সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুবি উপাচার্যের বক্তব্যে ক্ষোভ ছাত্রলীগের, ধন্যবাদ ছাত্রদল নেতার

এবিএস ফরহাদ, কুবি প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মে, ২০২২, ১০:৪৬ এএম
কুবি উপাচার্যের বক্তব্যে ক্ষোভ ছাত্রলীগের, ধন্যবাদ ছাত্রদল নেতার
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের প্রতিবাদে গত ২৬ মে বিক্ষোভ মিছিল থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসে ‘ছাত্রদলের চামড়া তুলে নিবো আমরা, কুবির মাটি ছাত্রলীগের ঘাটি’ এসব শ্লোগান দেন। এর দু’দিন পর গতকাল ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয় ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেন, ‘অমুকের চামড়া তুলে নিবো আমরা এসবের পিছনে সময় নষ্ট না করে সময়টুকু কাজে লাগাতে হবে।’
উপাচার্যের এমন বক্তব্যে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। আপরদিকে উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন বলে মন্তব্য করেছেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ।

শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লেখেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ তম বছর শেষে ১৭ তে পা দিলো, এই দিবসে ভিসি স্যার বর্তমান ছাত্র সংগঠনের সমালোচনা করেছেন যা ছাত্রলীগ মনে করছে তাদেরকে নিয়েই এই সমালোচনা। কথা পরিস্কার, সত্য সবসময় প্রকাশিত,তা যে করেই হোক তা প্রকাশ হবে কিংবা তা অপরাধ কারিদের কাছে টক কিংবা তেতু লাগে।। আমি বলছিনা ভিসি স্যার সরকার বিরুধী কোন ছাত্র সংগঠনকে খুশি করতে কিংবা ফেবার দিতে বলেছেন তেমনটা। এই সত্যটা হয়তো উনার মুখ দিয়ে বের হয়ে গেছে কিংবা উনি আসলেই উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে বর্তমান ছাত্রলীগ বেপরোয়া বা তাদের নির্দিষ্ট সাংগঠনিক চর্চা থেকে বহুদূরে। তাই উনি বলেছেন “অমুকের চামড়া তুলে নিবো আমরা” এটা কোন ছাত্র সংগঠনের কাজ হতে পারে না। অবশেষে আব্দুল মঈন স্যার আপনার এই সত্য বচনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারিনা। “ধন্যবাদ” স্যার আপনাকে সত্য বলার জন্য।”

তবে উপাচার্যের এমন বক্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিফাত আহমেদ ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কি স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি সংগঠন ছাত্র শিবির ও ছাত্রদল কে কুবি ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠিত করার মিশন নিয়ে এসেছেন? বাঙালির আশা-ভরসা, আস্তার শেষ ঠিকানা, গনতন্ত্রের মানষকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে নিয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল কটুক্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে “ছাত্রদল ও শিবিরের চামড়া, তুলে নিব আমরা” স্লোগানের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রোগ্রামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এই স্লোগানের প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। একটা স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, উপাচার্য স্যার কথাটি নিঃসন্দেহে ছাত্রলীগকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রধানমন্ত্রী কে উদ্দেশ্য করে কুটক্তির প্রতিবাদ জানিয়ে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আমরা যে স্লোগান দিয়েছি তা উল্লেখ করে উপাচার্য গতকাল বক্তব্য দিয়েছে। এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ছাত্রদল ও শিবিবের নেতাকর্মীরা ওনার পক্ষ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অংসখ্য স্ট্যাটাস দিয়েছে। তা আসলে কিসের ইঙ্গিত করে সেটি গোয়েন্দা সংস্থা, সরকারী উচ্চমহল, বিশেষ করে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ভাইকে আহ্বান করব বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য। হঠাৎ করে শিবির, ছাত্রদল ভিসির প্রতি পিরিত দেখানোর কারণ কি সেটা খুঁজে বের করতে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতি আহ্বান করব।
তবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বিষয়টি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বলেছেন জানিয়ে বলেন, আমি কোন দলের জন্য এ বক্তব্য দিয়নি। আমি বলছি শিক্ষার্থীদের কাজ হচ্ছে এইটা। ছাত্রদল কে করে আমি চিনিও না, কি মন্তব্য করছে তাও জানিনা। আমার বক্তব্য ছিল ছাত্রদের কি কাজ করার কথা। এখানে ছাত্রলীগের মিছিলের কোন কথাই না। কারো রেফারেন্সে আমি বক্তব্য দেয়নি। বলেছি ছাত্র-শিক্ষকদের কি করার কথা।
তবে ছাত্রলীগের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কােন দলকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য দিয় নাই। বলেছি শিক্ষার্থীদের আরও কাজ আছে, পড়াশুনা করা, একাডেমিক চর্চা করা।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×