সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

রাজধানী শ্যামলীর বরপুত্র-চৌদ্দগ্রামের শাহ আলম খোকন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৫ পিএম
রাজধানী শ্যামলীর বরপুত্র-চৌদ্দগ্রামের শাহ আলম খোকন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: সমাজ পরিবর্তনের ইতিহাসে এমন কিছু মানুষের নাম অমলিন হয়ে থাকে, যাঁরা প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেও নিজেদের কর্ম, সততা এবং মানবিকতার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গেড়ে নিতে সক্ষম হন। তাঁরা কখনো উচ্চকণ্ঠী নন, বরং তাঁদের শক্তি নিহিত থাকে নীরব অধ্যবসায়ে, সমাজের প্রতি অবিচল দায়বদ্ধতায় এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধে এবং অকৃত্রিম ভালোবাসায়। তেমনই এক প্রেরণাময়ী, মানবদরদী গুণী ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ শাহ আলম খোকন। তিনি একজন সফল সংগঠক। যাঁর জীবন ও কর্ম প্রতিটি সমাজের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে আজীবন।

মোহাম্মদ শাহআলম খোকন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের কনকাপৈত গ্রামের উত্তরপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শফিকুর রহমান এবং মাতা আফিয়া রহমান। তাঁদের আদর-¯েœহ, ভালোবাসা-শাসন ও আদর্শিক শিক্ষায় গড়ে উঠে তাঁর শৈশব-কৈশোর। পিতার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, দেশের জন্য ত্যাগ ও অতুল দেশপ্রেম তাঁর চেতনায় গভীরভাবে দাগ কেটেছে। যা পরবর্তীকালে তাঁর জীবনদর্শন ও কর্মপন্থাকে ব্যাপক প্রভাবিত করেছে। বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছোটবেলা থেকেই তিনি শিখেছেন নিজের জন্য নয়, বরং মানুষের জন্য বাঁচার মধ্যেই জীবনের প্রকৃত অর্থ নিহিত।

শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মনোযোগী, তুখোড় মেধাবী এবং লক্ষ্যে অবিচল শিক্ষার্থী। বাড়ীর পাশের কনকাপৈত উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি তাঁর মেধার স্বাক্ষর রাখেন। এরপর ঢাকার তেজগাঁও কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে ১৯৯৫ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। একই কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে বিএসসি ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে তিনি তাঁর শিক্ষা-ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেন। শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং বাস্তবজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক মূল্যবোধ, নেতৃত্বগুণ, দেশপ্রেম এবং দায়িত্ববোধও আয়ত্ব করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় অর্থ অ্যাপ্লায়েন্স নামীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পেশাগত জীবনের শুভ সূচনা করেন। কর্মক্ষেত্রে তাঁর সততা, নিষ্ঠা এবং কর্মদক্ষতা দ্রæতই তাঁকে আলাদা করে তোলে। ধাপে ধাপে তিনি নিজেকে এমন এক অবস্থানে নিয়ে যান, যেখানে তাঁর সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা এবং উদ্যোগ একটি বৃহত্তর পরিসরে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। তাঁর মধ্যে ছিলো নতুন কিছু করার অদম্য সাহস এবং চ্যালেঞ্জ গ্রহণের দৃঢ়তা। যা তাঁকে ক্রমাগত এগিয়ে নিয়ে গেছে সফলতার দিকে। বিশেষ করে চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট খাতে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ গ্রহণ করেন তিনি। তিনি সেখানেও সফলতার স্বাক্ষর রাখেন।

২০১২ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একটি ম্যানুফ্যাকচারিং মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট ইমপ্ল্যান্টস এন্ড ইন্সট্রুমেন্ট স্থাপনে তাঁর অবদান ছিলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচিত করেছিলো। যারফলে দেশীয় পর্যায়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, শত শত মানুষের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের পথ আরও সুগম হয়। তাঁর এই দূরদর্শী পদক্ষেপ আজও চিকিৎসা খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাসঙ্গিক এবং অনুকরণীয় হয়ে আছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ অর্থোপেডিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক জীবনেও তাঁর সক্রিয়তা ও আদর্শিক অবস্থান ছিল সুস্পষ্ট। ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি ছাত্ররাজনীতির করার মাধ্যমে তাঁর সুনিপুন নেতৃত্বের মধ্যদিয়ে সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময় তাঁকে মোকাবিলা করতে হয়েছে নানান প্রতিকূলতা। একাধিকবার কারাবরণ এবং প্রায় ডজন খানেক রাজনৈনিক মামলার আসামী হয়েও তিনি তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। দমে না গিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়েছেন আরও বহুদূর। তিনি প্রমাণ করেছেন আদর্শে অবিচল থাকলে প্রতিকূলতাও একসময় শক্তিতে রূপ নেয়।

তবে, তাঁর পরিচয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি একজন হাল না ছাড়া মানবদরদী সংগঠক। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহায়তা করা, বিপদে-আপদে মানুষের জন্য এগিয়ে আসা, এসব কাজ তিনি নিঃস্বার্থভাবে করে গেছেন নীরবে। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় তার মানবিকতায়, সমাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতায়। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি নিজেকে যুক্ত রেখেছেন নানা সামাজিক কর্মকান্ডে। যেখানে মানুষের সামগ্রিক কল্যাণই প্রধান লক্ষ্য। প্রচারবিমুখতা তাঁর চরিত্রের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য। তিনি কখনো নিজের কাজকে প্রচারের আলোয় আনতে চান না। বরং তিনি বিশ্বাস করেন, ভালো কাজ নিজেই তার পরিচয় বহন করে। এই কারণে অনেক সময় তাঁর অবদান আড়ালে থেকে গেলেও, যারা তাঁর কাজের সঙ্গে পরিচিত, তাঁদের কাছে তিনি এখনো বেশ শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় পাত্র। ব্যক্তিজীবনে তিনি বেশ বিনয়ী, সংযমী এবং ন্যায়নিষ্ঠাবান। মানুষের সঙ্গে করা তাঁর আচরণে রয়েছে আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধাবোধ, যা সহজেই মানুষকে তাঁর প্রতি আকৃষ্ট করে। একজন সংগঠক হিসেবে তিনি যেমন দৃঢ়চেতা, তেমনি একজন মানুষ হিসেবেও তিনি অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল। এই গুণগুলোই তাঁকে করে তুলেছে অনন্য-অসাধারণ।

বর্তমান সময়ে যখন ব্যক্তি স্বার্থ অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক দায়িত্বকে আড়াল করে দেয়, তখন মোহাম্মদ শাহ আলম খোকনের মতো মানুষ আমাদের সামনে রাখেন অনন্য উদাহরণ। তিনি দেখিয়েছেন, নেতৃত্ব মানে শুধু ক্ষমতা নয়, বরং দায়িত্ব; সাফল্য মানে শুধু অর্জন নয়, বরং মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা। শত বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি থেমে থাকেননি। প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে তিনি মোকাবেলা করেছেন সাহস ও ধৈর্যের সঙ্গে, এবং ছুটেছেন আপন লক্ষ্যপানে। তাঁর এই নীরব, কিন্তু দৃঢ় পথচলা আজকের এবং আগামীর প্রজন্মের জন্য এক মূল্যবান শিক্ষা।

মোহাম্মদ শাহ আলম খোকনের জীবন এক কথায় একটি চলমান প্রেরণার গল্প। যেখানে আছে সংগ্রাম, আছে সাফল্য আর ত্যাগ। সর্বোপরি আছে মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে, তাঁর এই আলোকিত পথচলা আগামী দিনগুলোতেও সমাজকে আলোর পথ দেখাবে। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে এবং মানবিকতার আলো আরও বিস্তৃত করবে। তারা চায়, শাহ আলম খোকন প্রতিটি প্রদক্ষেপ সমৃদ্ধি আর সফলতায় ভরে উঠুক। সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াতের মাধ্যমে নিরলস সেবা করে যাক সাধারণ মানুষের।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×