বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সৌদি আরবে সড়ক দূর্ঘটনায় বাংলাদেশ প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন মীরের মৃত্যু

মোঃ বিল্লাল হোসেন,দেবীদ্বার প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০২৩, ৬:৩৯ পিএম
সৌদি আরবে সড়ক দূর্ঘটনায় বাংলাদেশ প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন মীরের মৃত্যু
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নিকট নিহত গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী রাবেয়া বেগমের আকুল আবেদন স্বামীর লাশটি যেন দেশে আনার ব্যবস্থা করে দেন।

ওমরাহ হজ্জ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় গিয়াস উদ্দিন মীর (৪৯) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। এ খবরে বুধবার (২৯ মার্চ) নিহত ওই প্রবাসীর কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার গ্রামের মীর বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম। তার এই মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। কান্নার রোল চলছে স্ত্রী মোসাঃ রাবেয়া আক্তারসহ স্বজনদের মাঝে।

ছয় বছরের শিশু আমেনা জন্মের পর দেখেনি তার প্রবাসী বাবার মুখ। মায়ের আর্তচিৎকারে ও শিশু আমেনার বুঝতে পারেনা যে তার বাবার মুখ চিরতরে আর কখনো দেখবেনা।

নিহত গিয়াস উদ্দিন ২০০১ সাল থেকে তিনি সৌদি আরবে প্রবাস জীবন শুরু করেন। ০৭ বছর আগে ও একবার দেশে এসেছিলেন গিয়াস উদ্দিন। তার ১ ছেলে, ২ মেয়ে। বড় ছেলে মো. আবদুর রহমান (১৬), মেঝো মেয়ে মোসাঃ সাদিয়া আক্তার (১২) ও ছোট মেয়ে মোসাঃ আমেনা আক্তার (০৬) । নিহত গিয়াস উদ্দিনের বড় ভাই জসিম উদ্দিন ও দীর্ঘদিন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় বছর খানেক আগে।

গিয়াস উদ্দিন মীরের স্ত্রী মোসাঃ রাবেয়া আক্তার (৩৬) এর সাথে মোবাইল ফোনে ২৭ মার্চ সকালে সর্বশেষ কথা বলেছিলেন গিয়াস উদ্দিন মীর। তিনি বলেছিলেন আমি ওমরাহ হজ্ব পালন করে আগামী ২ এপ্রিল দেশে আসবো আমার জন্য দোয়া কইরো আমার ছেলে মেয়েদের দেখে রাইখো। ২৮ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সৌদি থেকে খবর আসে তার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

নিহতের বড় ছেলে দশম শ্রেণির ছাত্র আব্দুর রহমান হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েছে। সে বলে আমার বাবার লাশ কেমনে দেশে আনবো, আমাদের তেমন টাকা পয়সা নেই, সরকার কি আমার বাবার লাশ আনতে ব্যবস্থা করবে? সৌদিতে আমাদের কোনো আত্মীয়-স্বজন ও নেই।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২২ বছর আগে পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরব যায় গিয়াস উদ্দিন মীর। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও কোনরকম ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও পরিবারের আর্থিক খরচ চালিয়ে কোনরকম চলছিল তার পরিবার। কিন্তু তেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা করতে পারেনি। তার এই মৃত্যুতে এখন নি:স্ব তার পরিবার।

গিয়াস উদ্দিন মীরের নিহতের খবর পেয়ে বুধবার সকাল থেকে প্রতিবেশী ও স্বজনরা ভিড় করতে থাকেন তার বাড়িতে। প্রায় ৭ বছর আগে শেষ বার দেশে এসেছিলেন মো. গিয়াস উদ্দিন মীর। পরিবারের সবাইকে কথা দিয়েছিলেন ওমরাহ শেষে আগামী রোববার তার দেশে ফেরার কথা। পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ করবেন কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায়।
বুধবার দুপুরে সরেজমিনে রাজামেহার গ্রামে মীর বাড়িতে যেয়ে দেখা যায় নিহত গিয়াস উদ্দিনে স্ত্রী রাবেয়া বেগম(৩৬) চিৎকার ও আহাজারী করে বলছেন আমার স্বামীর মরদেহ দেখতে চাই।

স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ২২ বছর আগে গিয়াস উদ্দিন মীর চাকরির উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যায়। তার পাঠানো টাকাতেই তার পরিবারে স্ত্রী ও তিন ছেলে মেয়েসহ তার ৮০ বছরের বৃদ্ধ বাবা আব্দুল হামিদ মীর কোন রকম স্বাভাবিক জীবন যাপন করতো। এখন তাদের পরিবারে নেমে এলো দারিদ্রতার ছাপ এবং খুব কষ্টে দিন যাপন করতে হবে।

নিহত গিয়াস উদ্দিন মীরের বাবা হামিদ মীর কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, আমার বড় ছেলে জসিম এক বছর আগে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এখন আবার ছোট ছেলে গিয়াস উদ্দিন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। আমার দুই ছেলে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছি।
ভাগ্য বদলের আশায় ছেলেকে সৌদি আরব প্রবাসে পাঠান তিনি। সড়ক দূর্ঘটনায় কেড়ে নেয় তার ছেলের প্রাণ। ছেলের মৃত দেহটি শুধু এখন ফেরৎ চান তিনি।

নিহত গিয়াস উদ্দিন মীরের শশুর খাইরুল আলম জানান, বছর খানেক আগে তার ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার এর জামাই দুইটি কিডনি বিকল হয়ে মারা যায়। বছর পেরুতেই আজ মেঝো মেয়ে রাবেয়া আক্তারের জামাই গিয়াস উদ্দিন মীর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে আসির প্রদেশের আবহা সংযোগে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার পর বাস উল্টে গিয়ে গাড়িতে আগুন ধরে যায়। এই দুর্ঘটনায় গিয়াস উদ্দিন মীরসহ নিহত ১৩ জনের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতম। নিহত বাংলাদেশীদের মধ্যে গিয়াস উদ্দিন মীরের গ্রামের বাড়ী দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নে।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×