সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

দেবীদ্বারে বিকাশ কোম্পানির চাপে বিকাশ কর্মীর আত্মহত্যার অভিযোগ

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৯:১৪ পিএম
দেবীদ্বারে বিকাশ কোম্পানির চাপে বিকাশ কর্মীর আত্মহত্যার অভিযোগ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ছিনতাই হওয়া বিকাশের টাকা পরিশোধে বিকাশ কোম্পানির ম‍্যানেজারের চাপে পড়ে ফয়সাল মিয়া(২৫) নামে এক যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (২৭ মে) বিকেলে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন‍্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেছে।

নিহত যুবক ফয়সাল উপজেলার পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বড়আলমপুর গ্রামের সাবেক সেনা সদস‍্য নাছির উদ্দিন বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ এম এস নিজাম উদ্দিন আহমেদ বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্সিতে কর্মরত ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে বিকাশের ৮ লক্ষ টাকা নিয়ে ট্রানজেকশন এর উদ্দেশ্যে বের হয়ে দুপুর আনুমানিক ১টায় মুরাদনগর উপজেলার ডালপা এলাকায় একটি ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়েন। ছিনতাই চক্রের সদস‍্যরা তাকে এলোপাথারী ছুরিকাঘাতে মারাত্মক আহত করে। ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি সেলাই দেওয়া হয়।

ওই ঘটনায় বিকাশ কোম্পানির ম্যানেজারকে সাথে নিয়ে মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ফয়সাল। পরবর্তীতে বিকাশ কোম্পানির ম‍্যানেজার রিপন মিয়া টাকা পরিশোধের জন‍্য ফয়সালকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। ফয়সাল ঈদের পর বিষয়টি নিষ্পত্তি করার অনুরোধ করে। ম‍্যানেজার রিপন মিয়া ঈদের আগেই ফয়সালা করার চাপ দেন। নচেৎ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ‍্য হবে বলে জানায়। এছাড়াও ফয়সাল বিভিন্নভাবে কয়েকলক্ষ টাকা ঋণগ্রস্ত বলে জানা গেছে। এদিকে নিজের কোরবানীর পশু কেনার সামর্থ নেই, উল্টো টাকার চাপ, সন্দেহজনক মিথ্যা অভিযোগের অপবাদ সইতে না পেরে মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে কেরির টেবলেট খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ফয়সাল।

স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন তাঁকে প্রথমে গৌরিপুর ও পরে কুমিল্লা মেডিকেলে সিট না পেয়ে জেলা সদরে রোকেয়া স্পেসালাইজড হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৭ মে) সকালে মারা যায় ফয়সাল।

এ ব‍্যাপারে নিহতের বাবা নাছির উদ্দিন বাচ্চুমিয়া জানান, আমার ছেলে বিকাশে চাকরি করতো, গত বৃহস্পতিবার (২১মে) দুপুরে ডিউটিকালিন অবস্থায় মুরাদনগর উপজেলার ডালপা এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। এসময় তার কাছে থাকা কোম্পানির ৮ লক্ষ টাকা ছুড়িকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা নিয়ে যায়। এ টাকা পরিশোধ করতে আমার ছেলেকে বিকাশ কোম্পানি থেকে চাপ দেওয়া হয়। এই মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আমার ছেলেটা আত্মহত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।

নিহতের স্ত্রী আয়শা আক্তার জানান, দুই বছর হলো আমাদের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের আগে থেকেই সে বিকাশে চাকরি করতো, কিন্তু সেদিন আমার স্বামীকে ছিনতাইকারীরা বেধরক ছুড়িকাঘাত করে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সেই টাকা পরিশোধ করতে ম্যানেজার আমার স্বামীকে চাপ দিতো। সে আমাকে বলতো, আয়শা আমি কাদের জন্য এতদিন কাজ করলাম। এই টাকা নাকি আমাকে পরিশোধ করতে হবে, আমি এখন কি করবো। শেষ মেসেজে সে আমাকে বলেছিল, তোমার সাথে আর কোনোদিন কথা হবেনা আয়শা, তুমি আমার ছেলেটাকে দেখে রেখো। কোনদিন আর দ্বিতীয় বিয়ে করোনা আয়শা। আমি এখন আমার তিনমাসের ছেলেটাকে নিয়ে কি করবো, কিভাবে বাঁচবো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ বিষয়ে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ম্যানেজার অভিযুক্ত রিপন মিয়া বলেন, আমরা তাকে কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করিনি। ছিনতাইকারীর কবলে পড়ার সংবাদে তাকে গিয়ে দেখে আসি। চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। গত সোমবার (২৫ মে) ফয়সালসহ আমরা বাঙ্গরা বাজার থানায় যাই, সেখানে ফয়সাল বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এসময় ফয়সাল কিছু অসংগতিপূর্ণ কথাবার্তা বললেও এ নিয়ে আমরা কিছু বলিনি সত্যতা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। পরে ১শ টাকা নিয়ে সে বাড়িতে চলে আসে। এখন তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি, অফিসের লোকজন পাঠিয়েছি।

এবিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, সংবাদ পেয়ে ফয়সাল নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×