সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

ফাঁসির মঞ্চ থেকে যেভাবে কারামুক্ত মুক্তিযোদ্ধা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০২৩, ১২:১৩ এএম
ফাঁসির মঞ্চ থেকে যেভাবে কারামুক্ত মুক্তিযোদ্ধা!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লায় মৃত্যুদণ্ড মওকুফ পাওয়া সেই মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্রের ৩০ বছর পর মুক্তি ২০০৮ সালের ৭ এপ্রিল রাত ১১টায় একটি হত্যা মামলায় ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহার। কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষও ফাঁসির যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছিলেন। রাখাল চন্দ্র নাহা গোসল করে হালকা শুকনো খাবার খেয়ে ফাঁসির সেলে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। রাত ১১ টায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মাত্র দেড় ঘন্টা পূর্বে কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির দন্ডাদেশ মওকুফের ওয়ারলেস বার্তা পান। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিনের নিকট আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহার মৃত্যুদন্ডাদেশ মওকুফ করে ৩০ বছর সাজা বহাল রাখেন। ৩০ বছর অন্ধকার কারাগারে থাকার পর রবিবার (২ জুলাই) সকালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মৃত অক্ষয় চন্দ্র নাহার ছেলে বীর মুক্তিযুদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহার বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে। তার মুক্তির খবরে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে জমি জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে জেঠাতো বোনের জামাই দীনেশ চন্দ্র দত্তকে হত্যার অভিযোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা ও তার ভাই নেপাল চন্দ্র নাহার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করে দীনেশের পরিবার। মামলার পর রাখাল চন্দ্রকে আটক করা হলেও নেপাল চন্দ্র নাহা কয়েক বছর পলাতক থাকার পর মারা যান। ওই মামলায় ২০০৩ সালের ২০ জানুয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। পরে ওই মৃত্যুদন্ড মওকুফ করার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ কাছে দাবি জানান বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাবেক সেনা প্রধান মঈন ইউ আহমেদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা। এরপর ২০০৮ সালের ৩০ জুন তার মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে যাবজ্জীবন সাজা দেন রাষ্ট্রপতি।
মুক্তি পেয়ে সোমবার সকালে রাখাল চন্দ্র নাহা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ভগবান আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আমার মৃত্যুদন্ড মওকুফের খবর পেয়ে পুরো কারাগারেও আনন্দ করেছে অন্য কয়েদী ও সাধারণ আসামীরা। সবাই জানতো রাতে আমার ফাঁসি কার্যকর হবে। এজন্য দিনের বেলাও অনেক আসামী ও কয়েদী পুলিশ আমার সাথে দেখা করতে এসেছেন। রাত ১১ টায় আমার ফাঁসির সময় দেওয়া হয়েছে। আমি গোসল ও হালকা শুকনো খাবার খেয়ে সেলে বসে ছিলাম। বুক তখন ধরফর করে কেপে উঠছিল, চোখে মুখে বাঁচার আকুতি ছিল, সেলে কেউ আসলেই মনে হতো এই বুঝি আমাকে ফাঁসির কাষ্ঠে নিয়ে যেতে এল! কারা পুলিশ আমাকে শেষ খাবার খাওয়াতে এসেছিলো, আমি কিছুই খাইনি। একটু পর পর ডাক্তার আসে শরীর পরীক্ষা-নিরিক্ষা করতেন। আমার বুক ধরফর করতে দেখে আমাকে বলেছিল আমি যেনো শান্ত থাকি। মৃত্যুদন্ডের দেড় ঘন্টা আগে এক কারা পুলিশ এসে আমাকে জানায় রাষ্ট্রপতি নাকি আমার মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করেছে। আমি সে দিন আনন্দে চিৎকার দিয়েছিলাম। বিনা অপরাধে অন্ধকার কারাগারে ৩০ টি বছর পার করেছি। কারাগারের একদিন ছিল আমার কাছে ১ হাজার বছরের মত। যেদিন দীনেশ কে হত্যা করা হয় সেদিন আমি বাড়ি ছিলাম না, আমার সম্পত্তি ভোগ দখল করার জন্য আমাকে দীনেশ হত্যায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। আমি মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। এ দেশই আমাকে বিনা কারণে ৩০ বছর কারাগারে রেখেছে।

রাখাল চন্দ্র নাহার স্ত্রী গীতা রানী নাহা বলেন, যখন আমার স্বামী জেলে যায় তখন আমার বয়স ছিল ২৫ বছর। এখন আমার বয়স ৬৫ বছর। একটি মিথ্যা মামলায় আমার সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি সন্তানদের ছেড়ে কোথাও যাইনি। এ সংসার আঁকড়ে রেখেছি। আর আমার স্বামী কবে মুক্তি পাবে সে অপেক্ষা করছিলাম। আমি তাকে ৩০ বছর পর কাছে পেয়েছি। এ বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি আরও বলেন, আমার চার সন্তানের মধ্যে কেউ শিক্ষিত নয়। তাদের বাবা জেলে যাওয়ার পর অর্থের অভাবে কাউকে লেখা পড়া করাতে পারিনি। আমার স্বামী জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছে আমি অনেক খুশি।

আমরা মুক্তিযুদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ন কবির বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র নাহা হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ছিলেন না। তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসিয়ে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। পরে আমারা আন্দোলন করে তার মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করাই।

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, জমি জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে জেঠাতো বোনের স্বামী দীনেশ চন্দ্র দত্তকে খুনের অভিযোগে গত ১৯৯৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বন্দি অবস্থায় কারাগারে আসেন রাখাল চন্দ্র নাহা। তার (কয়েদি বন্দি নং- ৪১৮৯/এ)। ২০০৩ সালের ২০ জানুয়ারী তার মৃত্যুদণ্ড আদেশ দেওয়া হয়। পরে ২০০৮ সালের ৩০ জুন তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ সংশোধিত হয়ে যাবজ্জীবন সাজা হয়। তার অর্জিত রেয়াত ছিল ৫ বছর ৭ মাস ২ দিন। ২ জুলাই সকালে সাজার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় তাকে মুক্তি দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, রাখাল চন্দ্র নাহা প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করলে তার আবেদন নামঞ্জুর হয়। পরে ২০০৮ সালের ৭ এপ্রিল রাত ১১ টায় তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার কথা ছিল। ওইদিন ফাঁসির দন্ডাদেশ কার্যকর করার মাত্র দেড় ঘন্টা পূর্বে রাত সাড়ে ৯টায় তৎকালীন সেনা প্রধান মঈন ইউ আহমেদের সুপারিশে যারা দেশ স্বাধীন করেছেন তাদের ষড়যন্ত্র মামলায় জড়িয়ে ফাঁসি হতে পারেনা এই মর্মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিনের নিকট আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি তার মৃত্যুদন্ডাদেশ মওকুফ করে ৩০ বছর সাজা দেন।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×