মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কন্ঠশিল্পী জাহাঙ্গীরের সাথে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নগদ অর্থ হস্তান্তর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কন্ঠশিল্পী জাহাঙ্গীরের সাথে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নগদ অর্থ হস্তান্তর
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বিএনপি চেয়ারম্যান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে নির্বাচনী গান সহ দলীয় বিভিন্ন গান গেয়ে (পরিবেশন করে) সোস্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতিসন্তান, জন্মান্ধ বয়াতি কন্ঠশিল্পী মো. জাহাঙ্গীর আলম। ভাইরাল হওয়া গানগুলো নজরে আসে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এতে মুগ্ধ হয়ে তিনি লন্ডন থেকে দলের হাইকমান্ডকে এক জরুরি বার্তা প্রেরণ করেন এবং বয়াতি শিল্পী জাহাঙ্গীরের সাথে দেখা করা নির্দেশনা দেন। এরই সূত্রধরে সোমবার (২০ অক্টোবর) বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এর নেতৃত্বে বিএনপি’র একটি প্রতিনিধি দল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বয়াতি শিল্পী মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাড়িতে আসেন। কেন্দ্রীয় নেতার আগমনের সংবাদে দলীয় নেতাকর্মীদের ঢল নামে সেখানে। এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জাহাঙ্গীরের পরিবারের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে তারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে জাহাঙ্গীরের হাতে মোটা অঙ্কের নগদ অর্থ হস্তান্তর করেন। এর আগে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় জুলাই আন্দোলনের সময় নিহত এক শহীদের কবর জিয়ারত করেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

সোমবার দুপুরে উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ফুলমুড়ি গ্রামের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বয়াতি শিল্পী মো. জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, হঠাৎ করে দেশে সংঘঠিত সিরিজ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আমরা বিচলিত। অগ্নিকান্ডের এসব ঘটনা পরপর ঘটে যাওয়ায় জনমনে কিছুটা আতঙ্ক ও শঙ্কার সৃষ্টি করেছে। দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্নের। দেশে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক। কিন্তু যখন এমন ঘটনা সিরিজ আকারে ঘটে, তখন বুঝতে হবে সেখানে কালো হাত আছে। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করাই যাদের লক্ষ্য। হাসিনাবিহীন বাংলাদেশ ঠিকমতো চলছে না, বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে দেখানোর জন্য দেশীয় ও বিদেশী শক্তির সম্মিলিত ষড়যন্ত্রই এটি। এ সময় তিনি বিএনপি নেতাকর্মী সহ দেশের জনগণকে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার যথাসময়ে নির্বাচন দিতে বেশ আন্তরিক। নির্বাচন কমিশনও সে লক্ষ্যে প্রস্তুতি সারছে। আমরা মনে করি, নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত তাদের যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, এটি বেশ প্রশংসনীয়। বিশেষ করে সব রাজনৈতিক দলকে একত্রিত করা, দেশের সংবিধান ও নির্বাচনী বিধির মধ্যে পড়ে না এমন প্রশ্নে আপোষ না করা। এটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে তাদের দৃঢ় অবস্থানেরই বহিঃপ্রকাশ। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত আমরা যেটা দেখতে পাচ্ছি, সেটা হলো: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ নির্বাচন কমিশনের অধিনেই একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব। তাদের সে সক্ষমতা আছে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। সিরিজ অগ্নিকান্ড কিংবা বিশৃঙ্খলা ফেব্রæয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের জন্য কোনো বাধা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় তিনি প্রশাসনের ভেতরে স্বৈরাচারের যে দোসররা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

এ সময় অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, বিএনপি’র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভ‚ঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ভিপি ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি উতবাতুল বারী আবু, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য মো. আমিরুজ্জামান আমির, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. কামরুল হুদা।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুন্নবী পাটোয়ারী নুরু, মো. গিয়াস উদ্দীন, দফতর সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম মিন্টু, পৌর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম দুলাল, সাধারণ সম্পাদক কাজী রাকিবুল আহসান মহব্বত, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ছুট্টু, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো. জামাল উদ্দিন মামুন, সদস্য সচিব মো. শাহনেওয়াজ মজুমদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ডেভিড, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ফখরুল হাসান, বিএনপি আব্দুর রাজ্জাক, জালাল উদ্দিন মোল্লা, মো. মুজিবুর রহমান, জসিম উদ্দিন, মামুনুর রশিদ দাউদ, মো. সোলেমান, যুবদল নেতা আব্দুল হালিম ভূঁইয়া, মো. শরীফ হাসান, রফিকুল ইসলাম শামীম প্রমুখ। এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, পৌরসভা সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×