সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষের যোগদানে কতিপয় শিক্ষকদের বাধা: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী : প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:৪৮ পিএম
কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষের যোগদানে কতিপয় শিক্ষকদের বাধা: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ, যা ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কুমিল্লা রাজবাড়ি কম্পাউন্ডে অবস্থিত, বর্তমানে রাজনৈতিক প্রভাব ও বিশৃঙ্খলার কারণে সংকটে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রমতে, শিক্ষার আগের পরিবেশ ও মান ফিরিয়ে আনার জোরালো দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
আওয়ামী সরকারের পতনের পর মেয়র পদ থেকে অপসারিত ডা. তাহসিন বাহার সূচনা ভারতে পালিয়ে গেলেও, তার অনুগত সামিউল আলম, উত্তম কুমার ও আখি আলম রকি, সূচনার অনুসারী রিপন চক্রবর্তী এখনও প্রতিষ্ঠানটিতে প্রভাব বিস্তার করছেন। স্থানীয়দের মতে, সামিউল আলম বিভিন্ন ব্যবসা ও ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং ভুক্তভোগীদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। বাহার কন্যা, যিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানে ভারতে পালিয়ে গেছেন, তার অনুগত সামিউল আলম এখনো প্রতিষ্ঠানে তার প্রভাব বজায় রেখেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি ছাত্র জনতার আন্দোলনে অর্থ যোগান দিয়ে ছাত্রদের বিপক্ষে কাজ করছেন এবং তার এই অদৃশ্য শক্তি কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি ফাহমিদা মুস্তফার স্বাক্ষরিত এক আদেশে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তারকে প্রতিষ্ঠানে যোগদানের আদেশ দিলেও রোববার (১৫ ডিসেম্বর) অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার অত্র কলেজ এক শ্রেণীর শিক্ষকদের তোপের মুখে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েও যোগদান করতে পারেননি। রোববার (১৫ ডিসেম্বর) নগরীর এ কলেজের অধ্যক্ষ মোসাঃ নার্গিস আক্তার যোগদান করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন কালেক্টর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার। পরে জেলা প্রশাসকের নিয়োগকৃত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাহমিদা আক্তার। পরে গত বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চিঠির মাধ্যমে রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তারকে যোগদানের জন্য কর্মস্থলে যেতে অনুরোধ করে। চিঠিতে বলা হয়, উপযুক্ত বিষয়ে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লার ১১/১২/২০২৪ খ্রি. তারিখের গভর্নিং বডির ৩৩ তম সভার ২ আলোচ্য সূচি অনুযায়ী আপনাকে অদ্যই কর্মস্থলে যোগদান করার অনুরোধ করা হলো। অধ্যক্ষকে কলেজ ক্যাম্পাসে বাধা দেওয়া শিক্ষকদের একজন কলেজের জীব বিজ্ঞানের শিক্ষক রিপন চক্রবর্তী বলেন, এটা কোন ছাত্র বা শিক্ষকের বিষয় নয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন প্রায় ৬ মাস তদন্ত করে এবং সেই ২৬ টিরও বেশি অভিযোগে অভিযুক্ত হয়। ২৪ এর নতুন বাংলাদেশে একজন শিক্ষক হিসেবে দুর্নীতিবাজকে প্রতিষ্ঠানে আমরা চাই না।
লিজা আক্তার নামে এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে বহিরাগত লোকেরা লাঠি ও হকিস্টিক নিয়ে ভিতরে কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শ্লোগান দিচ্ছে। এরা কেমন শিক্ষক। একজন অধ্যক্ষকে কলেজে যোগদান করতে দেয়নি। আমরা আমাদের সন্তানদের পড়াশুনা নিয়ে শঙ্কিত।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার বলেন, প্রতিষ্ঠানের ৫ জন শিক্ষক সামিউল আলম, উত্তম কুমার, বশির আহমেদ, আখি আলম রকি, রিপন চক্রবর্তী এরা নিজেদের দোষ ঢাকার জন্য ভাড়া করা সন্ত্রাসী নিয়ে গেইট বন্ধ করে আমাকে কলেজে যোগদান না করার জন্য ঢুকতে দেয়নি। আমি প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তা চাই এবং কলেজে আমি আমার কাজ পূর্বের ন্যায় করে যেতে চাই। একই সাথে কলেজের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ গুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।
এ বিষয়ে কুমিল্লায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বর্তমান অধ্যক্ষ (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাহমিদা আক্তারকে মুঠোফোনে একাধিক কল দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার বলেন, আমি যতটুকু জানি তিনি কলেজে যোগাদানের জন্য যাবে। এখন কেউ যদি ওনাকে যোগদানে বাধা দেয় এটাতো ফৌজদারি অপরাধ। তিনি নিশ্চয়ই এটার প্রতিকার চাইবেন। আমাদের কাছে তিনি এমন কিছু চায়নি।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×