সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লায় ছাত্র-জনতার হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মুক্ত : দুর্নীতি মামলার অগ্রগতি নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:৩৮ পিএম
কুমিল্লায় ছাত্র-জনতার হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মুক্ত : দুর্নীতি মামলার অগ্রগতি নেই
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্নার আগমন উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮:০০ ঘটিকায় কোটবাড়ি বিশ্বরোড রাস্তায় সকলকে যার যার ইউনিট নিয়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। যথাসময়ে উপস্থিত থাকবেন।

অভিযোগ রয়েছে যে পুলিশের প্রভাবশালী কর্মকর্তা মো: ফারুক হোসেন (বিপি: ৭৮০৮১২১৫৬৯) ছাত্র-জনতার হত্যার ঘটনায় জড়িত। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশন্স)র দায়িত্ব পালন করছিলেন।

**ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ:**
ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ খোর, দুর্নীতিবাজ ও বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)র একাধিক মামলার প্রস্তাব থাকলেও এখনও পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

**বেপরোয়া আচরণ:**
ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি ছাত্র-জনতা হত্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে তার হাতে রক্তের দাগ লেগেছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

**উচ্চ পদস্থ জায়গায় পোস্টিং:**
হাসিনা উৎখাত হওয়ার পরও ফারুক হোসেন কুমিল্লার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার-পিটিসি তে পোস্টিং নিয়ে দিব্যি চাকরি করছেন। তার কেশাগ্রও স্পর্শ করেনি কেউ। বরং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং নিয়ে প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন তিনি।

**রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা:**
ফারুক হোসেনের ‘ওস্তাদ’ স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)র সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামকে পলাতক ঘোষণা করা হয়েছে। মনিরুলের বিরুদ্ধে ৩টি হত্যাসহ বেশ কিছু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে এবং দুদকের একটি টিম অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

**অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচার:**
মনিরুলের অনুসন্ধানে জানা যায়, ফারুক হোসেন মনিরুলের বিশ্বস্ত ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। কুষ্টিয়ার কুমারখালি এবং কুলশীবাসায় ৬০ বিঘা জমি কিনেছেন এবং ঢাকায় ২ হাজার স্কয়ার ফিটের বিশাল ফ্ল্যাট রয়েছে।

**সাম্প্রতিক পরিস্থিতি:**
প্রকাশ্যে হাসিনাকে গালাগাল দিলেও বিভিন্নভাবে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ নেতা এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রাখছেন ফারুক হোসেন। তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক মাধ্যমে গোপন তথ্য সরবরাহ করছেন।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার (জিআর ওয়ারেন্ট) ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজিজুল মোঃ সম্রাট (২০) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি জিআর ওয়ারেন্ট থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার মোঃ আনিসুজ্জামান তুহিন (২২) চান্দিনা উপজেলার লেবাস এলাকার মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোবাইল কোর্ট তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গমরাহদহ এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে দিলীপ দাস (১৯) এবং রুহিয়া থানার কানীকশানগাঁও এলাকার সুশীল বর্মনের ছেলে অরূন কুমার বর্মন (১৯)-কে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবাইল কোর্ট তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত অরূন কুমার বর্মনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

×