বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

লালবাগে আরেক ভয়াবহ ফর্মা আতঙ্কের নাম বিল্লাল হোসেন

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩, ৩:৪৮ পিএম
লালবাগে আরেক ভয়াবহ ফর্মা আতঙ্কের নাম বিল্লাল হোসেন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফর্মা বিলাল হোসেন নামে পরিচিত কিন্তু সাধারণ জনগণের কাছে ফরমা বিল্লাল নামেই বেশ পরিচিত। লালবাগের সাধারণ জনগণের কাছে এখন সে এক আতঙ্কের নাম। চাহিদামত দাবি পূরণ না হলে, যে কাউকেই ফাঁসাতে পারে সে। শুধু তাই নয়, হত্যা-খুন-চাঁদাবাজিতেও পারদর্শী হয়ে উঠেছে এই ফর্মা বিল্লাল। লালবাগের সাধারণ মানুষকে জোরপূর্বক হামলা-মামলা, হুমকি-ধামকি, ইয়াবা ব্যবসা, চাদাবাজী, দখলবাজীসহ এমন কোন কুর্মকা- নেই যা করেন না সে। তার অত্যাচার এবং বিভিন্ন সময়ে করা প্রতারনায় এখন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। এমন অবস্থায় তাকে দ্রুতই গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানিয়ে মানবন্ধন করেছেন লালবাগবাসী।

মঙ্গলবার দুপুরে বেড়িবাধে অনুষ্ঠিত এই মানবন্ধনে অংশ নেন ভূক্তভোগী একাধিক পরিবার। ভূক্তভোগী ছাড়াও এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ফর্মা বিল্লালের শাস্তি এবং তাকে দ্রুতই আইনের আওতায় আনার আহব্বান জানান। মানবন্ধনে উপস্থিত থেকে এই প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের অন্যতম সদস্য জিয়াউর রহমান কোয়েল। তিনি বলেন, ‘ফর্মার প্রতারণায় শত শত পরিবার পথে বসে গেছে। সে লালবাগের পুষ্পশা পুকুরপাড়, বাঁশপট্টি, বালুরঘাট, কয়লাঘাট, শহিদনগর ২ নম্বর গলি, শ্মশানঘাট, আইডিয়াল স্কুল, আনোয়ার হোসেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, বালুরঘাট পাইপ কারখানা, চান্দা ব্যাটারির গলি, শহিদনগর ট্রাকস্ট্যান্ড, হক্কুল এবাদ ব্রিজসহ প্রায় ১০ স্পটে খুচরা ইয়াবা বিক্রি করে। তার একাধিক সহযোগীও রয়েছে।

আমি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তাকে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তির জোড় দাবী জানাই।
লালবাগ থানার ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ হাসমত বলেন, ফরমা বিল্লাল একসময় বেড়িবাঁধে শশা, গাজর, আচার বিক্রি করতো। ধীরে ধীরে সে লালবাগ থানার সোর্স হয়ে উঠে। তখন থেকেই অদৃশ্য শক্তির সহায়তায় মাদক এবং ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সে। তিনি আরও বলেন, এসব কর্মকা-ে জড়িয় পড়ার কারণে লালবাগ এবং নিউমার্কেট থানায় অন্তত ৫টি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি অস্ত্রসহ গ্রেফতারও হয়েছিল এই ফর্মা বিল্লাল।

লালবাগ বাড়ি মালিক সমিতির সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান ভুট্টো জানান, ইজিবাইক, অটোরিকশা কার্ড বাণিজ্য, মদ খেয়ে মানুষকে মারধর করাসহ বিভিন্নভাবে হেনস্তা করাটা এই ফরমার নিয়মিত স্বভাব। দিনমজুরী রিনা খাতুন নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, সমতির নাম করে আমার কাছ থেকেও ২০হাজার টাকা নেয় বিল্লাল। কিন্তু আজ পর্যন্ত সে আমার টাকা পরিশোধ করেনি। চাইতে গেলেই বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দেয় এখন।

লালবাগ থানার নির্মাণ শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহনেওয়াজ ভুট্টো বলেন, ‘বিল্লালের বাবা গণি ছিল বিএনপির সন্ত্রাসী জসিম গ্রুপের সহকারী। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যায়। এরপর গণির ছেলে বিল্লাল ভ্যান গাড়িতে করে শশা, আচার, আমরা, গাজর এবং কলা বিক্রি করে সংসার চালাত। কিন্তু ধীরে ধীরে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেন কৌশলে। এরপর থেকেই এই এলাকায় তার উত্থান। বিভিন্নভাবে মানুষ ঠকিয়ে, প্রতারণার মাধ্যমে বর্তমানে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়ে গেছে বিল্লাল। অসাধু উপায়ে বিপুল অর্থ উপার্জন করে তার জন্মস্থান শিবচরে বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেছেন। সেইসঙ্গে দুটি প্রাইভেটকারের মালিকও বনে গেছেন তিনি। গড়ে তুলেছেন মাল্টিপারপাজ সমিতি। লালবাগ থানার জনি নামের এক ভুক্তভোগী জানান, আমার এক প্রাইভেটকার বিল্লাল কিনে নেয়। কিন্তু টাকা চাইলে না দিয়ে উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা করে আমাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয় এই ফর্মা বিল্লাল। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লালবাগ থানার পুলিশ কর্মকর্তা মনোয়ার বলেন, আমরা নিজেরাও ফর্মা বিল্লালের ধারা বিভিন্ন সময় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব প্রতারণা করে থাকে সে। তার বিরুদ্ধে দ্রুতই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব আমরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বিল্লাল ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে উঠছে। তার বিরুদ্ধে যে কোন সময়ই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত রয়েছি আমরা।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×