আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলায় কুমিল্লার সাবেক এসপিসহ দণ্ডিত ১৫ জন
Oplus_131072
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে সাভারের আশুলিয়ায় ছয় তরুণকে গুলি করে লাশ পোড়ানোর মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরও ২ জনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজনকে ক্ষমা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, এসআই আবদুল মালেক, এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা, কনস্টেবল মুকুল চোকদার, যুবলীগ কর্মী রনি ভূঁইয়া।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি ও কুমিল্লার সাবেক পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহিদুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী, পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস,ডিবির সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন।
মামলার বিবরণ জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে ছয় তরুণ নিহত হন। এরপর তাদের লাশ পুলিশ ভ্যানে তুলে আগুনে পোড়ানো হয়। নৃশংস এ ঘটনায় একজন জীবিত অবস্থায় পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারা হয়। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়।
২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি শেষ হয়। মোট ২২ কার্যদিবসে তদন্ত কর্মকর্তা জানে আলম খানসহ ২৪ জন সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য দেন আরাফাত হোসেন। গত ১৪ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। আসামিপক্ষ ও প্রসিকিউশনের পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে ২০ জানুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করা হয়।



















