সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লায় জামাই রনিসহ ১৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:৪৬ পিএম
কুমিল্লায় জামাই রনিসহ ১৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের দিন কুমিল্লা শহরের তালপুকুর পাড়ে সশস্ত্র হামলা ও গুলিতে আহত হওয়ার ঘটনায় সাইফুল আলম রনিকে প্রধান আসামী করে অন্তত ১১২ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ২০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কুমিল্লার রামঘাটের ওয়াজি উল্লাহর ছেলে মো: মানিক বাদি হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করেন। ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও অফিসার (তদন্ত) শিবেন বিশ্বাস। কোতয়ালী মডেল থানার এসআই নুরুল হাকিমকে মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৫ আগস্ট বিকাল অনুমান সাড়ে ৫টায় কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কুসিক ১০নং ওয়ার্ডস্থ তালপুকুর পশ্চিম পাড় পাকা রাস্তার উপর পৌছামাত্র ০১ নং আসামী সাইফুল আলম রনির নির্দেশে অপরাপর আসামীরা বেআইনী জনতাবদ্ধে দলবদ্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে হত্যার উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া গুলি করে ০১ নং সাক্ষী ফাহিম ইসলাম রুমান এর পিঠের ডান পার্শ্বে গুলিবিদ্ধ গুরুতর জখম করে। ০৩ নং বিবাদী তৌফিক কিবরিয়া সেতু হত্যার উদ্দেশ্যে রুমান এর গলা টিপিয়া ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। আসামীরা তাদের হাতে থাকা ককটেল বিস্ফোরন ঘটাইয়া ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া এলোপাথারী গুলি বর্ষন করে জনমনে ত্রাস ও আতংক সৃষ্টি করে হত্যার ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। তখন আশপাশের লোকজন ওখান উপস্থিত হলে আসামীরা দিক বেদিকে দ্রুত দৌড়াইয়া পলায়ন করে।

 

মামলায় যাদের আসামী করা হয় তারা হলেন-

১। সাইফুল আলম রনি(৪৮), পিতা-মৃত-আব্দুল হালিম, ২। সুজন দত্ত (৩২), পিতা-চন্দন দত্ত, তা তৌফিক কিবরিয়া প্র: সেতু(৩৪), পিতা-সাবের  কাদরীয়া হিদ, ৪। শাকিল (৩২), পিতা-দুলাল, ৫।  সৈকত (৩০), পিতা-দুলাল, ৬। সুজন @ ছোট । সুজন(৩০), পিতা-অজ্ঞাত, ৭। অজয়(৩০), পিতা- বলোয়ার, ৮। অতুল দত্ত (২৩), পিতা-চয়ন দত্ত, ৯। বিশাল দত্ত (২১), পিতা-চয়ন দত্ত, সর্ব সাং- তালপুকুর পাড়, ১০। অহি(৩০), ১১। আকিব(৩২), উভয় পিতা-জমির উদ্দিন খান জম্পি, সাং-স বাগিচাগাও, ১২। সঞ্জীত কর(৪০), পিতা- পন্তুষ কর, সাং-বাগিচাগাও, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ১৩। সালেহ আহম্মদ রাসেল(৪৫), পিতা-মৃত সেকান্দার মাষ্টার, সাং-জামিরা, থানা- লালমাই, জেলা-কুমিল্লা, ১৪। এম ডি রাজিব (৩৮), ১৫। সুমন (৪২), উভয় পিতা-মৃত এম.ডি মুরাদ, সাং-মোগলটুলি (শাহসুজা মসজিদ গলি), ১৬। মুজাহিদ (২১), পিতা-আমির হোসেন, সাং-সাতরা চম্পক নগর, ১৭। চয়ন দত্ত(৫২), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-সাতরা চম্পক নগর, ১৮। জমির উদ্দিন খান জম্পি(৫৫), পিতা-চান মিয়া, সাং-বাগিচাঁগাও, ১৯। শুভ দত্ত(৩০), পিতা-চয়ন দত্ত, সাং-বাগিচাগাও, ২০। শাওন (৩০), পিতা-ঝন্টু, সাং-বাগিচাঁগাও, ২১। সোহেল টেইলার(৪০), পিতা-রফিক, সাং- বাগিচাগাও, ২২। মঞ্জু(৪৮), পিতা-আবুল কাশেম, সাং-বাগিচাঁগাও, ২৩। আলী মনসুর ফারুক(৫৭), পিতা-মৃত আলী আকবর, সাং-ঠাকুরপাড়া, ২৪। পিচ্চি জালাল (৩৮), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-দৌলতপুর পশ্চিমপাড়া, ২৫। উদিত(৩১), পিতা-অজ্ঞাত, সাং- ঠাকুরপাড়া (মদিনা মসজিদ রোড), ২৬। রুদ্র দাস(৩০), পিতা-স্বপন দাস, সাং-রামঘাট (আওয়ামীলীগ পার্টি অফিস সংলগ্ন), ২৭। ইমরান নাজির আবির (২৮), পিতা-আলমগীর, সাং- দৌলতপুর (ছায়াবিজ্ঞান), সর্ব থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা ২৮। মোস্তাফা (৫০), পিতা- আদম আলী, সাং-মধ্যম আশ্রাফপুর, থানা-সদর দক্ষিন মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ২৯। সাদেকুর রহমান পিয়াস (৩৮), পিতা-জালু মিয়া, সাং- ঝাউতলা, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৩০। মোশারফ হোসেন মুন (৩২)-মহানগর ছাত্রলীগ এর সাধারন সম্পাদক, পিতা-হাজী আদম আলী, সাং-ইপিজেড রোড, ২১নং ওয়ার্ড, থানা- সদর দক্ষিন মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৩১। শাহ আলম (৪৮), পিতা-মৃত- সিদ্দিকুর রহমান, সাং- দৌলতপুর ৩২। প্রিতম দে(২৬), পিতা-নুপুর চন্দ্র দে, সাং-তেলিকোনা সাহাপাড়া, কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৩৩। মারুফ ইসলাম, পিতা-নবীউল্লাহ সাং-কংশনগর, থানা- বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা, ৩৪। কৃষেন্দ্র রায় সানি(২৮), পিতা-কানু, সাং-দৌলতপুর ৩৫। রানা(৩০), পিতা- অজ্ঞাত, সাং-ছোটরা, ৩৬। নয়ন দত্ত(৩৫), পিতা- শ্যামল দত্ত, সাং-ঠাকুরপাড়া (মদিনা মসজিদ), ৩৭। শহিদুল ইসলাম চপল(৪৭), পিতা-রফিকুল ইসলাম, সাং-ধর্মপুর, ৩৮। জহিরুল ইসলাম (৪৪), পিতা মৃত-আব্দুল বারেক, সাং-ধর্মপুর, ৩৯। মোঃ রাপ্তি (৩০), পিতা-মৃত মনির খান, সাং-পশ্চিম বাগিচাঁগাও ৪০। মোঃ এনাম (৩০), পিতা-খোকন, সাং-পশ্চিম বাগিচাঁগাও, ৪১। রাকিব (৩০), পিতা- আব্দুল সালাম আজাদ, সাং-পূর্ব চানপুর, ৪২। ইউসুফ (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুল হাকিম @ মেরা  মিয়া, সাং-শুভপুর, ৪৩। সুমন (৩৮), পিতা-শুনু মিয়া, সাং-পূর্ব চানপুর, ৪৪। জুয়েল(৩৬), পিতা- মাশুক মিয়া, সাং-পূর্ব চানপুর, ৪৫। জুয়েল মিয়া (৪০), পিতা-মালা মিয়া, সাং-থিরা পুকুর পাড়, ৪৬। কাউছার (৪৫), পিতা- কাদর মিয়া, সাং-থিরা পুকর পাড় ৪৭। কবির আহম্মেদ (৪২) পিতা-মৃত জাহাঙ্গীর আলম, সাং-গোবিন্দপুর খলিফা বাড়ী ৪৮। মোঃ আবু ইউসুফ ইফতেখার দিপু (৪০), পিতা- মৃত মহিউদ্দিন ফুল, সাং-গোবিন্দপুর খলিফা বাড়ী ৪৯। আমিনুল হক চেয়ারম্যান (৬৫) পিতা- মৃত আব্দুল লতিফ প্রকাশ লাল মিয়া, সাং-ধর্মপুর পশ্চিম চৌমুহনী ৫০। মোঃ শাহআলম (৪৫) পিতা-আব্দুর রব, সাং-ছোটরা, ৫১। মোঃ ফখরুল আবেদীন হৃদয়(৩০), পিতা-জয়নাল আবেদীন, সাং-২য় মুরাদপুর, ৫২। মাসুদুর রহমান মাসুদ- সাবেক কাউন্সিলর (৪৭), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ, সাং-ছোটরা, ৫৩। শাহআলম খান কাউন্সিলর(৬৫), পিতা-মৃত মজিব খান, সাং- অশোকতলা, ৫৪। নয়ন ওরফে কালা (৪০), পিতা- ইউসুফ মিয়া, সাং-অশোকতলা, সর্বথানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৫৫। হোসেন মিয়া(৪৫), পিতা-আব্দুল হাকিম, সাং-নেউরা, ৫৬। আলাউদ্দিন প্রকাশ জুনাল (৩০), পিতা-জালাল উদ্দিন, সাং-রাজাপাড়া, ৫৭। রুবেল (৩৪) পিতা- বিল্লাল মিয়া, সাং-রাজাপাড়া, ৫৮। আলমগীর হোসেন(৪৫), পিতা-মৃত ফজলু মিয়া, সাং-রাজাপাড়া, সর্ব থানা-সদর দক্ষিন মডেল, জেলা- কুমিল্লা, ৫৯। ফখরুল ইসলাম রুবেল(৪৩), পিতা- মৃত আবুল বারেক, সাং-ধর্মপুর, ৬০। ইব্রাহিম খলিল জনি(৩৮), পিতা-মৃত হোসেন ড্রাইভার, সাং- ধর্মপুর, ৬১। সালাউদ্দিন কানু(৩৯), পিতা-মৃত মোসলেম মিয়া, সাং-কালিকাপুর, ৬২। আশিকুল আলম আশিক (৩২), পিতা-আলমগীর হোসেন, সাং-ধর্মপুর, ৬৩। সোহেল (৩৫), পিতা- মোস্তফা মিয়া, সাং-ধর্মপুর, ৬৪। সাব্বির (৩৫), পিতা-মৃত মেহের আলী, সাং-ধর্মপুর, ৬৫। শাহজাহান ওরফে শামু(৪৮), পিতা-মৃত আবেদ আলী, সাং-ধর্মপুর, কলেজ রোড, ৬৬। কাইয়ুম (৪০), পিতা-মৃত শফিক মিয়া, সাং-ধর্মপুর(গাজী বাড়ী), ৬৭। বাবুল(৩৫), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-ধর্মপুর, সর্দার বাড়ী, ৬৮। মোঃ হুমায়ন (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুল মতিন, সাং-খেতাসার, ৬৯। মোঃ হান্নান (৩২), পিতা-মৃত আব্দুল মতীন, সাং-খেতাসার, ৭০। আমির হোসেন(৩৭), পিতা-রফিকুল ইসলাম, সাং- খেতাসার, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা, ৭১। মামুন (৩৫), পিতা-ফরিদ মিয়া, সাং- নেউরা, থানা-সদর দক্ষিন মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৭২। নাজমুল হাসান চৌধুরী ওরফে কামাল (৩৫), পিতা-মৃত বারু চৌধুরী, সাং-ডুমুরিয়া চানপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৭৩। শ্বেত লিটন ওরফে বোমা লিটন (৪২), পিতা-আব্দুল কাদের, সাং-ডুলিপাড়া, থানা-সদর দক্ষিন মডেল, জেলা- কুমিল্লা, ৭৪। মীর কাসেম (৪৫), পিতা-মৃত নাসির উদ্দিন, সাং-নেউরা, থানা-সদর দক্ষিন মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৭৫। ইকরামুল ইসলাম ওরফে রুবেল (৪৫), পিতা-ঝারু মিয়া, সাং-ছোটরা মধ্যপাড়া, ৭৬। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৯), পিতা- নুরুল ইসলাম, সাং-ছোটরা পশ্চিমপাড়া, ৭৭। মোঃ শাহীন মিয়া (৪৫), পিতা-আব্দুল করিম, সাং-ছোটরা পশ্চিমপাড়া, ৭৮। মোঃ উজ্জল মিয়া(৩৯), পিতা- মোঃ মোতাহের, সাং-ছোটরা পশ্চিমপাড়া, পুরাতন ডিসি রোড, ৭৯। মোঃ তানভীর হোসেন অন্তর(২২), পিতা-মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাং- ছোটরা পশ্চিমপাড়া, ৮০। মোঃ শাহ কামাল উদ্দিন সামি(২২),পিতা-মোঃ শাহজাহান, সাং- ছোটরা, সাজেদা ভিলা, ৬০৯/১০, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৮১। শাহজাহান মঞ্জু(৫৫), পিতা-আব্দুল মতীন, সাং-ধনাইতরী, ৮২। আবু আহাদ মঞ্জু(৩৮), পিতা-আব্দুল মতিন মঞ্জু, সাং- ধনাইতরী, ৮৩। মামুন মজুমদার (৫৫), পিতা-মৃত জয়নাল আবদীন, সাং-ঢুলিপাড়া, ৮৪। আকবর হোসেন(৪৪), পিতা-তাজুল ইসলাম, সাং-নেউরা, ৮৫। এনামুল হক টিপু(৪৫), পিতা-খালেক, সাং- নেউরা, ৮৬। প্রফেসর মহসিন (৫৫), পিতা-মৃত আব্দুল কাশেম, সাং-ঢুলিপাড়া, সর্ব থানা-সদর দক্ষিন মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৮৭। কাবিল মেম্বার(৪৮), পিতা-মুশু খান, সাং-গোলাবাড়ী, পাচথুবী ইউপি, ৮৮। মোখলেছ (৪৫), পিতা- অজ্ঞাত, সাং-মোগলটুলী, ৮৯। এ.এস.এম খাইরুল মামুন(৪৮), পিতা-মৃত আব্দুল বাতেন, সাং- টমছমব্রীজ, ৯০। মৃদল দাস (২৮), পিতা-মৃত । সুকুমার চন্দ্র দাস, সাং-ঠাকুরপাড়া, ৯১। গোলাম হোসেন তপন (৩৫)-সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি, পিতা-ফজল মিয়া, সাং-ভাটপাড়া, ৯২। জামাল মিয়া(৩৮), পিতা-মৃত কাসেম মিয়া, সাং- বদরপুর, ৯৩। রিপন মিয়া(৪২), পিতা-মৃত অহিদ মিয়া, সাং-বদরপুর, ৯৪। স্বপ্নীল (৩৫), পিতা-মনির, সাং- কাপ্তান বাজার, ৯৫। মনির (৪২) শ্রমিক লীগের সভাপতি, পিতা-মৃত মহারাজ, সাং- বাগিচাঁগাও, ৯৬। রিদা(২৪), পিতা-মৃত মনির খান, সাং-বাগিচাঁগাও, ৯৭। আলমগীর হোসেন (৬০), পিতা-মৃত চান মিয়া, সাং-সৈয়দপুর ৯৮। মোঃ ফরহাদ হোসেন (৫০), পিতা-আব্দুল করিম, সাং- সৈয়দপুর, ৯৯। মোঃ জসিম উদ্দিন মুহুরী(৪৫), পিতা-অলি আহম্মেদ, সাং-সৈয়দপুর ১০০। মোঃ রাসেল মেম্বার(৪০), পিতা-আব্দুল করিম, সাং- সৈয়দপুর, ১০১। ইউনুস মিয়া মোহাম্মাদ(৩৮), । পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-সৈয়দপুর ভূঁইয়া বাড়ী, ১০২। মোঃ আব্দুল করিম (৪০), পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-সৈয়দপুর ভূঁইয়া বাড়ী, ১০৩। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৪১), পিতা-আনোয়ার হোসেন, সাং-ছোটরা, পুরাতন ডিসি রোড, ১০৪। মাইনুল ইসলাম(৩৬), পিতা-সাইদুর রহমান, সাং-ছোটরা, পুরাতন ডিসি রোড, ১০৫। জয়নাল আবেদীন (৪০), পিতা-নুরুল ইসলাম নুরু, সাং-ধনুয়াখোলা, ১০৬। কাইয়ুম কাশেম (২৭), পিতা-আবুল কাসেম, সাং- সাতরা মধ্যপাড়া, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ১০৭। নোহেল রহমান (২৮), পিতা- সিদ্দিকুর রহমান সুরুজ, সাং-উনাইসার, থানা- সদর দক্ষিন মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ১০৮। বাহারউদ্দিন রেজা ওরফে পিস্তল বাহার(৬৪), পিতা-মৃত জুরা মিয়া, সাং-তালুপুকর পশ্চিম পাড়, ১০৯। বিশাল(২৭), পিতা-বাহার উদ্দিন রেজা, সাং- তালপুকুর পাড় পশ্চিম পাড়, ১১০। মোঃ । রিমন (২৫), পিতা-মৃত ওহাব আলী, সাং-ঝাউতলা, ১১১। মোঃ সাইফুল (২৫), পিতা-আক্তার মোল্লা, সাং-ঝাউতলা, ১১২। সফিকুর রহমান মাষ্টার (৪৭), পিতা-মৃত লাল মিয়া, সাং-সৈয়দপুর, বেজবাড়ী, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লাসহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন।

মামলার বিবরণ: যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মোঃ মানিক। থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে উপরোক্ত আসামীগনসহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করছি যে, ০১ নং জখমী সাক্ষী ফাহিম ইসলাম রুমান আমার চাচাতো ভাই। সে ইন্টার ১ম বর্ষের ছাত্র। উপরোক্ত বিবাদীরা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ, টেন্ডারবাজ, জুলমকারী, উচ্ছৃংখল ও বখাটে প্রকৃতির লোক। তারা কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে থাকে। গত ০৫/০৮/২০২৪খ্রিঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১ দফা দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পতনের পর আনন্দ মিছিল বের হয়। তখন আমার চাচাতো ভাই রুমান ও মহিন নিজ বাড়ী হতে কুমিল্লা কান্দিরপাড়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে একই তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকার সময় রানীর বাজার আশ্রমের পাশের গলির রাস্তার উপর পৌছামাত্র ০১ নং আসামী সাইফুল আলম রনির নির্দেশে অপরাপর আসামীরা বেআইনী জনতাবদ্ধে দলবদ্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্রসহ শসস্ত্র প্রদর্শন করিয়া দাঙ্গার সৃষ্টি করতঃ ক্রমিক নং- ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২নং আসামীগন সাথী রুমান ৩. মহিনদ্বয়কে উক্তস্থানে গতিরোধ করতঃ টানা হেছড়া করে ঘটনাস্থল কোতয়ালী মডেল থানাধীন কুসিক ১০নং ওয়ার্ডস্থ তালপুকুর পশ্চিম পাড় সাকিনের পাকা রাস্তার উপর নিয়ে ০২নং বিবাদী সুজন দত্ত হত্যার উদ্দেশ্যে তার সাথে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া গুলি করে ০১ নং সাক্ষী ফাহিম ইসলাম রুমান এর পিঠের ডান পার্শ্বে গুলিবিদ্ধ গুরুতর জখম করে। ০৩নং বিবাদী তৌফিক কিবরিয়া সেতু হত্যার উদ্দেশ্যে রুমান এর গলা টিপে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২নং আসামীগন লাঠিসোটা দিয়া এলোপাথারী কিল, ঘুষি, লাথি মেরে সাক্ষী রুমানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফুলা জখম করে। ক্রমিক নং-১৩ হইতে ১১২নং আসামীগনসহ অজ্ঞাতনামা আসামীরা তাদের হাতে থাকা ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়ে ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে এলোপাথারী গুলি বর্ষন করে জনমনে ত্রাস ও আতংক সৃষ্টি করে হত্যার ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। তখন আশপাশের লোকজন ওখান উপস্থিত হলে আসামীরা দিক বেদিকে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যায়। ০২নং সাক্ষী মহিন পথচারী লোকজনদের সহায়তায় ০১নং সাক্ষী রুমানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা আশংকাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিলে আমরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে ভর্তি করি।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×