োজনে। দান বা সদকা বলে আমরা সাধারণত একেই বুঝি।

শয়তান তোমাদেরকে দরিদ্রতার ভয় দেখায় ও কৃপণতার আদেশ করে। আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও দয়ার কথা দিচ্ছেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। –সূরা বাকারা (২) : ২৬৮

আয়াতের মর্মে কোনো অস্পষ্টতা নেই। মানুষ যখন দান করতে চায়, শয়তান তখন তাকে অভাবের ভয় দেখায়। নিজের ভবিষ্যৎ, সন্তানের ভবিষ্যৎ ইত্যাদি নানা বিষয় সামনে তুলে ধরে তাকে দান থেকে বিরত রাখতে চায়। দান করলে নিজের সম্পদ চলে যাবে অন্যের হাতে, এতে সম্পদ যাবে কমে- এসব তো স্বাভাবিক কথা-ই। স্বাভাবিকতার এ ফাঁদ পেতেই শয়তান মানুষকে দানের অবারিত সওয়াব থেকে বঞ্চিত রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু আল্লাহ দয়াময় আমাদেরকে শয়তানের এ ফাঁদের কথা জানিয়ে দিচ্ছেন, এর পাশাপাশি নিজে দয়া করার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। আল্লাহ যদি কাউকে দয়া করেন, তার আর ভয় কীসের! এ দয়ার প্রতি যার আস্থা অটুট, তার আবার কীসের দরিদ্রতা, কীসের অভাব! আল্লাহ তাআলা যে দানশীলদের দয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, বিষয়টি এখানেই শেষ নয়; তিনি এরপর ঘোষণা করছেন- আল্লাহ প্রাচুর্যময়। কোনো কিছুর অভাব তাঁর নেই। তিনি সর্বজ্ঞ। জগতের সবই তাঁর জানা। কোনো কিছুই তাঁর অজানা নয়, তাঁর থেকে গোপন নয়। যাকে তিনি চান, তাকে তিনি দেবেন। তাঁর দেয়ার হাত সদা প্রসারিত। তাঁর দেয়া বড়ই অকৃপণ। তাঁর প্রাচুর্যেও কোথাও কোনো ঘাটতি নেই। তাঁর ইলম ও জ্ঞান, তাঁর কুদরত ও ক্ষমতা- সবই অসীম। ফুরিয়ে যাবার ভয় নেই কোনো কিছুতেই। এমন সর্বব্যাপী ক্ষমতার অধিকারী যিনি, তিনি কথা দিচ্ছেন- নিজের কষ্টার্জিত সম্পদ কেউ কাউকে দান করলে তাকে তিনি দুটি পুরস্কার দেবেন :
এক. পরকালে তাকে ক্ষমা করবেন।
দুই. দুনিয়াতে তার প্রতি দয়া করবেন। অর্থাৎ তার সম্পদ আরও বাড়িয়ে দেবেন।

কিয়ামতের ময়দানে যখন মানুষের আমলের হিসাব হবে, তখন কারও হাতেই কোনো টাকাপয়সা থাকবে না। দুনিয়ার আমলই তখন একমাত্র সম্বল। হিসাবনিকাশের পর ভালো আমল যার বেশি হবে, তার খুশির কোনো সীমা থাকবে না। সে অন্যদের ডেকে ডেকে নিজের আমলনামা দেখাবে, পড়তে দেবে। আর যার মন্দ আমলের পাল্লা ভারি হয়ে যাবে, তার অবস্থা হবে ঠিক বিপরীত। নিজের কৃতকর্মের জন্যে আফসোস করা ছাড়া তার আর কিছুই করার থাকবে না। দুনিয়াতে মানুষ যখন শাস্তির মুখে পড়ে, তখন টাকাপয়সা দিয়ে তা থেকে মুক্তির চেষ্টা চালায়। কিন্তু ঐ সময় তো আর টাকাপয়সা থাকবে না কারও। যদি থাকত, তবে গোনাহের অভিশাপ থেকে মুক্তির জন্যে সবই সে তখন দান করে দিত। এমনকি দুনিয়াভর্তি সোনারূপাও যদি তখন কারও হাতে থাকত, দোজখের আজাব থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্যে সবই সে বিলিয়ে দিত। তবুও যদি রেহাই পাওয়া যেত! পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা সবই আমাদের জানিয়ে দিচ্ছেন। সূরা ইউনুসের ৫৪ নং আয়াতের অর্থ-(যারা জুলুম করেছে, তাদের প্রত্যেকের কাছেই যদি পৃথিবীর সকল সম্পদও থাকত, তবে তারা তা মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিত। যখন তারা শাস্তি দেখবে, তখন মনে মনে আফসোস করবে। তাদের মাঝে ন্যায়ের সঙ্গেই বিচার করা হবে। তাদের কাউকেই কোনো জুলুম করা হবে না।)

লক্ষণীয় বিষয় হল, গোনাহের অভিশাপ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্যে পরকালে মানুষ যে সম্পদ মুক্তিপণ হিসেবে দিতে চাইবে, মুক্তিপণ দিতে না পারায় এবং শাস্তি থেকে নিষ্কৃতি না পাওয়ায় কেবল আফসোস করবে, দুনিয়াতে সে সম্পদ দানেই আল্লাহ তাআলা গোনাহ মাফ করে দেয়ার কথা দিচ্ছেন। বোঝা গেল, সম্পদ দিয়ে শাস্তি থেকে বাঁচা যাবে। দুনিয়াতে মানুষের শাস্তি থেকে যেমন টাকার বিনিময়ে বাঁচা যায়, তা পরকালেও সম্ভব। তবে কথা হল, পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে টাকা ব্যয় করতে হবে দুনিয়াতে। দুনিয়ার দান পরকালের শাস্তি থেকে বাঁচিয়ে দেবে।

দানশীলতা একটি মহৎ গুণ। দানের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার দেওয়া সম্পদের শুকরিয়া আদায় করা হয়, সম্পদ বৃদ্ধি পায়, গরিব ও অসহায় মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শিত হয়। সমাজের নিঃস্ব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, গরিব-দুঃখী মানুষের প্রতি সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানোর দ্বারা মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অফুরন্ত সাওয়াব লাভ করে। যে যত বেশি দান-সদকা করে তার আমলনামা ততই সমৃদ্ধ হয়।

অসহায় মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া সামর্থ্যবান প্রতিটি মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। এমন লোকদের খুঁজে খুঁজে গোপনে দান করলে অবশ্যই অধিক সওয়াব পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে দান ও অন্যের কষ্ট লাঘব, উভয় সওয়াবই পাওয়া যাবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সহমর্মিতা, সহানুভ‚তি ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার এবং বেশি বেশি দান-সদকা করে প্রকৃত গরিব-অসহায়, নিঃস্ব লোকদের পাশে দাঁড়িয়ে অশেষ সওয়াব অর্জনের তাওফিক দান করুন।

লেখক :চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ,শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×