সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি (বিপ্রাছাস) পূর্ণঃকমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৮ মে, ২০২৩, ৪:৩০ পিএম
বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি (বিপ্রাছাস) পূর্ণঃকমিটি গঠন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি(বিপ্রাছাস) মোঃ আবুল কাশেম আহবায়ক ও মোঃ মনছুর আহমেদ জীবনকে সদস্য সচিব করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট পুর্নঃকমিটি গঠন করা হয়।

সংগঠনটি একটি সার্বজনীন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান ১৯৫৮ ইংরেজি সালে মরহুম জয়নাল আবেদীন সাহেবের কল্যাণে তৎকালীন জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিত্ব জনাব আলী আকবর চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠা অর্জন করে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে আরো অনেকেই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সহায়তা করেন।

উল্লেখযোগ্য, মরহুম জনাব আলী আকবর চেয়ারম্যান, মরহুম জনাব হাজী নুর মিয়া, মরহুম আব্দুর রহমান মজুমদারসহ অনেকে এই প্রতিষ্ঠানে ভূমি দান করেন। এছাড়া আরো অনেকেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন।

এই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে পরবর্তী পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে ব্যক্তি জীবনে এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক জীবনে সফলকাম এবং অনেকেই আছেন যারা আমাদের উত্তরসূরী – ভবিষ্যতে সফলকাম হবেন।

বি-প্রাছাস একটি কল্যাণকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯২ সালে মরহুম জনাব জাকির হোসেন এবং জনাব আবুল বাশার, ডাক্তার ইসহাকসহ অনেকে মিলে প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেই সময় স্কুলের বিভিন্ন সমস্যায় উনারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন, যেটা ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এবং স্কুলেরও অনেক সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন।

এ সংগঠনটি কয়েক বছর কাজ করার পরে হঠাৎ নিষ্প্রাণ হয়ে পরে। এর পিছনের কারণগুলো মূলত অনেকের ব্যক্তিগত অথবা অন্য যেকোনো কারণে কার্যক্রম গুলো সফল করতে পারেন নি। দীর্ঘ ৩০ বছর পরে কয়েকজনে এই সংগঠনকে পুনরায় উজ্জীবিত করার জন্য কাজ করে করেছেন। আবুল বাশার সাহেব/সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ডাক্তার ইসহাকসহ আরো অনেক বিজ্ঞ প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের উৎসাহে পুনরায় সংগঠন দাঁড় করানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন।

বাইয়ারা গ্রামের হাই স্কুলটি একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে বৃহত্তর জোডডা ইউনিয়নের এমন কোন গ্রাম নাই, যেই গ্রামের সন্তানেরা এই স্কুলে পড়েন নাই। এখনো যদিও অনেক গ্রামে যেহেতু এটা একটা ছাত্রদের কল্যাণকর এবং অনেকের পুরনো স্মৃতি বিজড়িত রয়েছে। তাই সকলের চিন্তা চেতনায় এই যে, স্কুলের এই প্রতিষ্ঠান থেকে সবাই মিলে “বি-প্রাছাস”কে একটি কল্যাণকর সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে আগের মতো সেই উচ্ছ্বাস জাগিয়ে সম্মিলিতভাবে অত্র ইউনিয়নের ছাত্রদের জন্য কল্যানকর, আধুনিক শিক্ষায় উৎসাহিত করার এই প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত সহযোগিতা করবেন।

প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়ে পরবর্তীতে সংগঠনটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের উপরে দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারে এবং সমাজের বৃত্তবান জ্ঞানীগুণীসহ সকল স্তরের, সকল স্তরের মানুষের , প্রাক্তন ছাত্রদের উচ্ছ্বাসকে সাথে নিয়ে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে, সেই লক্ষ্যে বর্তমান আহবায়ক কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। স্বল্প পরিসরের আয়োজনে সভার সভাপতি/ উপদেষ্টা এবং “বি-প্রাছাস” এর সাধারণ সম্পাদক প্রাক্তন ছাত্রদের উপস্থিতিতে অনুমোদিত এই কমিটিতে বিভিন্ন গ্রামের অনেকেই যুক্ত আছেন।

“বি-প্রাছাস” বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রিক একটি স্বতন্ত্র সংগঠন এবং যেকোনো প্রতিষ্ঠানের তন ছাত্র সংগঠন শুধুমাত্র প্রাক্তন ছাত্ররাই পরিচালনা করে সেহেতু এখানে কোন ব্যক্তি বিশেষের বা কোন নির্দিষ্ট ভাবে সমাজের জন্য বা কোন গোষ্ঠী বা মহলের জন্য বিশেষভাবে কাজ করার অবকাশ নেই।

যেকোন প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন সবসময় তাদেরকে নিয়ে পরিচালিত হয়। এখানে স্মৃতির টানে, নাড়ীর টানে সবাই একসাথে আনন্দদায়ক এবং কল্যাণকর কাজে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করার প্রয়াসে মিলিত হয়। এ মিলন মেলায় সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি, জ্ঞানী গুণী বা জনহিতকর কাজে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তাদেরকে দাওয়াত দেওয়া হয়।

এই সংগঠনের মাধ্যমে সত্যিকারের মানুষ হওয়ার জন্য, মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার জন্য, বড় স্বপ্ন দেখানোর জন্য আলোচনা হয় এবং উজ্জীবিত করা হয়।

এটি সম্পূর্ণরূপে একটি অরাজনৈতিক মানবিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংগঠন, এতে সমাজে অবস্থানরত ভিন্নমতের মানুষের প্রাধান্য থাকে না।

এটি সার্বিকভাবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এখানে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থের হাসিলের জন্য আসবে না। এখানে প্রত্যেকটা কাজে নিয়ম এবং গঠনতন্ত্রের মধ্য দিয়ে হবে এবং ভবিষ্যতে ভোটাধিকার প্রয়োগে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী পরিষদের গঠিত হবে এবং এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা চেষ্টা করছি এবং নতুনভাবে উজ্জীবিত হচ্ছি।

এই হঠাৎ করে আবির্ভাব হয়তো সমাজের অনেকেই বিভিন্ন চোখে দেখেছেন এবং অনেকেই আছেন যারা হয়তো বা এই প্রতিষ্ঠানের এই সংগঠনের সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন না বা না পারার কারণে নিজেরা নিজেদের উদ্যোগে অন্য কোন ছাত্র সংগঠন করার ব্যক্ত করে কাজ করেছেন। এটা অত্যন্ত আনন্দের ব্যাপার যে কোন ভাল কাজে উৎসাহ প্রদান করা এটা একটা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনে করেন, বাইয়ারা গ্রামে হঠাৎ এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেখে অনেকে উৎসাহিত হয়ে ভিন্ন নামে তাৎক্ষণিক ভাবে কাজ করার চিন্তা করছেন। এ ধরনের উদ্যোগকে সবাই সাধুবাদ জানায় এবং এতে বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্র সমিতি (বি-প্রাছাস) কমিটির এবং সকল সাধারণ সদস্যদের উপর কোনরকম প্রতিক্রিয়া প্রভাব পড়বে না বলে সবাই মনে করেন।

সকলে আশা করেন, এই সংগঠনের সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী যারা বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক রাজনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে, অর্থনীতিকভাবে অনেক উচ্চ পর্যায়ে আছেন তারা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তাদের সহযোগিতায় “বি-প্রাছাস” তার নতুনত্ব ফিরে পাবে এখানে দলগত বা ব্যক্তিগত ভাবে কোন ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের কোন সুযোগ নেই। তাই এই মহৎ উদ্যোগের পিছনে সাড়া দেওয়ায় সকল প্রাক্তন ছাত্রদের ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানান।
সবাই বিশ্বাস করেন, নতুন কমিটির পরিধি আরও বড় হবে এবং বাইয়ারা জয়নাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রামের সকল প্রাক্তন ছাত্রীদের সন্নিবেশিত করে নতুন করে এগিয়ে যাবে(ইনশাল্লাহ)।

অতঃপর যেকোন প্রতিকূলতাকে সকলের সমন্বয়ে একটি সুন্দর পরিবেশ তথা আগামীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করার অঙ্গীকারবদ্ধ।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×