সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

মোঃ বিল্লাল হোসেনঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৩, ৪:৫৫ এএম
কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘ একবছর দুই মাস ১০ দিন পর ৯৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন পেল কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিএস সুমন সরকার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন সরকার।
এর আগে ১৮ই এপ্রিল কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি। দীর্ঘ এক বছর দুই মাস ১০ দিন আগে ২০২২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিএস সুমন সরকারকে সভাপতি ও লিটন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাম ঘোষণা করেন।কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ। তখন তাদেরকে এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে দেয়ার কথা ছিলো।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির অন্যরা হলেন– সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ মো. জুনায়দে আনোয়ার, মো. ফখরুল আলম সরকার, মো. ফয়সাল বারী মজুমদার মুকুল, মো. মাহবুব আলম সরকার, মনিরুল্লাহ সিকদার (মেঘনা), ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমেদ ও মোহাম্মদ ছালাহ উদ্দীন।

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার যাদব রায়, মো. নুরনবী ও কামরুল হাসান। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন আপন, রায়হানুল ইসলাম অনিক ও দেলোয়ার হোসেন। প্রচার সম্পাদক আবদুর রহমান মানিক সরকার, দপ্তর সম্পাদক মো. দারুস সালাম শুভ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রোবেল সরকার, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মিয়া মো. মতিউর রহমান ইউসুফ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. ফরহাদ উল্লাহ সিকদার, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. হীরা রায়, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো. শরীফুল ইসলাম, সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফ মহসিন সিকদার মুন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম সরকার, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. রাসেল সরকার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো. মনির হোসেন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অহিদুন্নেসা উর্মী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. ফারুক আহমেদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক কাজী বাবুল হোসেন (বাবু), প্রশিক্ষকন ও কর্মশালা বিষয়ক সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম শামীম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল ইসলাম মিনহাজ, শিশু ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আল খোমীনী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুমন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহীন আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. জসীম, প্রতিবন্দ্বী বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আলীম বেপারী, উপ-প্রচার সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনির, উপ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন ভূইয়া, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আলা উদ্দিন, উপ- আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মো. আল আমীন সরকার, উপ- মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তানজিলা সুলতানা ইরা।

কমিটির সদস্যরা হলেন, বিল্লাল মজুমদার, বিএম জাবেদ, মো. মোবারক হোসেন, হাজী শামীম হোসেন, মো. শেখ ফরিদ, ডা. ছাত্তার, সোহরাব হোসেন বেলাল, ওমর ফারুক, লিয়াকত ফরাজী, সমীর দাস, মুহিব হাসান মাহফুজ, মো. মেহরাব সিকদার সবুজ, মো. জাকারিয়া সরকার, বাবুল আলীখান, মো. রেজাউল, মো. আলাউদ্দিন, সহিদুল্লাহ সরকার রুবেল, মো. শামীম মোল্লা, মো. লুৎফর রহমান লাখ মিয়া, মো. রেজাউল করিম ফরাজী, মো. বাবুল মিয়া, আবদুল্লাহ আল-মামুন, মোস্তাফিজুর রহমান (নাঈম), মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল মামুন, মো. রফিকুল ইসলাম নীরব, আমিনুল ইসলাম সরকার, মো. নিজামউদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, মো. আরিফ, মো. জাকারিয়া, মো. মমিন ভূঁইয়া, মো. আলমজিদ (সুমন), খন্দকার মেহেদী হাসান, খায়রুল ইসলাম টিটু, মো. মহিউদ্দিন শাহ, মো. শাহ আলী মোল্লা, সাগর আহম্মেদ, মো. আজিজুল হক খোকন, মো. জাবেদ পাঠান, মো. মেজবা উদ্দিন সোহেল, মো. আবুল বাশার, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মো. মনিরুল ইসলাম, ইমরুল কায়েস শিপলু (খান) ও মো. মেহেদী হাসান।

তবে, পূর্ণাঙ্গ এ কমিটিতে এখনো সহসভাপতি পদে ৪টি, ডিজিটাল আর্কাইভ ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক পদে একটি, উপ- ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদ একটি ও ৫টি সদস্য পদসহ ১১ টি পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×