সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

দলবাজরা সাংবাদিকতা ছাড়ুন – ৩

সাঈদুর রহমান রিমন : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২, ৮:৩৬ এএম
দলবাজরা সাংবাদিকতা ছাড়ুন – ৩
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

রাজনৈতিক সাংবাদিকতা যেমন নিষিদ্ধ নয়, তেমনি রাজনীতি করে সাংবাদিকতা কিংবা সাংবাদিকতা করে রাজনীতি করাও নিষিদ্ধ হতে পারে না। তবে তার রাজনীতির প্রভাব সাংবাদিকতায় না পড়লেই চলে। কিন্তু যে দেশে রাষ্ট্র, সরকার আর দলকে আলাদা করে দেখা কষ্টকর, সেদেশে রাজনৈতিক দলের নেতা দলীয় প্রভাবমুক্ত সাংবাদিকতা করবেন তা আশা করাও অবান্তর। এক্ষেত্রে দলবাজ মানুষ তার সাংবাদিকতাকে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবেই ব্যবহার করে থাকেন। তাছাড়া সাংবাদিক কাম রাজনৈতিক নেতা হিসেবে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলেই বেশি সিদ্ধহস্ত তারা। আমি মনে করি, দলবাজির সাংবাদিকতা নৈতিক হলে নিশ্চয়ই দলীয় মুখপত্র প্রকাশের বিধানটি থাকতো না। যারা দলীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি সাংবাদিকতাকেও ধরে রাখতে চান তাদের জন্য দলীয় মুখপত্রে যুক্ত থাকাটাই বেশি যৌক্তিক।
বাংলা ভূখন্ডে ৬১ বছর আগে সাপ্তাহিক সোনার বাংলা এবং ৪৮ বছর আগে দৈনিক সংগ্রাম প্রকাশের মধ্য দিয়ে দলীয় মুখপত্র প্রকাশের সূচণা ঘটে। পরবর্তীতে যুবলীগের মুখপত্র হিসেবে বাংলার বাণী এবং বিএনপির পক্ষে দৈনিক দিনকাল প্রকাশের মধ্য দিয়ে দলীয় মুখপত্রের ব্যাপ্তি ঘটে দেশে। আর বর্তমানে অঘোষিত ভাবে সিংহভাগ পত্রিকাই কোনো না কোনো দলের লেজুরবৃত্তি করে থাকে, যা পাঠকদের সঙ্গে সুক্ষè কারচুপি পর্যায়েই পড়ে। পাশ্ববর্তী ভারতেও পত্রিকা পাঠকদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের এহেন কারচুপির নজির নেই। সেখানে পত্রিকার প্রথম পাতার শীর্ষে স্পষ্টভাবে ছাপানো থাকে : ‘বাংলা ভাষায় সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক’ কিংবা ‘দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রচারিত পত্রিকা’ হিসেবে। কিন্তু বাংলাদেশে ‘প্রচার সংখ্যায় শীর্ষে’ বা ‘সর্বাধিক প্রচারিত’ শব্দটি ছাপা হয় অন্তত আটটি জাতীয় দৈনিকে। এটা পাঠকদের সঙ্গে রসিকতা নাকি প্রতারণা? দলীয় লেজুরবৃত্তির ক্ষেত্রেও অভিন্ন চিত্র বিদ্যমান।
বেশ কয়েকটি সংবাদপত্র সরাসরি দলের মুখপত্র আকারে প্রকাশ করলেও তা পাঠকদের জানিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। অর্থাত নিরপেক্ষতার ভান ধরে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন তারা। এ পরিস্থিতিতে মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকগণও নিরপেক্ষতার ছদ্মাবরণে দলবাজির সাংবাদিকতায় আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকার সক্ষমতা প্রদর্শণ করে চলছেন।
দলবাজ সাংবাদিকতা নিয়ে শরীফ মুহাম্মদ এর গুরুত্বপূর্ণ লেখাটির সংক্ষিপ্ত রুপটিও বেশ কঠিন। দলবাজ সাংবাদিক। এটা একটা পরিচিতিমূলক শব্দবন্ধ। যে সাংবাদিক দলবাজি করে তার জন্য এবং তাকে এটা বলা হয়। অর্থাৎ তার আসল পরিচয় সাংবাদিক, এর সঙ্গে সে কিছুটা দলবাজিও করে। আরেকটা হচ্ছে, মিডিয়াবাজ দলীয় কর্মি। এই লোকটা আসলে সাংবাদিক না, তার প্রধান পরিচয় হলো সে দলের অন্ধ-কর্মি। তবে দলবাজি করার জন্য সাংবাদিকতার অঙ্গনটাকে সে বেছে নিয়েছে।
সাংবাদিকতায় দলবাজির চর্চাটা আগে থেকেই ছিল। কিছু রাজনৈতিক অন্ধ কর্মি ও টাউট যেন সাংবাদিকতায় ঢুকে গেছে! দলবাজির ‘হক’ আদায় করেই সফল সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছে তারা! অপরদিকে যে লোকটা আগাগোড়াই অন্ধ রাজনৈতিক কর্মি, ধান্ধা, পেশা ও জীবিকার ক্ষেত্র হিসেবে সাংবাদিকতাকে বেছে নিয়েছে, সাংবাদিকতা কেবলই তার ব্যবহারের বিষয়। এক সময় দেশে দল ও রাজনীতির সাথে যুক্ত সাংবাদিক থাকতো, এখন সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত অন্ধ রাজনীতিকের ভিড় বেড়ে গেছে। সাংবাদিকতা ও দলবাজির এই বিকৃত বিবর্তন ‘পোকায় খাওয়া সাংবাদিকতা’কে কোথায় নিয়ে ফেলবে সেটাই দেখার বিষয়।
কাজল ভোমরা’র পোস্টে আরো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয় দলবাজ সাংবাদিকতাকে। তিনি বলছিলেন, “সাংবাদিকরা নির্লজ্জ দালালী ছাড়ুন আর দলকানা দালালরা সাংবাদিকতা ছাড়ুন” লিখে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছিল। তারপর আবারো বলছি, হয় সাংবাদিকতা করুন, নইলে দালালী করুন। দল কানা সাংবাদিকদের কারণে মহান পেশার আজ বারোটা বেজে গেছে। অনেকে এতটাই দলবাজ হয়ে গেছেন যে, স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী কালো আইন পাশ হওয়ার পরও মুখে কুলপ এটে বসে থাকেন। অথচ, এ আইন নির্দ্দিষ্ট কোনো দলের সাংবাদিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। বরং সবার জন্যই কালো আইন। আজ যারা চুপ করে আছেন এমন একটা সময় আসবে যখন এ কালো আইন আপনার বিরুদ্ধেই প্রয়োগ করা হবে।
তথ্যমন্ত্রী থাকাবস্থায় হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছিলেন, যারা সাংবাদিকতার নামে লেজুরবৃত্তি করে দলভারি করছেন তারা গণমাধ্যম ছেড়ে যে কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিন। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রয়াত সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান তার জীবদ্দশায় ক্ষোভের সঙ্গে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। সেখানে লিখেন: দেশে সুবিধাবাদী সুযোগ সন্ধানী দলকানা অযোগ্য সাংবাদিকরাই পেশার প্রতি মানুষের মর্যাদা নষ্ট করেছে। এসব মেরুদন্ডহীন সাংবাদিকরা কোথাও চাকরি বাকরি না পেয়ে এই পেশায় এসে যোগ্যতা প্রমানে ব্যর্থ হলেও দলবাজি সুবিধাবাদিতায় চাকরিটা করে যাচ্ছে। এদের পাঠক চিনে না। চিনে ক্ষমতার পাপোষ বা কেরানিগন। কেরানি কেরানি মাসতুতো ভাই। দুই দলে বিভক্ত গনমাধ্যমে এসব অযোগ্যদের নিরাপদ আশ্রয় আছে।
ওমর আলী সোহাগের মন্তব্য হচ্ছে, ইত্তেহাদ থেকে ইত্তেফাক এবং মানিক মিয়া। তখন আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসাবেই আনা হয়। যার হকার পর্যন্ত ঠিক করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর সংক্ষিপ্ত আত্মজীবনী ও বাংলাদেশের সংবাদ পত্রের ইতিহাস তাই বলে। মিজানুর রহমান বলছিলেন, পত্রিকার মালিকগণ যদিও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত। তবুও স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষ রিপোর্ট তৈরি করতে বেশিরভাগ সম্পাদকগণই আদেশ জারি করে থাকেন। স্বাধীনভাব আর নিরপেক্ষতা বজায় থাকেনা শুধু মফস্বলেই। কেননা, বহু পাকনা পাকনা টাউট বাটপারেরা রাজনীতির পাশাপাশি একটি পত্রিকার কার্ড পেয়েই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপান্তরিত করতে জাল নকসা আঁকতে থাকে। তার কুৎসিত চরিত্রটি সবার চোখে ধরা খাবার আগেই হয়ে ওঠে প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য কঠিন প্রতিরোধ্য এক শয়তান।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×