জমিয়তের অন্তত ১২টি দাবি, বিএনপি সর্বোচ্চ ৫টি আসন দিতে রাজি
Oplus_131072
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বিএনপি ২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। তবে শরিক দলগুলোর সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় জোটের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। শীর্ষ নেতারা বলছেন, কিছু আসনে বিএনপির প্রার্থীদের তৎপরতা ও সহযোগিতার অভাব জোটের ঐক্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ফলে আসন সমঝোতা বিলম্বিত হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সিদ্ধান্ত মানানো কঠিন হয়ে পড়বে।
এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটি মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু করেছে। বুধবার রাতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সঙ্গে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে শরিকরা দ্রুত আসন ঘোষণা এবং প্রার্থীদের স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে না যাওয়ার নিশ্চয়তা চাইবে।
এদিকে, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। তবে আসন বণ্টন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। জমিয়ত অন্তত ১২টি আসন দাবি করেছে, যেখানে বিএনপি সর্বোচ্চ ৫টি আসন দিতে রাজি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিয়তের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা ইতিমধ্যেই বিএনপির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন, আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক (সিলেট-৫), মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী (নীলফামারী-১), মোহাম্মদ আলী (সিলেট-৪), জুনায়েদ আল হাবিব (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), মনির হোসেন কাসেমী (নারায়ণগঞ্জ-৪), মোখলেছুর রহমান চৌধুরী (কিশোরগঞ্জ-১), শোয়ায়েব আহমদ (সুনামগঞ্জ-২), তালহা ইসলাম (নড়াইল-২)।
জমিয়তের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে আলোচনা এখনও চলমান এবং বেশ কিছু আসনে দরকষাকষি চলছে। দল চাইছে, অন্তত ১২টি আসনে ছাড় নিশ্চিত না হলে তারা জোটে যাবে না।
জমিয়তের আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, “বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। কিছু আসনে দরকষাকষি চলছে। আমাদের চাহিদামতো আসন না পেলে জোটে না যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।”



















