সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

চান্দিনার উপজেলা সভাপতিসহ বিএনপি ও এলডিপির ২৬ নেতা কর্মী কারাগারে

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩, ১০:৩০ পিএম
চান্দিনার উপজেলা সভাপতিসহ বিএনপি ও এলডিপির ২৬ নেতা কর্মী কারাগারে
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বিএনপি মহাসচিব এর নিন্দা

 

কুমিল্লার চান্দিনায় বিএনপির পদযাত্রায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপি ও এলডিপি’র ২৬ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এ ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১টায় কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন তাদেরকে কারাগারে পাঠান। তাদের মধ্যে ১৮জন বিএনপি ও ৮জন এলডিপি নেতা।

আটককৃতরা হলেন- চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আতিকুল আলম শাওন, সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ভিপি শাহীন, উপজেলা যুবদল সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের, পৌর যুবদল সভাপতি হাজী নুরুল ইসলাম মুন্সি, উপজেলা বিএনপি দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, মাধাইয়া ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক খায়রল কবির সুমন, দেবীদ্বার উপজেলা যুবদল য্গ্মু আহবায়ক মো. রবিউল আওয়াল সাইফুল, সুলতানপুর ইউনিয়ন যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন খান, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক মো. শরীফ উদ্দিন সোহেল, সদস্য মো. নাজমূল, স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, গণতান্ত্রিক ছাত্রদল চান্দিনা উপজেলা শাখার সভাপতি রাজিব ভূইয়া, গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সাক্কু সহ আরও ১২ নেতা-কর্মী জন।

জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকায় বিএনপি’র পদযাত্রা চলাকালে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় সেইদিন দিবাগত রাত (২৬ ফেব্রুয়ারী) চান্দিনা থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় ৩৬জনের নাম উল্লেখসহ ১৬০জন অজ্ঞাতামা আসামী করা হয়। ওই মামলায় তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নিয়ে কুমিল্লা বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৬ সপ্তাহ শেষে মঙ্গলবার কুমিল্লা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন বিএনপি ও এলডিপি নেতা-কর্মীরা। এসময় বিজ্ঞ জজ তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এলডিপি নেতা-কর্মীদের আইনজীবী আতিকুল আলম সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ আমরা উচ্চ আদালতের নির্দেশক্রমে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছি। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত নেতা-কর্মীদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রকৃতপক্ষে ওই ঘটনার সাথে তারা কেউ জড়িত ছিল না। বিএনপি নেতা-কর্মীদের পক্ষে কুমিল্লার সিনিয়র আইনজীবী কাইমূল হক রিংকুসহ আরও ৩জন।

এদিকে, বিএনপি ও এলডিপি নেতা-কর্মীদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর বরাদ দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তির বার্তা প্রকাশ করেন বিএনপি’র সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের মাধ্যমে আওয়ামী কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশে স্বৈরাচারী শাসন বলবৎ রেখেছে। নিষ্ঠুর দমননীতি ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি তাদের অগ্রাহ্যের কারণে সমগ্র দেশটাই এখন কারাগারে পরিণত হয়েছে। অবিরাম গতিতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মীদেরকে গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক কাহিনী তৈরি করে মামলা দায়ের করা হচ্ছে, গ্রেফতার করে কারান্তরীণ রাখা হচ্ছে। ভুয়া, বানোয়াট ও সাজানো মামলায় কুমিল্লা জেলা ও ঝালকাঠি জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ বর্তমান জনবিচ্ছিন্ন সরকার কর্তৃক সংগঠিত অপকর্মগুলোরই ধারাবাহিকতা। মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং বর্তমান সরকারের সকল অপকর্ম ও দুঃশাসন রুখে দিতে জনগণকে বজ্রকঠিন শপথ নিতে হবে’।

বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে কুমিল্লা উত্তর ও ঝালকাঠি জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অসত্য মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহবান জানান।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×