সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডে গুণী সাংবাদিকের সম্মাননা পেলেন কুমিল্লার আবুল হাসানাত বাবুল

আবদুর রহমান : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২, ১১:১৭ এএম
বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডে গুণী সাংবাদিকের সম্মাননা পেলেন কুমিল্লার আবুল হাসানাত বাবুল
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

জীবনে কোন কিছু পাওয়ার জন্য সাংবাদিকতা করিনি। সব সময় চেষ্টা করেছি দেশের এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। সম্মাননা পাওয়ার কথা কখনো মাথায় আসেনি। আর কখনো ভাবিনি এমন একটি বিশাল আয়োজনে আমার মতো ক্ষুদ্র একজন সাংবাদিককে সম্মাননা জানানো হবে। আমি বলবো এটি বসুন্ধরা গ্রুপের একটি বিরল দৃষ্টান্ত, এটা তাঁদের উদারতা। তাঁরা বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এক সঙ্গে দেশের ৬৪ জেলার ৬৪ জন গুণী সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করার ঘটনা অতীতে ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। আমার মনে হয় এটাই প্রথম ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা।’
কথাগুলো বলছিলেন কুমিল্লার জেষ্ঠ্য সাংবাদিক আবুল হাসানাত বাবুল। সোমবার (৩০ মে) রাতে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) কুমিল্লার এই গুণী সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করেছেন দেশের বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। একই সঙ্গে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে দেশের আরও ৬৩ জেলার ৬৩ জন গুণী সাংবাদিককে। আইসিসিবিতে ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ এর আয়োজনে ৫টি ক্যাটাগরিতে ১১ জন অসুসন্ধানী সাংবাদিককে পুরস্কার প্রদান করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদান রাখায় দেশের প্রতিটি জেলা থেকে একজন করে গুণী সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কুমিল্লার জেষ্ঠ্য সাংবাদিক আবুল হাসানাত বাবুলকে সন্মাননাপত্র, ক্রেস্ট ও এক লাখ টাকা প্রদান ছাড়াও উত্তরীয় পরিয়ে দেন অতিথিরা।
বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম ও ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২১’-এর জুরি বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান।
এমন সন্মাননা পেয়ে জেষ্ঠ্য সাংবাদিক আবুল হাসানাত বাবুল বলেন, আমার জন্য এটি একটি স্মরণীয় ঘটনা। কখনো ভাবিনি জীবনে এমন মূহুর্ত আসবে। এই ভালো লাগার কথা ভাষায় প্রকাশ করে শেষ করতে পারবো না। বসুন্ধরা গ্রুপের এমন সম্মাননা দেশের জেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের ভালো কাজে আরও অনুপ্রাণিত করবে। এমন আয়োজনের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমি চাই এই ধারা অব্যাহত থাকুক।
জেষ্ঠ্য সাংবাদিক আবুল হাসানাত বাবুল ১৯৬৯ সালে সাপ্তাহিক চিত্রালীতে সংবাদ পাঠানোর মাধ্যমে সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি নেন। বলতে গেলে সেখানে তিনি শৌখিনভাবে সংবাদ পাঠাতেন। শিক্ষা সনদ অনুযায়ী তাঁর মূলনাম আবুল হাসানাত। জন্ম ১৯৫০ সালের ৯ নভেম্বর। ১৯৭৪ সালে সাপ্তাহিক রূপসী বাংলায় সাংবাদিকতা করাকালীন পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল ওহাব মূলনাম আবুল হাসানাতের সঙ্গে ডাকনাম বাবুল যোগ করে দিলে পরিচিত হন আবুল হাসানাত বাবুল নামে। তখন গল্প, কবিতা প্রচুর লিখতেন। ফলে সাংবাদিকার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চাও ব্যাপক হয় তাঁর। একই বছর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে সাপ্তাহিক আমোদ-এর টেবিলে বসে কাজ করার সুযোগ পান। সেই থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত আমোদ-এর স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। আমোদ-এ সম্পাদকীয়, উপ-সম্পদকীয় নিয়মিত লিখতেন। একই সময়ে জেলা পরিষদের মুখপত্র লালমাইয়ে সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমানের পক্ষে সাময়িকীটির সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালের ১০ ডিসেম্বর রূপসী বাংলা দৈনিক হলে রূপসী বাংলার প্রধান সাংবাদিকের দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক আবদুল ওহাব তাকে সিটি এডিটরের দায়িত্ব দেন। তখন থেকে মাসিক সম্মানি পেতেন। এই সম্মানি ১৫০ টাকা প্রথমে থাকলেও পরবর্তীতে ২৫০০ টাকা পরিণত হয়। কুমিল্লার একমাত্র দৈনিকে তখন রাতদিন কাজ করতে হতো তাকে। ৭০ ও ৮০ দশকে অবৈতুনিক সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন দৈনিক আজাদ, দৈনিক দেশ বাংলা, দৈনিক বাংলার মুখে। নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র পান চট্টগ্রামের দৈনিক মিছিল থেকে । এই নিয়োগ পেয়ে সাংবাদিক সমিতির সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৭৬-৭৭ সালে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ছিলেন কুমিল্লার প্রয়াত সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আলী হোসেন চৌধুরী। এই সময়কালে ক্রীড়াজগত ও নাট্য সাময়িকী থিয়েটারে কুমিল্লার প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেন। সাংবাদিক সমিতির একাধিক জাতীয় সম্মেলনে কুমিল্লার প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৯১ সালে প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পান। ১৯৯৯ সালে প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও ২০০৩ সালের ২৪ ডিসেম্বরে সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৭-২০০৮ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে কুমিল্লার প্রতিনিধি ছিলেন। ১৯৭০-৮০ দশকে দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক আজাদ, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক ইনকিলাব, বাংলার বাণীতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিবেদন লিখতেন। আমোদ-রূপসী বাংলায় বিভিন্ন নামে নিয়মিত কলাম লিখতেন। ১৯৯৩ সালে অভিবাদন নামের সংবাদপত্র প্রকাশ করে সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। ২০২২ সালে অভিবাদনের বয়স ২৮ বছর হলো। বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির জাতীয় পুরস্কার পাবার পর বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি তাকে সম্মাননা প্রদান করে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×