সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

আদালতে মামলা চলছে, ঝামেলার জায়গার দখল দেখাতে চলছে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩, ২:৪৫ পিএম
আদালতে মামলা চলছে, ঝামেলার জায়গার দখল দেখাতে চলছে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ কাজ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের বড়পুটিয়া গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে ইমাম হোসেন। তার বাবার মৃত্যুর আগে বেশ কিছু সম্পদ সাব কাওলা দলিল করে দিয়ে যান। সেই সম্পদ ভোগ করা নিয়ে নানান সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি ইমাম হোসেনের বসতভিটার পাশে ২ শতক জায়গা নিয়ে পড়েন বিপাকে। ধনজয় আলাী নামের এক প্রতিবেশী দাবি করে বসেন এই জায়গা তাদের। ধনজন আলী হলেন ভুক্তভোগী ইমাম হোসেনের চাচাতো বোনের জামাই। ধনজন আলী ইমাম হোসেনের চাচাতো বোনকে বিয়ে করে ঘরজামাই থাকেন ওই বাড়িতে।

জায়গাটির তফসিলি চৌহদ্দি হলো, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বড় পুটিয়া মৌজার ২৪ নম্বর বিএস খতিয়ানভুক্ত ১১৬ দাগে বাড়ী, ৭ শতক আন্দরে দক্ষিণাংশের ২ শতক ভূমি। যার উত্তরে ভুক্তভোগী ইমাম হোসেন এবং দক্ষিণে ধনজন আলী।

ইমাম হোসেন তার বাবার কাছ থেকে এ জায়গা ওয়ারিশ সূত্রে পেলেও সেই জায়গা গত রমজান মাসে জোরপূর্বক ঘর তৈরি করতে যান অভিযুক্ত ধনজন আলী। পরে ইমাম হোসেনরা তা নিষেধ করতে গেলে ধনজন আলীর পরিবার চড়াও হয়ে, দা, কুড়াল নিয়ে মারতে আসেন ইমাম হোসেনদের। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইমাম হোসেন স্থানীয় চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাদলের কাছে সুষ্ঠু বিচার চেয়ে লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বসে উভয়পক্ষের কথাবার্তা শুনে তাদের মিলিয়ে দেন। পরবর্তীতে ঈদের পরে চেয়ারম্যান কাগজপত্র দেখে এটার সমাধান করবেন বলে ১১ মে তারিখ দেন। কিন্তু অভিযুক্ত ধনজন আলী গত ৬ মে চেয়ারম্যানের দেওয়া তারিখকে তোয়াক্কা না করেই আবারও ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এসময় ভুক্তভোগী ইমাম হোসেন চেয়ারম্যানের কাছে দৌড়ে গিয়ে ধনজন আলী ঘর নির্মাণ করছেন বলে জানালে চেয়ারম্যান ভুক্তভোগী ইমাম হোসেনকে বলেন আপনারা আইনের আশ্রয়ে যান। এর পরবর্তীতে গত ৮ মে ভুক্তভোগী ইমাম হোসেন বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত দলিলপত্র বিবেচনা করে মামলাটি আমলে নিয়ে বরুড়া থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বলেন। বরুড়া থানার এসআই মিজানুর রহমান গিয়ে অভিযুক্তদের কাজ বন্ধ রেখে আগামী ৬ জুন আদালতে থাকার জন্য নোটিশ প্রদান করে আসেন। কিন্তু সেসব নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, ধনজন আলী আবারও ঘর নির্মাণ করে চলেছেন। ফলে যেকোনো সময় বড় সংঘাতের আশংকা রয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইমাম হোসেন বলেন, আমার মালিকানা জায়গায় ধনজন আলী জোর করে ঘর তুলছেন। আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। কিন্তু ধনজন আলী আদালতকে সে জায়গার দখল দেখাতে জোরপূর্বক ঘর তৈরি করছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আদালত আমার দলিলপত্র দেখে মামলাটি আমলে নিয়েছেন। আমি আদালতের উপর সম্পূর্ণ আস্থাশীল। আদালত যা সিদ্ধান্ত দেন আমি মেনে নেবো।

তবে জোর করে, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে, থানা পুলিশের নোটিশের তোয়াক্কা না করেই ধনজন আলী কেন জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করছেন এ বিষয়ে অভিযুক্ত ধনজন আলী বা তার পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১২নং আড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাদলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বরুড়া থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, কোর্ট থেকে নির্দেশ আসার পর আমি স্ব শরীরে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্তদের ঘর নির্মাণ থেকে বিরত থাকার জন্য বলেছি। তারপরও তারা ঘর নির্মাণ করছেন, এটা আদালত অবমাননার সামিল। এটা আদালত অবশ্যই বিবেচনা করবেন।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
চান্দিনায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

কুমিল্লার চান্দিনায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মনির হোসেন (৩১) নামে ওই শিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে রাখার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি দোল্লাই নবাবপুর বাজারসংলগ্ন মারকাজুল নূরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দুই মাস আগে ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরকে মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সে মাদ্রাসাতেই থাকত। সেখানে অভিযুক্ত মনির হোসেন আরবি বিষয়ে পাঠদান করতেন।

পরিবারের ভাষ্য, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত অর্থাৎ ১২ আগস্ট রাতের খাবার শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মনির হোসেন ওই কিশোরকে ডেকে নিজের খাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে শরীর ম্যাসেজ করাতে বাধ্য করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই কক্ষে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়।

ঘটনার পর আতঙ্কে কিশোরটি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ১২ আগস্ট বিকেলে মোবাইল ফোনে মাকে বিষয়টি জানালেও বিস্তারিত কিছু বলেনি। পরদিন তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে মোবাইল ফোনে বাবাকে ঘটনার কথা জানায় সে। ১৭ আগস্ট রাতে ছেলের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন মা।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, ছেলের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ঘটনার পর টানা তিন দিন তার পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর প্রবাসী বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক মনির হোসেনকে ফোন করেন। এ সময় মনির হোসেন বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেন। পরে পরিবারটি স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিশ বসে।

সালিশ চলাকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাটি জানতে পেরে সেখানে উপস্থিত হন। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চান্দিনা থানার পুলিশ দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদে যায় এবং অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রাম্য সালিশে বসার বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, “উভয় পক্ষ আমার পরিষদে এসে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে আমরা সালিশে বসি। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।”

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, “স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

×