সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

সমস্যা সমাধান না করেই কুবির শেখ হাসিনা হল উদ্বোধন

এবিএস ফরহাদ, কুবি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২, ৫:৫১ এএম
সমস্যা সমাধান না করেই কুবির শেখ হাসিনা হল উদ্বোধন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

দরজার পাল্লা ও চৌকাঠে নিম্নমানের কাঠ ব্যাবহার করা হয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হলে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন থেকে মৌখিক ও লিখিতভাবে একাধিকবার ঠিকাদারকে সতর্ক করা হলেও নামেমাত্র পরিবর্তন করে কাজ শেষ করেছে। এদিকে সমস্যা সমাধান না করেই গত রবিবার হলটির উদ্বোধন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে হলটিতে সিট বরাদ্দ পাওয়া শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, দেড় বছরের কাজ ৫ বছরে শেষ হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঠিকাদারের কাছ থেকে সম্পূর্ণ কাজ বুঝে না পাওয়া দুঃখজনক।
খোজাঁ নিয়ে যায়, তিন তলা বিশিষ্ট হলটির একাধিক রুমের দরজার কাঠ বাকাঁ হয়ে গেছে, দরজার হাতল নষ্ট, কয়েকটি হাতল ভেঙ্গে পড়েছে। এছাড়া দরজা লক করার ছিদ্র নাই, অধিকাংশ হুক নষ্ট ও বাকাঁ। জোড়াতালি দেওয়া বাথরুমের টাইলস। নিম্নমানের বৈদ্যুতিক সার্কিট, লাইট। হলটির দেখতে চকচকে হলেও রয়েছে নানা অব্যবস্থাপনা। চৌকাঠগুলো ইতিমধ্যে বাকাঁ হয়ে যাচ্ছে। কয়েকটি দরজার পাল্লায় ফাঁকা হয়ে গেছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, হলের নির্মাণকাজ শেষ না হতেই এতএত সমস্যা থাকলে এখানে শিক্ষার্থীরা কিভাবে থাকবে। বেসিক জিনিসগুলোই এখানে নষ্ট। নতুন একটি হলের দরজা, জানালায় সমস্যা দুঃখজনক। এছাড়া ছাত্রীরা উঠে যাওয়ার পরে এসব কাজ কিভাবে করবে?
পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা যায়, হলটিতে নিম্নমানের চৌকাঠ ও পাল্লা ব্যবহার করা হচ্ছে বিষয়টি প্রকৌশল দপ্তরকে জানানো হলে তারা নির্মাণকাজ পাওয়া আবদুর রাজ্জাক জেভিসিএ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটিকে সর্তক করে। তবে তা আমলে নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তীতে প্রকৌশল দপ্তরের মাধ্যমে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর। চিঠি পেয়ে কয়েকটি দরজার চৌকাঠ ও পাল্লা নামেমাত্র শেষ করে দায়িত্ব শেষ করে প্রতিষ্ঠানটি। ত্রুটিপূর্ণ চৌকাঠ ও পাল্লা ব্যবহারের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কাজ বুঝে নেওয়া ও ছাত্রীদের হলে উঠার নির্দেশনা দেওয়ায় উঠেছে নানা প্রশ্ন। তবে হল প্রশাসন বলছে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে হলটি উদ্বোধন করতে হয়েছে।
এবিষয়ে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক ড. শাহাবুদ্দিন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার লতিফের কাছে শুনেছি কয়েকটি পরিবর্তন করা হয়েছে। বাকিগুলো তারা বলতে পারবে। কারণ এটির বিল প্রকৌশল দপ্তর তৈরি করবে।
এদিকে প্রকৌশলী দপ্তর বলছে, তারা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে সর্তক করেছে নিম্নমানের কাঠ ব্যবহার না করতে। মৌখিকভাবে বললে ঠিকাদার আমলে না নিলে তারা লিখিত চিঠি দেয় এবং বিল আটকে রাখার কথা জানান। পরে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি কিছু দরজার পাল্লা পরিবর্তন করে। কিন্তু তাও সন্তোষজনক নয় দাবি করে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন, তারা যে কাঠ দিয়ে কিছু দরজা পরিবর্তন করেছে তা সন্তোষজনক নয়। আমি বিষয়টি এসি ও পিডি স্যারের মাধ্যমে জানিয়েছি। এছাড়া টেকওভার কমিটি থেকে যখন জানতে চাওয়া হয় তখন ফর্মে আমি বিষয়গুলো উল্লেখ করেছি। তবে ঠিকাদার জাহাঙ্গীর জানান সকল কাজ শেষ করে হল হস্তান্তর করা হয়েছে।
চৌকাঠ ও পাল্লা পরিবর্তন না করে হল হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে চাইলে হস্তান্তর কমিটির আহ্বায়ক কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, নিম্নমানের চৌকাঠ ও পাল্লা নিয়ে আমি জানি না।
তবে শর্তসাপেক্ষে হল হস্তান্তর হয়েছে জানিয়ে কমিটির সদস্য সচিব বিল্লাল হোসাইন বলেন, আমরা শর্তযুক্ত হস্তান্তর নিয়েছি। নিম্নমানের চৌকাঠ ও পাল্লা ব্যবহারের বিষয়ে যেসব অভিযোগ রয়েছে সেগুলো সমাধান না হলে কোন বিল করবেনা ইঞ্জিনিয়ার দপ্তর। কাজ শেষ না করে ভবন হস্তান্তর নেয়া যায় কিনা জানতে চাইলে বলেন, এটি শর্তযুক্ত নেয়া যায়।
শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট মো. সাহেদুর রহমান বলেন, হলটি টেকওভার কমিটি বুঝে নেওয়ার পর আমি দায়িত্ব পেয়েছি। কিভাবে তারা বুঝে নিয়েছে আমি জানিনা। নিম্নমানের চৌকাঠ ও পাল্লা ব্যবহারের বিষয়টি যেহেতু জেনেছি আমি অবশ্যই টেকওভার কমিটির সাথে কথা বলে কি করা যায় সেটি দেখবো। হল উদ্বোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে হল উদ্বোধন ও খুলে দেওয়া হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.এফ.এম. আবদুল মঈন জানান, যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো কারেকশন করতে আমরা চিঠি দিয়েছি। এখন কি অবস্থায় আছে সেটি প্রকৌশল ও পরিকল্পনা দপ্তর বলতে পারবে। অসম্পূর্ণ কাজগুলো করতে নারী শিক্ষার্থীরা অস্বস্তিতে পড়তে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোন ঘাটতি থাকবে না তবে যেহেতু মেয়েরা অস্বস্তিতে পড়তে পারে তাই আমি বলছি যখন মেয়েরা থাকবেনা তখন কাজ করতে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের মার্চে শেখ হাসিনা হলের নির্মাণকাজ পায় আব্দুর রাজ্জাক জেভিসিএ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। কাজটি ৪ বার মেয়াদ বাড়িয়ে ১৮ মাসের কাজ শেষ হয় ৫ বছরে। কাজের শুরুতে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ১২ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা। শেষ সময়ে ৪০ লক্ষ টাকা প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে পারলে ব্যয় বৃদ্ধি পেত না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×