সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

আর মাত্র ৩ দিন! নার্স হওয়ার স্বপ্ন কি থেমে যাবে উম্মে হাবিবার?

মাহফুজ বাবু : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪২ পিএম
আর মাত্র ৩ দিন! নার্স হওয়ার স্বপ্ন কি থেমে যাবে উম্মে হাবিবার?
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

স্বপ্নটা খুব বড় নয় একজন নার্স হয়ে মানুষের সেবা করবেন, অসুস্থ মায়ের পাশে দাঁড়াবেন, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বাবার দায়িত্ব নেবেন এবং অভাবের সংসারের হাল ধরবেন। কিন্তু সেই স্বপ্নের সামনে এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫০ হাজার টাকা।

কুমিল্লা ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইন্টার্নি শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা (২৪)। দারিদ্র্যের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করেই তিনি এতদূর এসেছেন। কখনো টিউশনি করেছেন, কখনো নিজের প্রয়োজনকে বিসর্জন দিয়েছেন—খেয়ে না খেয়েও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা কোর্স ফি’র মধ্যে নিজের চেষ্টায় ইতোমধ্যে ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন।

বাকি ১ লাখ টাকার মধ্যে মানবিক মানুষের সহযোগিতায় আরও ৫০ হাজার টাকা জোগাড় হয়েছে। কিন্তু এখনো প্রয়োজন আরও ৫০ হাজার টাকা।

আর সেই টাকাটিই যেন তার পুরো জীবনের স্বপ্নের শেষ দরজা।

ঘরে ক্যান্সার আক্রান্ত মা, অসুস্থ বাবা

হাবিবার পাঁচ সদস্যের পরিবার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার বাবা। কিন্তু বয়সের ভারে তিনিও নানা রোগে আক্রান্ত। অন্যদিকে ঘরে ক্যান্সারে আক্রান্ত মা। চিকিৎসা, সংসার ও পড়াশোনার ব্যয়—সব মিলিয়ে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে বারোপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে পরিবারটি। সহায়-সম্পদ যা ছিল, তাও ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। এখন মেয়ের শেষ ধাপের রেজিস্ট্রেশন ফি জোগাড় করাও পরিবারের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাতে সময় মাত্র ৩ দিন

নার্সিং শিক্ষা শেষ করে পেশায় প্রবেশের জন্য লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশনের বর্ধিত সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র তিন দিন বাকি।

এই তিন দিনের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা জোগাড় করতে পারলে উম্মে হাবিবা এগিয়ে যেতে পারবেন তার স্বপ্নের পথে। আর অর্থের ব্যবস্থা না হলে বছরের পর বছর দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে গড়ে তোলা সেই স্বপ্ন থমকে যেতে পারে।

হাবিয়ার পাশে ইতোমধ্যে দাঁড়িয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক আহম্মেদ, নার্সিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও শিক্ষকসহ কয়েকজন মানবিক মানুষ। তাদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত অনেকটা পথ এগিয়েছেন তিনি।

কিন্তু শেষ দরজাটি খুলতে প্রয়োজন আরও ৫০ হাজার টাকা।

আপনার সামান্য সহযোগিতাই হতে পারে একটি জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার কারণ

উম্মে হাবিয়া করুণা চান না। তিনি চান একটি সুযোগ—নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ, নার্স হয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ।

হয়তো কারও কাছে ৫০০ টাকা খুব সামান্য। কারও কাছে ১ হাজার, ২ হাজার কিংবা ৫ হাজার টাকা বড় কোনো বিষয় নয়। কিন্তু অনেক মানুষের ছোট ছোট সহযোগিতা একসঙ্গে হলে পূরণ হতে পারে সেই ৫০ হাজার টাকার ঘাটতি।

একজন ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের সন্তান, একজন অসুস্থ বাবার মেয়ে—উম্মে হাবিয়ার চোখে এখন শুধু একটি স্বপ্ন : নার্স হয়ে মানুষের সেবা করা এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।

আর সেই স্বপ্ন পূরণের সময় হাতে আছে মাত্র তিন দিন।

দেশের মানবিক মানুষ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিত্তবানদের কাছে উম্মে হাবিয়া ও তার পরিবারের আকুল আবেদন, “আমার পড়াশোনাটা শেষ করার সুযোগ করে দিন। আপনার সামান্য সহযোগিতাই হয়তো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।

 

সহযোগিতা পাঠানোর তথ্য

উম্মে হাবিয়া : বিকাশ (Personal) : 01787 259 315

উম্মে হাবিয়ার পিতা : নগদ (Personal) : 01996 953 383

ব্যাংক হিসাব :

IFIC PLC
A/C Name: LIPI BEGUM
A/C No: 0203 215606 851
Branch : Balutupa

উম্মে হাবিয়া :
ইন্টার্ন নার্স, কুমিল্লা ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন নার্সিং ইনস্টিটিউট।

রোল : ৪৪ | 

ব্যাচ : ১১তম | 

সেশন : ২০২১-২২
 

ঠিকানা : বারোপাড়া, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×