শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, চলছে খোঁড়া খুঁড়ি বাড়ছে জনদূর্ভোগ

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার : প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২, ৯:৩০ এএম
অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা,  চলছে খোঁড়া খুঁড়ি বাড়ছে জনদূর্ভোগ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের স্রোত বন্দী পৌরবাসী। দির্ঘদিন চলমান ড্রেন সংস্কারের কারনে উপজেলা সদরের চলাচলের মূল সড়কগুলোও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে বাড়ি ফেরা মানুষ ও হাট-বাজার-শপিং মলে যাতায়তকারীদের পড়তে হচ্ছে চরম বিড়ম্বনায়।

বিশেষ করে দেবীদ্বার পৌর এলাকার অন্যতম ব্যাস্ত সড়ক দেবিদ্বার কলেজ রোড, হাসপাতাল রোড, শান্তিরোডের অবস্থা খুবই নাজুক। খানাখন্দ বাসাবাড়ি, দোকানপাঠ, হাসপাতালের বর্জের দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে মানুষের জীবন। এমনকি উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের প্রধান ফটকের সামনের অবস্থা দেখলে মনে হয় এটাই পৌরসভার ময়লা আবর্জনা ফেলার ডাম্পিং সেন্টার।

পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ২০ বছরেও ময়লা আবর্জনা ফেলার কোন ডাম্পিং সেন্টার তৈরী করা সম্ভব হয়নি। যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা। দূর্গন্ধ আর খানাখন্দের মাঝে চলাচল করতে হচ্ছে হাজার হাজার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং অফিস ও হাট-বাজারগামী লোকজনের।

পৌরসভা প্রতিষ্ঠার ২০ বছরের মধ্যে মামলা জটিলতা ও রাজনৈতিক নেতাদের সদইচ্ছার কারণে পৌর পিতার চেহারার দেখা মেলিনি। অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও অব্যবস্থায় জনদূর্ভোগের মূর্তীমান পরিনত দেবীদ্বার পৌরসভা।

গত ৭/৮ মাস ধরে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিউমার্কেট, উপজেলা প্রশাসনিক রোড, কলেজ রোড হয়ে ইকরানগরী ব্রীজ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫ শত গজ ড্রেন সংস্কার কাজ চলছে। কার্যাদেশে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও ২০ শতাংশ কাজ এখনো বাকী রয়েছে।

গত বছরের ৯ ফেব্রুয়ারী এক প্রজ্ঞাপনে ২ কোটি ৯০ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইট থেকে ইকরানগরী ব্রীজ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫ শত গজ পাকা ড্রেন সংস্কার কাজ চলছে। ড্রেনের কোথাও কোথাও ৩ থেকে ৪ ফুট প্রশস্তকরনের কথা রয়েছে। কাজটি করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান “মাম কনষ্টাকশন হাউজ ষ্টেট, কুমিল্লা। ওই প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশের সময়সীমা ছিল ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ইং থেকে চলতি বছরের ১ মার্চ পর্যন্ত। কিন্তু এখনো ২০ শতাংশ কাজ অর্থাৎ ২ হাজার ৬/৭শত গজ কাজ শেষ কলেও ৮/৯শত গজ কাজ এখনো শেষ হয়নি।

ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া বলেন, ঠিকাদার দিনে ২ ঘন্টা কাজ করলেও বাকী সময়টা এভাবেই কাজ পড়ে থাকে। মাসের পর মাস পথচারী ও যাত্রী এমনকি আমরা যারা ব্যবসায়ি আছি তাদের দূর্ভোগের অন্ত থাকেনা। এ দূর্ভোগ- নির্বাচিত নগরপিতার অভাব, প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা ও সঠিক তদারকীর অভাবে হয়ে আসছে। সামান্য বৃষ্টিতে সড়ক এবং ড্রেন একাকার হয়ে যায়। পথচারীরা স্লেব বিহিন ড্রেনের উপরদিয়ে যাওয়ার সময় ড্রেনে পড়ে দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

তবে কবে নাগাদ এ দূর্ভোগ নিরসন হবে তা পৌর প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টরা কেউ বলতে পারছেননা। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ ছাড়া ডাম্পিং সেন্টারের অভাবে পৌর পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহা সড়কের পাশে, বাসা বাড়ির আঙ্গীনায় এবং খাল বিলে ময়লা ফেলার কারনে পরিবেশের চরম বিপর্যয় ঘটছে।

এলাকায় দূর্গন্ধ, শ্বাস কষ্টসহ সহ নানা রোগ বালাইয়ে অসুস্থ্য হচ্ছে শিশু বৃদ্ধসহ নানা বয়সী লোকজন। এছাড়াও মরে যাচ্ছে সড়কের পাশের সারিবদ্ধ বৃক্ষগুলো।

পৌরবাসীর আবেদন দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে নগর পিতা নির্বাচনসহ নাগরিক সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে। সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাসযোগ্য পৌর শহর নির্মানের দাবী নগরবাসীর।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জনদূর্ভোগ নিরসন হবে কিনা জানতে চাইলে,- পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদ হাসান জানান, কাজ এখনই শেষ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই উপরন্ত ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ছুটির কারনে কাজ বন্ধ থাকবে আরো ২০/২৫ দিন। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও বৃষ্টিজনিত কারনে আরো ৫ মাস কাজের টাইম এক্সষ্টেনশন করা হয়েছে। অতএব এসময়টা পৌরবাসীকে ধৈর্যসহ একটু কষ্ট সহ্য করতে হবে।

নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
নববধূকে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গোসল করায় মামলা নেননি ওসি!

Oplus_131072

বরিশালের বাকেরগঞ্জে বিয়ের মাত্র ১৬-১৭ দিনের মাথায় ১৭ বছর বয়সী এক নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর সৎভাই ও এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চাইতে থানায় গিয়ে মামলা না নেওয়া এবং উল্টো ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর রাতে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন মো. ইমরান প্যাদা (৩৮) ও রাকিব প্যাদা (২৬)। ইমরান ভুক্তভোগীর স্বামীর সৎভাই এবং রাকিব তার চাচাশ্বশুর।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে ইমরান তাকে বাজারে নিয়ে যান। রাতে বাড়ি ফেরার পথে ইমরান ও রাকিব তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী। পরে লিগ্যাল এইড অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় যান তিনি।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, থানায় ওসি আদিল হোসেনের কাছে গেলে তিনি মামলা না নিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখান। ধর্ষণের কোনো প্রমাণ নেই এবং গোসল করায় আলামত নষ্ট হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন ওসি। এমনকি অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে ভুক্তভোগীকেই সাত বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে বলেও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এ সময় অভিযুক্ত ইমরানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে উপহাস করা হয় বলেও দাবি তার।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি আদিল হোসেন। তার ভাষ্য, দু-এক দিন আগে ওই নারী স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তাদের কাছে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে কিছুক্ষণ পর জানাবেন বলে তারা থানা থেকে চলে যান।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমরান ও রাকিব পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বক্তব্য জানতে বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীর স্বামী জীবন প্যাদা, শ্বশুর সুলতান প্যাদা ও শাশুড়ি ফাতেমা বেগম অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাসুদ হাসান বলেন, বিচার চাইতে থানায় যাওয়া একজন নারী যদি সুরক্ষার বদলে ভয়ভীতির শিকার হন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা না নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওসি মামলা না নিয়ে থাকলে কিংবা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মোঃ তারিকুল ইসলাম (তারেক)। প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
জেলা পর্যায়ের ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হোমনার কাদেরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য

জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে কুমিল্লার হোমনা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া তাহেরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় আজান ও কুরআন তিলাওয়াত বিভাগে অংশ নিয়ে তিন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১টায় কুমিল্লা জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় আজান ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে মো. জাহিদ হাসান। কুরআন তিলাওয়াত ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ‘ক’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মো. আতাউল্লাহ বুখারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ এবং নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপপরিচালক আশেকুর রহমান।

মাদ্রাসার মুহতামীম মুফতি মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন আত তাহেরীর তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করে। তাদের এ অর্জনে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি হাজী মুহাম্মদ নূরুল ইসলামসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের ইসলামী শিক্ষা, কুরআন তিলাওয়াত ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে জোরালো আলোচনা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি দমন এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এসব বিষয় গুরুত্ব পায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধ, চাঁদাবাজি, চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, দাউদকান্দি মডেল থানার প্রতিনিধি, দাউদকান্দি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বায়জিদ আহমেদ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান আবুল হাসেম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ কে শামসুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

×