শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

কুয়েতে চৌদ্দগ্রামের যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, প্রতিবেশি কর্তৃক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:১২ পিএম
কুয়েতে চৌদ্দগ্রামের যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, প্রতিবেশি কর্তৃক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুয়েতে মো. শাহজাহান রনি (২৫) নামে কুমিল্লার এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিন এর মাধ্যমে পরিবার রনির মৃত্যুর সংবাদটি জানতে পারে। নিহত রনি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন ২নং ওয়ার্ডের কমলপুর গ্রামের মো. তোফায়েল আহমেদ ও নাছিমা বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে। তবে পরিবারের দাবি, তাদের একমাত্র সন্তানকে তার বাঙালি মালিক মীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। রনির আকষ্মিক এ মৃত্যুর সংবাদে নিহতের পরিবার সহ সমগ্র এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৭ মাস আগে পাশের বাড়ির বাসিন্দা মীর হোসেনের মাধ্যমে কুয়েতে যান শাহজাহান রনি। সেখানে কুয়েতের সাবা আল-নাসের এলাকায় মীর হোসেনের একটি বাকালা (গ্রোসারি) দোকানে মাসিক বেতনে কাজ করতেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রনির সঙ্গে মীর হোসেনের বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দেশে থাকা দুই পরিবারের মধ্যেও প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো।

রনির পরিবারের অভিযোগ, গত ৪ ডিসেম্বরের পর থেকে রনির সঙ্গে তাদের কারোই কোনো যোগাযোগ ছিল না। দীর্ঘ ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রশাসনের মাধ্যমে তারা রনির মৃত্যুর সংবাদ পান। এ সময় অভিযুক্ত মীর হোসেন নানাভাবে রনির পরিবারকে বিভ্রান্ত করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। তিনি রনির পরিবারকে জানিয়েছিলেন, রনি কুয়েতের জেলে আছে এবং শিগগিরই দেশে ফিরে আসবে।
নিহত রনির বাবা তোফায়েল আহাম্মেদ বলেন, ‘২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় করে মীর হোসেনের মাধ্যমে তার একমাত্র ছেলেকে কুয়েতে পাঠানো হয়। সেখানে চাকরির সময় বিভিন্ন অজুহাতে মীর হোসেন রনির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হতো।’

তিনি আরও বলেন, গত ৩ ডিসেম্বর ভোরে রনি তার মা নাছিমা বেগমকে ফোন করে মীর হোসেন কর্তৃক নির্যাতনের কথা জানিয়ে বলেছিল, ‘মা, মীরু আমাকে বাঁচতে দেবে না।’ ওই কথোপকথনই ছিল তার মায়ের সঙ্গে শেষ কথা। এরপর কয়েক দিন যোগাযোগ না পেয়ে কুয়েতে থাকা রনির এক বন্ধু রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরিবার। রাকিব রনির বাসায় গিয়ে খাবার টেবিলে খাবার ও এলোমেলো কাপড়চোপড় দেখতে পেলেও রনির কোনো সন্ধান পায়নি। বিষয়টি রনির পরিবারকে জানায় রাকিব।

তোফায়েল আহাম্মেদ অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ১৩ ডিসেম্বর মীর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, রনি জেলে আছে এবং শিগগির দেশে ফিরবে। পরবর্তীতে আবার যোগাযোগ করলে মীর হোসেন হুমকি দিয়ে বলেন, ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে সমস্যা হবে’, এবং দাবি করেন রনি তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে।

চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শাহজাহান রনির মৃত্যু সংক্রান্ত একটি চিঠি পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিনের সরকারি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়। পরে পৌর নির্বাহীর মাধ্যমে পরিবারের কাছে মৃত্যু সংবাদ পৌঁছে দেওয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ ডিসেম্বর কুয়েতের জাহরা মতলা এলাকায় এক দুর্ঘটনায় শাহজাহান রনির মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ ছিল না এতে।

মৃত্যুর সংবাদ জানাজানি হলে রনির পরিবারে শোকের মাতম শুরু হয়। রনির মা নাছিমা বেগম বলেন, “আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার আগেই বলেছিল তাকে মেরে ফেলা হবে। এটা নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।”

এ বিষয়ে কুয়েতে অবস্থানরত অভিযুক্ত মীর হোসেন মুঠোফোনে বলেন, “আমি আড়াই বছর আগে রনিকে কুয়েতে এনে আমার দোকানে চাকরি দিয়েছিলাম। গত ৪ ডিসেম্বর সে আমাকে কিছু না জানিয়ে অন্যত্র চলে যায়। পরে পরিবারের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর শুনি। আমি কখনো তাকে নির্যাতন করিনি, হত্যা তো দূরের কথা। রনির পরিবারের অভিযোগ সত্য নয়। দূতাবাসের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিন বলেন, “প্রবাসী কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব আমার সরকারি নম্বরে রনির মৃত্যু সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়ে পরিবারকে জানাতে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী পরিবারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। পরিবারের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হোমনায় উপজেলা, পৌরসভা ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম
হোমনায় উপজেলা, পৌরসভা ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

কুমিল্লার হোমনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উপজেলা, পৌরসভা ও হোমনা সরকারি ডিগ্রি কলেজ শাখার নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদল।
জেলা ছাত্রদলের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত হোমনা উপজেলা ছাত্রদলের তিন সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে জাহিদুল ইসলাম (অপু), সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফয়সাল মিয়া এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে মো. মজিবুর রহমানকে।
হোমনা পৌরসভা ছাত্রদলের তিন সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে সাইফুল হাসান সাজ্জাত, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ ফাহাদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে আজিজুর রহমান (সোহান)।
অন্যদিকে, হোমনা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে আবু হায়দার রনি, সাধারণ সম্পাদক হিমেল সরকার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মো. ফাহিম মিয়াকে।
জেলা ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় পূর্বের হোমনা উপজেলা ছাত্রদলের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট, পৌরসভা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট এবং সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের ৪০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া নতুন উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রদলের কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে হোমনায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করছেন নেতাকর্মীরা।

শশীদল রেলস্টেশন দিয়ে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ, প্রতিদিন যাচ্ছে বস্তাভর্তি চালান!

বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
শশীদল রেলস্টেশন দিয়ে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ, প্রতিদিন যাচ্ছে বস্তাভর্তি চালান!

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার শশীদল রেলস্টেশনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রতিদিন এই রেলস্টেশন দিয়ে বস্তায় বস্তায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, ট্রেন থেকে বস্তাভর্তি এসব পণ্য নামিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছে। এসব বস্তায় দামি মোবাইল ফোন, মোবাইল ফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, ভারতীয় মসলা এবং অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি মাদকদ্রব্যও রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, শশীদল রেলস্টেশন থেকে এসব পণ্য কুমিল্লা, ফেনী, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য এভাবে পরিবহন হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রেলস্টেশনকে ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের এই কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে কারা এসব পণ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত, কোথা থেকে এসব পণ্য আসছে এবং এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, এসব পণ্যের মধ্যে মাদকদ্রব্য থাকার অভিযোগটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তা মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা ও দেশের প্রচলিত শুল্ক ব্যবস্থার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অবৈধভাবে আমদানি করা পণ্য বাজারজাত হলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, শশীদল রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে রেলপথে বস্তাভর্তি পণ্য পরিবহনের বিষয়টি তদন্ত করে পণ্যের উৎস, গন্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রতিদিন যদি এভাবে বিপুল পরিমাণ পণ্য রেলস্টেশন দিয়ে পরিবহন হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির বাইরে কীভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে?

এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে স্থানীয় সূত্রের দেওয়া এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

কুমিল্লায় জলাশয় থেকে ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ছিলেন দুই দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ এএম
কুমিল্লায় জলাশয় থেকে ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ছিলেন দুই দিন

Oplus_131072

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা এলাকায় অবস্থিত ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের ভারতীয় শিক্ষার্থী আদনান আলতাফের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে কলেজ ক্যাম্পাসের প্রায় ৫০০ গজ দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আদনান আলতাফ ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার সুপুর এলাকার বুনপাড়া, দাঙ্গালপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আলতাফ হোসাইন রাথার।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে নিখোঁজ হন আদনান। তাঁর সন্ধান চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে আদনান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে একটি ইন্ডিয়ান ফুড হোটেলে যান। সেখান থেকে রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে তিনি নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান শাহ মো. সেলিম জানান, আদনান কিছুটা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এ কারণে তাঁর মাকে সঙ্গে রেখে ক্যাম্পাসে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর কলেজের কাছের একটি জলাশয় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পেছনের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

×