সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুবিতে এক ঘটনায় দুই তদন্ত কমিটি, অনাস্থা জানিয়ে প্রত্যাখ্যান

এবিএস ফরহাদ, কুবি : প্রকাশিত: বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১:৩৭ পিএম
কুবিতে এক ঘটনায় দুই তদন্ত কমিটি, অনাস্থা জানিয়ে প্রত্যাখ্যান
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহেরের বিরুদ্ধে কর্মকর্তা-কর্মচারীর কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা বক্তব্যের বিচারের জন্য গঠিত দুইটি তদন্ত কমিটির প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করে প্রত্যাখ্যান করেছে শিক্ষক সমিতি ও ড. তাহের। এদিকে উপাচার্য বরাবর চিঠি দুটি দিতে গেলে রিসিভ না করার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী এবং সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম স্বাক্ষরিত এবং ড. তাহের স্বাক্ষরিত পৃথক দুইটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
একই ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি ও একাধিক ব্যক্তিকে উভয় কমিটিতে রাখাকে রহস্যজনক দাবি করে শিক্ষক সমিতি বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির চিঠির ভিত্তিতে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দের চিঠির ভিত্তিতে আরোও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। একই বিষয়ে দুইটি তদন্ত কমিটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এতোজন শিক্ষক থাকতে দুইটি তদন্ত কমিটিতে দুইজন শিক্ষকের পুনরাবৃত্তি ঘটানো হয়েছে, যা অপ্রয়োজনীয় ও রহস্যজনক। নিরপেক্ষ ও বিতর্কমুক্ত তদন্ত কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে শিক্ষক সমিতির নিকট থেকে উপাচার্য মহোদয় নাম নিয়ে মাত্র একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যা আমাদের আরো সন্দিহান করে তুলেছে। এরকম একপেশে কমিটির তদন্তে স্বচ্ছতার অভাব ঘটবে বলে আমরা আস্থাহীনতায় ভুগছি এবং আমরা এই কমিটিকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।

এদিকে একই ঘটনায় পৃথক দুইটি তদন্ত কমিটি ও একাধিক ব্যক্তিকে উভয় কমিটিতে রাখায় কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন ড. তাহের।
সেখানে ড. তাহের বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘মিথ্যা ও মানহানিমূলক’ বক্তব্যের বিচার চেয়ে শিক্ষক সমিতির আবেদন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবন্ধনের ব্যানারে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ বিষয়ে ড. তাহের ও শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে একই বিষয়ে দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। একই প্রতিষ্ঠান কর্তৃক একই বিষয়ে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা নজিরবিহীন ঘটনা।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, তাছাড়া দুটি তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব এবং অন্য আরেকজন সম্মানিত শিক্ষককেও দু’টি তদন্ত কমিটিতেই অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এতে তদন্ত কার্যক্রমে স্বকীয়তা ও গোপনীয়তা ক্ষুণ্ন হবে এবং তদন্ত প্রক্রিয়াও প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে আমি মনে করি। এ ধরনের তদন্ত কমিটি উদ্দেশ্যমূলক এবং নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের অন্তরায় হওয়ার আশংকা করছি বিধায় আমি উক্ত তদন্ত কমিটির উপর অনাস্থা জ্ঞাপনপূর্বক প্রত্যাখ্যান করছি।
তদন্ত কমিটি প্রত্যাখ্যান করার বিষয়ে উপাচার্য দপ্তরে চিঠি দিতে গেলে রিসিভ করেন নাই জানিয়ে ড. তাহের বলেন, আমি এই কমিটির প্রতি অনাস্থা জানিয়ে উপাচার্য বরাবর চিঠি দিতে গেলে আজকে ওনি ছিলো না। পিএস কে উপাচার্য রিসিভ করতে নিষেধ করছে তাই রিসিভ করে নাই। যে কোন দরখাস্ত কার্যকর করুক বা না করুক এটা রিসিভ করা উচিত। এই নিয়মটুকু পর্যন্ত মেইনটেইন করে নাই উপাচার্য ও উপাচার্য দপ্তর।

তবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে দুপুরের পর থেকে বাহিরে আছি আমার অবর্তমানে যথাযথ প্রশাসনের কেউ কোন অভিযোগ পয়নি।
একই ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একজন সম্মানিত শিক্ষকের মানহানিকর বিষয়টি বিবেচনা করে এবং একই সাথে অন্য একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের সদস্যের হুমকির বিষয় গুলো আমলে নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন তার ক্ষমতা বলে তদন্ত কমিটি গঠন করতে পারেন, তবে শিক্ষক সমিতি তদন্ত কমিটির পছন্দের শিক্ষক রাখার বিষয়ে দুইজন শিক্ষকের নাম প্রস্তাব করার ভিত্তিতে একজন শিক্ষককে তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ভিত্তিতে বেশ কয়েকদিন আগেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল কিন্তু বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে বিবেচনায় এটিকে প্রকাশ করা হয়নি।

প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, গত ২৩ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে মানববন্ধন করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ। এসময় ব্যানারে সাবেক রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহেরেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাত-শিবিরের প্রধান পৃষ্টপোষক, জামাত-শিবিরে ও বিএনপির নিয়োগ দাতা, সোলার ক্রয় দুর্নীতির মূল হোতা, বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত দুর্নীতিবাজ বলে অবহিত করেন। যা নিয়ে আন্দোলন করে বিভাগের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবী, দুই দফা আল্টিমেটামের পরেও প্রশাসন কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় গতকাল প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন তারা।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×