বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

ময়নামতি স্কুল এন্ড কলেজ : দূনীতির অভিযোগে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত অদৃশ্য ইশারায় পুনর্বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৩, ৭:৫৭ পিএম
ময়নামতি স্কুল এন্ড কলেজ : দূনীতির অভিযোগে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত অদৃশ্য ইশারায় পুনর্বহাল
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপ্যাল মোঃ শাহজাহানের বিরুদ্ধে পরিচালনা পরিষদ ২৪ লাখ টাকা অনিয়মের অভিযোগ এনে সাময়িক বরখাস্তের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে গোপন ইশারায় আবারো তাকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। এদিকে তাকে সাময়িক অব্যাহতির পর অপেক্ষাকৃত একজন নবীণ প্রভাষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করায় সব অভিযোগের তীর এখন সেই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দিকে।

দায়িত্বশীল একাধিক সুত্রে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ময়নামতি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটি চলতি বছরের জুন মাসে ২৪ লক্ষ টাকা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। এসময় বেশ ক’জন সিনিয়র শিক্ষককে টপকিয়ে প্রভাব খাটিয়ে মুজিবুর রহমান নামের একজন অপেক্ষাকৃত নবীন প্রভাষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পান। পরবর্তিতে সরকারী নিয়ম-নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অজ্ঞাত ইশারায় বোর্ড ও মাউসি’র  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কে অবহিত না করেই আবারো বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সুত্র মতে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্বসাতের অভিযোগ এনে তাকে সাময়িক বরখাস্তের পর তার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমুলক ব্যবস্থা না নিয়ে আবারো স্বপদে পুনর্বহালের বিষয়টির নৈপথ্যে রয়েছে গোপন সমঝোতা। এদিকে অন্য একটি সুত্র জানায়, অনেক সিনিয়রকে ডিঙ্গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ পদ পেতে মরিয়া মুজিবুর রহমান। সেজন্য ম্যানেজিং কমিটিকে ম্যানেজ করে তিনি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছেন। সূত্র আরো জানায়, অধ্যক্ষকে পুনর্বহালের নামে ম্যানেজিং কমিটি এক পর্যায়ে ইউএনও, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আইন উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন দফতরে দৌড়ঝাপ করে সমঝোতার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে ম্যানেজিং কমিটি অদৃশ্য ইশারায় নিজেরাই বিষয়টির সমঝোতা করে ফেলে।  অভিযোগ এনে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করার পর কোন ক্ষমতাবলে কোন ব্যবস্থা ছাড়াই কিভাবে স্বপদে অধ্যক্ষকে পুনর্বহাল করা হলো এবিষয়ে জানতে চাইলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য হাজি তারিক হায়দার বলেন, দূর্নীতি হয়েছে, তবে ২৪ লাখ টাকার না। যেহেতু কিছু দূর্নীতি-অনিয়ম হয়েছে সেজন্য ম্যানেজিং কমিটি নিয়ম-নীতি মেনে ৫% ধরে জরিমানা করে স্বপদে অধ্যক্ষকে পুনর্বহাল করা হয়।

সাময়িক বরখাস্ত করে সন্মানহানীর বিষয়ে অধ্যক্ষ শাহজাহান এর সাথে যোগাযোগকরা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত অর্থ আত্বসাতের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি সম্পুর্ন নিয়ম-নীতি মেনে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় কার্য সম্পন্ন করি। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সম্পূর্ণ বিষয়টি পূর্বেও কমিটির অনুমোদন প্রাপ্ত। বর্তমান কমিটি আমাকে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে হেনস্তা করার জন্য আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে।

অনিয়ম ভঙ্গ করে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ’র পদ নেওয়া প্রসঙ্গে মুজিবুর রহমান বলেন, ২৪ লাখ টাকার দূর্নীতির বিষয়টি সত্য। আমাকেসহ অডিট কমিটির অন্য বাকী ৩ জন সদস্যও অডিট করে ২৪ লাখ টাকা দূর্নীতির সত্যতা পায়। প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আশিষ কুমার সাহা বলেন, ২৪ লাখ টাকার মধ্যে যে দূর্নীতির অভিযোগটি উঠেছে সেটা প্রিন্সিপ্যালসহ পূর্বেও ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদনে হয়েছিল। অপর সদস্য আজাদ চৌধুরী বলেন, প্রিন্সিপ্যাল শাহজাহান সাহেব গত এক বছরে সাড়ে ৭ লাখ  টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে ভাতা দেখিয়েছেন। যা খুবই অসংলগ্ন এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন শ্রেনীর পরীক্ষাসহ অন্যান্য কাজে যেখানে কাগজের প্রয়োজন সর্বোচ্চ প্রায় ২’শ রীম, সেখানে প্রিন্সিপ্যাল প্রায় সাড়ে ৪’শ রীম কাগজ ক্রয়ের হিসেব দাখিল করেছেন। যা ছিল একটি অনিয়মের অংশ।

সরকারী অনুদান পাওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করে মাউসি’র পরিচালককে না জানিয়ে আবারো স্বপদে পুনর্বহাল করতে পারে কিনা ম্যানেজিং কমিটি এবিষয়ে  মাউসি’র পরিচালক সমেশ কর বলেন, আমাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। এছাড়াও তিনি আরো বলেন, একাধিক (৭ জন) সিনিয়র কে ডিঙ্গিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুন একজন প্রভাষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ্যের দায়িত্ব দিয়ে চরম দৃষ্ঠতা দেখিয়েছে।

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসার মোঃ জামাল নাছের বলেন, বিষয়টি অফিসিয়ালি আমাদেরকে বলা হয়নি। একাধিক সিনিয়রদের ডিঙ্গিয়ে নবীন একজন প্রভাষককে নিয়োগ একেবারেই অবৈধ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের বিশেষ দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম
ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের বিশেষ দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: আগামী ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ১১ দলীয় জোটের ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিশেষ দায়িত্বশীল পর্যায়ে প্রস্তুতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান এর সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহিম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা জামায়াতের কর্ম-পরিষদ সদস্য মো. জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মো. মোশাররফ হোসেন ওপেল, উপজেলা জামায়াতের কর্ম-পরিষদ সদস্য ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, মো. কামাল উদ্দিন মজুমদার প্রমুখ। এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ সহ বিশেষ দায়িত্বশীলগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গণদাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১১ দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চকে কেন্দ্র করে আগামী শনিবার বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে চৌদ্দগ্রামে বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়াও ১১ দলের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ব্যাপক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় নেতৃবৃন্দকে বরণ করা সহ উত্থাপিত সকল গণদাবী আদায়ের লক্ষ্যে চৌদ্দগ্রামের সর্বস্তরের জনগণকে উক্ত পথসভায় উপস্থিত থাকার জন্য উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়েছে।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার (জিআর ওয়ারেন্ট) ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজিজুল মোঃ সম্রাট (২০) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি জিআর ওয়ারেন্ট থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার মোঃ আনিসুজ্জামান তুহিন (২২) চান্দিনা উপজেলার লেবাস এলাকার মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোবাইল কোর্ট তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গমরাহদহ এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে দিলীপ দাস (১৯) এবং রুহিয়া থানার কানীকশানগাঁও এলাকার সুশীল বর্মনের ছেলে অরূন কুমার বর্মন (১৯)-কে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবাইল কোর্ট তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত অরূন কুমার বর্মনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

×