সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিতর্ক: মাঠ ছাড়ছেন না ইয়াছিন অনুসারীরা, সমঝোতার আহবান মনিরের

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:১৯ পিএম
কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিতর্ক: মাঠ ছাড়ছেন না ইয়াছিন অনুসারীরা, সমঝোতার আহবান মনিরের
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা-৬ (সদর-সদর দক্ষিণ, সিটি কর্পোরেশন এবং সেনানিবাস এরিয়া) সংসদীয় আসনে মাঠ ছাড়বেন না মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিনের অনুসারীরা। তাদের দাবি কতিপয় কেন্দ্রীয় নেতা মাঠের পরিস্থিতি নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ইয়াছিনকে মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই আন্দোলন করে আসছেন তার কর্মী-সমর্থকরা। এদিকে ইয়াছিনের সঙ্গে সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী। অপরদিকে বিষয়টির আলোচনায় সুরাহা না হলে নগরীতে ব্যাপক সংঘাত-সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পুনর্মূল্যায়ন করা হতে পারে।

জানা গেছে, ১৭ বছর কুমিল্লা সদর আসনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন ইয়াছিন। সদর আসনে তাকে বিএনপির দুর্দিনের কাণ্ডারি বলা হয়। সম্প্র্রতি আসন পুনর্বিন্যাসে কুমিল্লা-১০ আসন থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলাকে কুমিল্লা-৬ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এতে ওই আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা-৬ আসনে যুক্ত হন এবং গুরুত্বপূর্ণ এ আসন থেকেই মনোনয়ন লাভ করেন। এদিকে বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণায় হতবাক হয়ে পড়েন ইয়াছিনের অনুসারীরা। ইয়াছিনকে দলীয় মনোনয়ন না দিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার কথা জানান তারা।

 

অপরদিকে কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন মনিরুল। তিনি ইয়াছিনের সঙ্গে সমঝোতায় প্রস্তুত বলে জানান। ইয়াছিনের সব কর্মী-সমর্থককে মূল্যায়নের ঘোষণাও দেন তিনি। মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের দুই উপদেষ্টা এবং তার অনুসারীরা এখন মুখোমুখি অবস্থানে।

স্থানীয়রা বলছেন, দুই নেতার মধ্যে সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এতে নগরীতে সংঘাত সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাছাড়া বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং কোন্দলের সুযোগ নিতে পারে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো।

এদিকে ইয়াছিন যুগান্তরকে বলেছেন, দলের মহাসচিব বলেছেন, এটা ফাইনাল মনোনয়ন নয়। পরিবর্তন হতে পারে। কুমিল্লা সদর আসনের মনোনয়ন পরিবর্তন হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, ১৭ বছর দল এবং নেতাকর্মীদের জন্য আমি কি করেছি এটা সবাই জানে। এই মনোনয়নে আমার কর্মী-সমর্থকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

এ বিষয়ে মনিরুল বলেন, ইয়াছিন দলের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন, এটা সত্য। আমিও দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। আমি সংঘাত সহিংসতা চাই না। যেহেতু দল আমার ত্যাগ এবং শ্রমের মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দিয়েছে তাই আমি দলের স্বার্থে ইয়াছিনের সঙ্গে সমঝোতা করতে প্রস্তুত আছি।

তিনি বলেন, বিএনপির স্বার্থে আমাদেরকে এক হতে হবে। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। আমি কেন্দ্রীয় নেতাদের বলেছি, বিষয়টি সুরাহা করার জন্য।

নির্যাতিত পরিবারের সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন: কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিনকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে নগরীর টাউন হল মাঠের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মঞ্চে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। এর আয়োজন করেন ১৭ বছরে রাজনৈতিক মামলাসহ বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুব চৌধুরীর স্ত্রী নাসরিন খানম।

তিনি বলেন, এক যুগেরও বেশি কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি সমর্থন করার কারণে বহু পরিবারের স্বামী, বাবা, ভাই ও সন্তানেরা মামলা-হামলা, কারাবরণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন। সেই কঠিন সময়ে এসব পরিবারের পাশে থেকে আইনি সহায়তা, আটক নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের ভরণপোষণ, আহতদের চিকিৎসা, নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসনসহ মানবিক সহায়তা দিয়েছেন আমিনুর রশিদ ইয়াছিন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উদ্দেশে দাবি জানানো হয়, কুমিল্লা বিএনপির দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের অভিভাবকের ভূমিকা রাখা ত্যাগী নেতা ইয়াছিনকে চূড়ান্তভাবে কুমিল্লা-৬ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হোক। এসময় গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক মামলাসহ বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার বিএনপির নেতাকর্মীদের পরিবারের তিন শতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×