সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে প্রভাবশালী কর্তৃক প্রতিপক্ষের বসতঘর নির্মাণে বাধার অভিযোগ, নষ্ট হচ্ছে লাখ লাখ টাকার নির্মাণ সামগ্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ১২:০৬ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রভাবশালী কর্তৃক প্রতিপক্ষের বসতঘর নির্মাণে বাধার অভিযোগ, নষ্ট হচ্ছে লাখ লাখ টাকার নির্মাণ সামগ্রী
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রভাবশালী কর্তৃক মো: খোকন (৫০) নামে এক ব্যক্তির পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসতঘর নির্মাণ কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ায় নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়ে যাওয়া সহ ভুক্তভোগির লাখ লাখ টাকার লোকসান হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করা সহ ভুক্তভোগিকে ব্যাপক হয়রানি করে আসছে প্রতিপক্ষের লোকজন।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে জানা গেছে, উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামের মো: আব্দুল মজিদের ছেলে মো: খোকন তার অপর দুই ভাই বসতবাড়ির পৈত্রিক সম্পত্তিতে দালানঘর নির্মাণ করছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার চাচা মো: বাচ্চু মিয়া দলবল নিয়ে এসে নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করেন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। এ ঘটনার জেরে হয়রানির লক্ষ্যে বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো: শাহজাহান বাদী হয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধের হীন উদ্দেশ্যে গত ৬ মে ১৪৫ ধারায় কুমিল্লার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো: আশরাফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খোকন এর ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, পিতার সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণ করছে খোকন সহ তার অপর ভাইগণ। এতে অনৈতিকভাবে বাধা প্রদান করে বাচ্চু মিয়া। সামাজিক গণ্যমান্য লোকজনের কথা উপেক্ষা করে তারা ১৪৫ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করে খোকনের পরিবারকে অযথা হয়রানি করছে। বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।

ভুক্তভোগি মো: খোকন, তার ভাই গিয়াস উদ্দীন ও নাছির উদ্দীন সাংবাদিকদের জানান, আমরা পৈত্তিক সম্পত্তিতে পাকা দালানঘর নির্মাণ করতে গেলে আমার চাচা বাচ্চু মিয়া অযথা হয়রানির উদ্দেশ্যে আদালতে মামলা দায়ের করে বাধা প্রদান করছে। আমার পিতা ওয়ারিশ সূত্রে ডাকরা মৌজার ৩৫৩ দাগে ৭ শতক জায়গার মালিকানা নিশ্চিত ও দখল স্বত্ত¡বান হইয়া উক্ত জায়গায় টিনসেড ঘর নির্মাণ করে। দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ আমরা এখানে বসবাস করে আসছি। এখন নতুন করে পাকা ঘর নির্মাণ করতে গেলে আমার চাচা বাচ্চু মিয়া অবৈধভাবে আমাদের নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করে হয়রানি করছে। আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে স্থানীয়ভাবে বসে একাধিকবার মীমাংশার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি গ্রাম্য শালীস অমান্য করে আদালতে ১৪৫ ধারায় একটি মামলা করেন। পরে পুলিশ এসে আমাদের চলমান কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে রড, সিমেন্ট, বালু সহ লাখ লাখ টাকার নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৯ জুন আদালতে মামলাটির শুনানীর দিন ধার্য্য করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আমরা আদালতে হাজির হব। বিষয়টি নিয়ে আদালতে সুষ্ঠু সমাধান হবে বলে আমরা আশাবাদী।

অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া বলেন, আমি পুরান বাড়িতে আমার ভাইদের কাছে প্রায় ৩ শতক জায়গা পাই। উক্ত জায়গার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি কাউকে ছাড় দেবনা।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চৌদ্দগ্রাম থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মো: আশরাফুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিবাদী পক্ষকে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখতে এবং ততক্ষণ পর্যন্ত উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×