মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে সামাজিক শালিস-বৈঠকে দুবাই প্রবাসীর ওপর হামলা, থানায় মামলা

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৪৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে সামাজিক শালিস-বৈঠকে দুবাই প্রবাসীর ওপর হামলা, থানায় মামলা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সামাজিক শালিস-বৈঠকে মমিনুল ইসলাম মজুমদার নামে এক দুবাই প্রবাসীর উপর ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন ওই প্রবাসী। পরে স্থানীয়রা তাকে হামলাকারীদের থেকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানেও তিনি সেখানে চিকিৎসাধিন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার সকালে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের পাইকোটা মজুমদার বাড়িতে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি প্রবাসীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম থানায় এজাহার দায়ের করেন। এ ঘটনায় থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শাহআলম মজুমদার নামে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে বয়স বিবেচনায় মুছলেকা নিয়ে তাকে স্থানীয় গণ্যমান্য লোকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক মো. গুলজার আলম।

থানায় দায়েরকৃত এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জান গেছে, দুবাইয়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের মো. শাহআলম মজুমদারের পরিবার ও ভুক্তভোগি প্রবাসী মমিনুল ইসলাম মজুমদারের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি শাহআলমের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, সামাজিক সিদ্ধান্ত অমান্য করা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ নিয়ে মীমাংশার উদ্দেশ্যে শনিবার সকালে গ্রামে একটি শালিস-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক চলাকালে শাহআলমের ছোট ছেলে নাঈম গ্রাম্য সর্দারদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে। এ সময় সে তাদেরকে দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি দেয়। প্রতিবাদে প্রবাসী মমিনুল ইসলাম তাকে এমন অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলে। এতে নাঈম ক্ষিপ্ত হয়ে তার অপর দুই ভাই সোহাগ ও মাইন উদ্দিনসহ তাদের আরো কয়েকজন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মমিনুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা মমিনুলকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি ঘটলে পরে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার পরপরই শাহআলমের তিন ছেলে ও হামলাকারী আত্মীয়-স্বজনরা নিজ গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শাহআলমকে আটক করে। এক ঘণ্টা পর স্থানীয় একজনের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রবাসী মমিনুল ইসলামের পরিবার জানায়, কয়েক বছর আগে নাঈমকে দুবাইয়ে কাজের সুযোগ দিয়েছিলেন মমিনুল। সেখানে দোকানে কাজ করার সময় নাঈম কয়েক ভরি স্বর্ণ চুরি করে পালানোর চেষ্টা করলে মমিনুল অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে স্বর্ণ ফেরত দিয়ে সেখানেই বিষয়টির মীমাংশা করা হয়। এতে শাহআলমের পরিবার মমিনুলের পরিবারের উপর ক্ষুব্ধ হয়। কিছুদিন আগে মমিনুল ইসলাম দেশে আসলে বিষয়টি নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় শাহআলমের পরিবার মমিনুলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনার জের দিনদিন বাড়ছিলো। বিষয়টি নিয়ে শনিবারে শালিস অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শাহআলমের ছেলে নাঈমের অশোভন আচরণের প্রতিবাদ করায় তারা পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী মমিনুলের উপর হামলা করে। মমিনুলের পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই শনিবারের শালিস বৈঠকের সময় তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। আমরা এ হামলায় জড়িতদের দ্রæত আইনের আওতায় এনে তাদের বিচার নিশ্চিতের জোর দাবি জানাচ্ছি। এর আগে অভিযুক্ত নাঈম কর্তৃক হুমকি-ধমকির ঘটনায় গত বুধবার ভুক্তভোগি প্রবাসী মমিনুল ইসলাম জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত শাহআলম বলেন, বিদেশে আমার ছেলে নাঈমের সাথে ভিসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ওইদিন বিচার বসে। মমিনুল আমার ছেলের সাথে অন্যায় করেছে। সমাধান হওয়ার একপর্যায়ে সে আমাদেরকে হুমকি দিলে আমরা তার উপর হামলা করতে বাধ্য হই। এখন তারা আইনের আশ্রয় নিয়েছে। আমি আইনীভাবে তা মোকাবেলা করবো। সামাজিকভাবে মীমাংশার জন্য আমি প্রস্তুত।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিলাল উদ্দিন বলেন, সামাজিক শালিসে প্রবাসীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আটক শাহআলমকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, শাহআলম বয়োবৃদ্ধ একজন মানুষ। তিনি প্রস্রাবে ইনফেকশন জনিত সমস্যাসহ শারীরিক নানান সমস্যায় ভুগছেন। মানবিক দিক বিবেচনায় স্থানীয় একজনের জিম্মায় তাকে সাময়িকভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×