নাঙ্গলকোটে বেপরোয়া কিশোর গ্যাং হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৪
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে প্রকাশ্যে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে, এসময় সাংবাদিকসহ ৪ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নাঙ্গলকোট পৌরসদরের বাইপাস সড়কে অবস্থিত পদ্মা হসপিটাল এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার মিলনায়তনে।
জানা যায়, গত ২১আগস্ট রাতে নাঙ্গলকোট পৌরসভা মান্দ্রা গ্রামের সহিদউল্লার ছেলে নাহিদকে গোত্রশাল ও কোদালিয়া গ্রামের (কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য) কয়েকজন হসপিটালের সামনে থেকে টেনে রাস্তায় নিয়ে যায় এবং তাকে এলোপাতাড়ি কিল, গুশি মারতে থাকে, এসময় নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আব্দুর রহিম বাবলু বাঁধা দিতে গেলে তার সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
পরবর্তীতে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা পদ্মা হসপিটাল এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভিতরে গিয়ে আব্দুর রহিম বাবলুকে মারধর করে।
এ নিয়ে সোমবার সকাল ১১টায় পদ্মা হসপিটাল এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নাঙ্গলকোট পৌর কাউন্সিলর সাদেক হোসেন, জামাল হোসেন সোহাগ এবং নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক তাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজির উপস্থিতিতে বিষয়টি মিমাংসা হলেও পরবর্তীতে কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা হসপিটালের সামনে আব্দুর রহিম বাবলুকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং হুমকি দিতে থাকে। এ সময় আব্দুর রহিম বাবলু প্রতিবাদ করলে পুনরায় পৌরসভা কোদালিয়া গ্রামের সাবেক মেম্বার তাজুল ইসলাম এর ছেলে জীবন এবং গোত্রশাল গ্রামের জয়, শিহাব, রাব্বিসহ আরো ১০-১২ জন কিশোর গ্যাং সদস্য একত্রিত হয়ে হসপিটালের ভিতরে ডুকে আব্দুর রহিম বাবলুর উপর অতর্কিত হামলা করে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে এতে তার শরিরের ভিবিন্ন স্থানে আগাত প্রাপ্ত হয়, এ সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আরো ৩ জন আহত হয় এবং একজনের মাথা রক্তাক্ত হয়। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।











