রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

দীর্ঘ চেষ্টায় কলেজ শাখার অনুমোদন: মনোহরগঞ্জে চলছে আনন্দ-উল্লাস, বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ২১ মে, ২০২৩, ১:০১ পিএম
দীর্ঘ চেষ্টায় কলেজ শাখার অনুমোদন: মনোহরগঞ্জে চলছে আনন্দ-উল্লাস, বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার উত্তর হাওলা ইউনিয়নে অবস্থিত উত্তর হাওলা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯৬৫ সালে। তবে এলাকাটির শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য ছিলো না কোন কলেজ।

যার কারণে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকসহ উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়েছে ওই ইউনিয়নসহ আশ-পাশের এলাকাগুলোর শিক্ষার্থীদের। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয়রা ওই এলাকায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

অবশেষে দীর্ঘ ৫৮ বছরের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়েছে। সম্প্রতি উত্তর হাওলা উচ্চ বিদ্যালয়টিতে অনুমোদন হয়েছে কলেজ শাখার। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নাম উত্তর হাওলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।

এদিকে, উত্তর হাওলা উচ্চ বিদ্যালয়টিতে কলেজ শাখার অনুমোদন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উল্লাস চলছে। আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি থেকে শুরু করে প্রতিটি সদস্যদের মধ্যেও।
শনিবার (২০ মে) এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালির।

র‍্যালিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এলাকাবাসী, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি থেকে শুরু করে প্রতিটি সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন অংশ নেন। এ সময় কলেজ শাখার অনুমোদনে অগ্রনী ভূমিকা রাখায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান সকলে।

বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালিটি কলেজের মাঠ থেকে শুরু হয়ে স্থানীয় মুন্সিরহাট বাজার, আতর আলী মার্কেটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় কলেজ মাঠে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মধ্যদিয়ে শেষ হয়।

উত্তর হাওলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো.আবদুল হালিম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এবং অধ্যক্ষ এস এম শেখ কামালের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম রতন, সদস্য শামসুল আলম মজুমদার প্রমুখ। এ সময় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ইয়াকুব শরীফ, খোরশেদ আলম বাহার, ওবায়দুল হক, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদ, উত্তর হাওলা দিঘির পাড় দারুল উলুম মাদরাসার মোহতামিম মো. রুহুল আমিন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহফুজুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা আবু জাফর, আবু আজাদ পাটোয়ারী, উত্তর হাওলা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী সোহাগ, উত্তর হাওলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান পাটোয়ারীসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই অঞ্চলে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারের আলোকে প্রসারিত করতে ২০১৪ সালে সরকারের বর্তমান স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলাম সুপারিশপত্র প্রদান করেন। সেই থেকে শুরু হয় কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা। এরপর ২০১৯ সালে আমরা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাই। অবশেষে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৫৮ বছর পর আমাদের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। গত ১৪মে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো.জহিরুল ইসলাম পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমরা কলেজ শাখার অনুমোদন পাই।

এজন্য এলজিআরডি মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলাম, শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো.জামাল নাছেরসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কলেক শাখার চুড়ান্ত অনুমোদনে এলাকার প্রতিটি ঘরে ঘরে আনন্দের বন্যা বইছে।
অধ্যক্ষ এস এম শেখ কামাল জানান, এখন থেকে উত্তর হাওলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২০২৩-২৪ সেশনে একাদশ শ্রেণিতে মানবিক, ব্যবসা শিক্ষা ও বিজ্ঞান শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। এজন্য এলাকার শিক্ষার্থীরাও আনন্দিত।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: উন্নত সেবার প্রত্যয় এবং ভোজন রসিকদের জন্য অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে রুচিশীল, সুস্বাদু ও টাটকা খাবার পরিবেশনের অনঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া-মুনাজাত এর মাধ্যমে ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অগ্রীম অর্ডার নিয়ে যেকোনো স্থানে উন্নতমানের সকল খাবার সরবরাহ করা সহ সদ্য উদ্বোধনকৃত এ হোটেলে আধুনিক ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন কমিউনিটি সেন্টার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য হলরুম বুকিং এর সু-ব্যবস্থা রয়েছে। মহাসড়কের পাশেই নয়নাবিরাম পরিবেশে এর অবস্থান হওয়ায় দূর-দুরান্তের ভোজন রসিকরাও এখানে খাবার খেতে ছুটে আসবেন বলে হোটেল কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মিয়াবাজার এলাকায় মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের পশ্চিমপাশে নবনির্মিত ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি। অনুষ্ঠানে দোয়া-মুনাজাত পরিচালনা করেন কুমিল্লা আলিয়া মাদরাসার সাবেক হেড মুহাদ্দিস হযরত মাওলানা মো. আবদুর রাজ্জাক।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি বলেন, এটি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়। তথাপিও শুনলাম এ প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে একটি মহল রাজনীতি করার অপচেষ্টা করেছে। বিষয়টি বেশ দুঃখজনক। এ প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ফলে স্থানীয় অন্তত ২০০ লোকের সুন্দর একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। অবস্থা বুঝে মনে হচ্ছে, কারো কারো এটি সহ্য হচ্ছে না। রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হতে হবে মানুষের কল্যাণ করা। এমপি হবো, চেয়ারম্যান হবো, মাস্তানি করা; এগুলো রাজনীতি নয়। রাজনীতি হচ্ছে সবচেয়ে অভিজাত একটি কাজ। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে অত্যন্ত সুন্দর-মার্জিত। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে মানুষের জন্য শিক্ষনীয়। রাজনীতি আর মাস্তানি একসাথে চলে না। সুতরাং, যে দলই আপনি করুন না কেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করুন। আসুন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা যেন এ চৌদ্দগ্রামকে একটি মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত আধুনিক চৌদ্দগ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, সেলক্ষ্যে জনকল্যাণমুখী কাজ করি।

ডা. তাহের আরও বলেন, এখানে এসেই আমি বেশ আনন্দিত হয়েছি। এখানে হযরত ওলামায়ে কেরামদের বিশাল একটা উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ অনুষ্ঠানের বদৌলতে তাদের সাথে আমার সাক্ষাতও হয়ে গেলো। আমার বাবাও একজন আলেম ছিলেন। সুতরা, জন্মগতভাবেই হযরত ওলামায়ে কেরামদের প্রতি সবসময় আমার একটা দুর্বলতা ও ভালোবাসা কাজ করে। উনাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করায় আমি হোটেল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। নিঃসন্দেহে এটিও একটি ভালো ও প্রশংসনীয় কাজ।

তিনি উপস্থিত লোকজনের নিকট প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, এ প্রতিষ্ঠানটি কোন দলের? আওয়ামী লীগের? বিএনপির? জামায়াতে ইসলামীর? না। প্রতিষ্ঠান কোনো দলের হয়না। এটি এলাকার সকল মানুষের। এখানে মানুষ অর্থের বিনিময়ে সেবা গ্রহণ করবে। এটি সার্বজনিন প্রতিষ্ঠান। যারাই উদ্যোগ নেন, তারা সমাজসেবার মানসিকতায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান খোলেন। শুধু ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কখনো এমন প্রতিষ্ঠান চালু করে না। মূলত সেবার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের প্রতিষ্ঠান করা হয়। সুতরাং, আমরা এমন কোনো কাজ করবো না যাতে এ প্রতিষ্ঠান তথা এলাকার মানুষের ক্ষতির কারণ হয়। আমি এ হোটেলের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম-নাঙ্গলকোট সার্কেল) আরিফ মুহাম্মদ শাকুর, চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা জামায়াতের আমীর মুহা. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহিম, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. আলী আজ্জম, মো. হুমায়ুন কবির, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আবদুল মতিন, মাওলানা খাজা আহমেদ, টিআই মোহাম্মদ ফারুক, চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক জিএস খলিলুর রহমান মজুমদার, উজিরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হাশেম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল হাশেম, জামায়াত নেতা শাহ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. আমির হোসাইন, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব এর সুযোগ্য সন্তান ইকবাল মাহমুদ, ইকরাম মাহমুদ, ইমরান মাহমুদ সহ এলাকার বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিপদে মানুষের ভরসা -নেতৃত্বে আলোচনায় দানবীর জুনাব আলীর উত্তরসূরি গোলাম সারোয়ার

কুমিল্লার ডাক ডেস্ক।। প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৭ এএম
বিপদে মানুষের ভরসা -নেতৃত্বে আলোচনায় দানবীর জুনাব আলীর উত্তরসূরি গোলাম সারোয়ার

 

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার ও আশপাশের এলাকায় বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে পরিচিতি পেয়েছেন মো. গোলাম সারোয়ার। শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী দানবীর হাজী জুনাব আলী পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে তিনি সেই সেবার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে গোলাম সারোয়ারের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান স্থানীয় সাধারণ মানুষের একটি অংশ।

বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. গোলাম সারোয়ার কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এবং মহানগর দোকান মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ফাইন টাওয়ারের চেয়ারম্যান। এছাড়া কয়েকটি কমপ্লেক্সের পরিচালকের দায়িত্বেও রয়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গোলাম সারোয়ার সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে গোলাম সারোয়ার নিজেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এলাকার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সচেতনতা কার্যক্রম, খেলাধুলার প্রসারে সহযোগিতা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসায় সহায়তা এবং শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়মিত অনুদান দেওয়ার কথাও জানান স্থানীয়রা।

করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন সংকটময় সময়ে নিজ উদ্যোগে সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কথাও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। তাঁদের মতে, মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতাই গোলাম সারোয়ারকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
স্থানীয় ভোটার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতে, এলাকার উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, গোলাম সারোয়ারের সততা, নম্রতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তাঁকে স্থানীয়দের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

নিমসার ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, গোলাম সারোয়ার আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে এলাকার উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে।
এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশাকে ঘিরে গোলাম সারোয়ারের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নিমসার ও আশপাশের এলাকায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিপদে মানুষের পাশে থাকার যে পরিচয় তিনি গড়ে তুলেছেন, সেটিই এখন সম্ভাব্য নেতৃত্বের দৌড়ে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

×